ফিরে দেখুন ৭১

Wednesday, December 24, 2008

একটি অসাধারণ বইয়ের খোজ পেলাম। নাম ফিরে দেখা ৭১। সামহোয়ার ব্লগের ব্লগাররা এই বই তৈরি করেছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্লগারদের দেয়া বিভিন্ন তথ্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। অনলাইনে পাঠযোগ্য মুক্তিযুদ্ধের বই কি এটাই প্রথম? ঠিক জানিনা, হয়তো তাই হবে। ই বই হিসেবে প্রকাশিত এই বইটিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার ব্লগাররা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন অজানা কাহিনী ও প্রয়োজনীয় তথ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তারা নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তারা চেয়েছেন, সমকালীন রাজনীতির অপচ্ছায়া যেন নতুন প্রজন্মকে গ্রাস না করে, তারা যেন মুক্তিযুদ্ধ ও তার প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলে না যায়। কিংবা বিকৃতির চেষ্টায় নিজেকে হারিয়ে না ফেলে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ব্লগারগণের এই চেষ্টা সত্যিই স্যালুটযোগ্য। তাদের এই অবদান বাঙালি জাতি যতদিন আছে, ইতিহাসের পাতায় যতদিন বাংলাদেশ স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে টিকে থাকবে, ততোদিন সমুজ্জ্বল থাকবে একথা আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি।

ফিরে দেখা ৭১ বইটি আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ফিরে দেখতে উদ্বুদ্ধ করেছে একথা নির্দ্ধিধায় বলতে পারি। বস্তুত: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের ভাবনায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যতটা উদাসীনতা দেখা গেছে, অন্যান্য জাতির ক্ষেত্রে তা কখনও হয় নাই। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতেও আমরা যেন ভুলে গেছি। ফিরে দেখা ৭১ বইটির মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ১৯৭১ সালের ঘটনাবলীর প্রতি একটু হলেও ফিরে তাকাবে এটুকু প্রত্যাশা আমরা অনায়াসে করতে পারি।

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বইটি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত বোধ করছি। আসলে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনলাইনে সক্রিয়তার সংখ্যা খুব কম। এর পিছনে রাজনীতির প্রভাবও রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা আজ বাস করছে দরিদ্র সীমানার অনেক নীচে। যারা হয়তো একটু সচ্ছল, তাদেরকে প্রতিদিনের রুটিরোজগারে এতবেশি ব্যস্ত থাকতে হয় যে, অনলাইনে সক্রিয় হওয়া অনেকের পক্ষে হয়ে ওঠে না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী সৌদী আরব তথা আরও কয়েকটি মুসলিম দেশের প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় অর্থ সাহায্যে তাদের প্রচার প্রপাগাণ্ডা চালায়। তারা পেইড ব্লগার দিয়ে অনলাইন ভরিয়ে ফেলেছে। নিয়মিত ট্রেনিং দিয়ে তাদের মেধা ও শক্তিকে করেছে ক্ষুরধার। বিপরীতে মু্ক্তিযোদ্ধারা পেটের ভাতের যোগান নিয়ে এখনও অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরও ব্যস্ত রয়েছে। যার জন্য হয়তো অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কার্যক্রমের পরিমাণ ততোটা আশাব্যঞ্জক নয়। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ফিরে দেখা ৭১ বইটি যে প্রকাশিত হয়েছে, তার জন্য আমি প্রকাশক ও লেখকদের নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

ফিরে দেখা ৭১ ডাউনলোড করুন
ফাইল টাইপ: পিডিএফ, সাইজ: 6628 kb

Read more...

ঠাণ্ডা দিন ও ব্যস্ত রাজনীতি

Monday, December 22, 2008

বাংলাদেশের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছে জনপদ। সাথে সাথে বোধহয় কাতর হয়ে পড়েছে রাজনীতির অঙ্গন। আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই শুরু হবে রাজনীতির আসল খেলা। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংসদ নির্বাচনে জিতে আসতে জামায়াত শিবির ও বিএনপির গুণ্ডারা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে তাদের নোংরা কার্যকলাপ। জামায়াত শিবির জিন্নাহকে প্রশংসা করা শুরু করেছে, পরিত্যক্ত দ্বিজাতিত্ত্বকে করতে চাচ্ছে মহিমান্বিত। খালেদা জিয়া আবার সবকিছুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। আগাম চালাকি করার একটা বদভ্যাস তিনি ভালই পারেন। আর তা হল সবকিছুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে পাওয়া। আরে গাধা, কে ষড়যন্ত্র করছে তা প্রকাশ করুন। তাহলে জাতি ষড়যন্ত্রকারীদেরকে চিনতে পারবে। সঠিক যুক্তিপ্রমাণ দিয়ে তাদের মুখোশ খুলে দিন। যদি শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্রকারী হন, তাহলে তাও বলুন। নাকি তা বলতে ভয় পান? নাকি মিথ্যা কথার ফুলঝুড়ি ছুটিয়ে সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে রাখতে চান। নাকি আপনারা নিজেরাই ষড়যন্ত্র করছেন। যেন, কাজ শেষে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়া সহজ হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার পুত্র কোকোর অবৈধ অর্থ পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুরে। পাশাপাশি বিখ্যাত সিমেন্স কোম্পানীকে কাজ পাইয়ে দেবার কথা বলে ঘুষ নেয়ার খবর হয়ে পড়েছে প্রকাশিত। কি কান্ড! দেশনেত্রীর সন্তান দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত! খালেদা জিয়া কি লজ্জার মাথা খেয়ে বসে আছে নাকি? এরকম কুলাঙ্গার সন্তান যার ঘরে তার আবার অন্যের দোষ খুজে বের করা কেন? ষড়যন্ত্র কি আর গাছে ধরে নাকি তার নিজের ঘরের ভিতরেই চলছে দেশবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র।

আসলে দেশের মানুষ অশিক্ষিত, অল্পশিক্ষিত বলে তাদেরকে যা বোঝানো হয়, তাই তারা বোঝে। শিক্ষিত না হলে কি আর নিজের ভাল নিজে কি আর বুঝতে পারে? তাহলে আর তাদেরকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারিত করা যেত না। তারা নিজেরাই বুঝতে পারত কে দেশদরদী আর কে দেশবিরোধী।

১৯৭১ সালে যারা দেশের স্বাধীনতা চায় নাই, সেই জামায়াতে ইসলামীকে সাথে নিয়ে খালেদা জিয়া দেশের কি উন্নয়ন করবেন, তা বোঝার জন্য তো রাজনীতিবিদ হতে হয় না। সাধারণভাবে একটু চোখকান খোলা রাখলেই চলে। বোঝা যায় হিংস্র জামায়াত ও তাদের গোপন (প্রকাশ্য!) প্রেমিকা খালেদা জিয়ার নোংরা স্বরূপ।

Read more...

ডাউনলোড করুন ইসলাম ও শরীয়া

Wednesday, December 17, 2008

হাসান মাহমুদ ওরফে ফতে মোল্লা'র বিখ্যাত বই 'ইসলাম ও শরীয়া'। ইসলামকে কিভাবে মোল্লারা নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছে, কিভাবে তারা কোরান হাদিসের ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে এই বইতে।

লেখক মানবতার প্রতি অসম্ভব মমতা নিয়ে এই বইটি লিখেছেন। তিনি চেয়েছেন, শরীয়া নামক অপব্যাখ্যার দ্বারা আর কোন মানুষকে যেন নির্যাতন নিপীড়নের শিকার না হতে হয়।

লেখক দেখেছেন যুগে যুগে দেশে দেশে ইসলামের বিভিন্ন আয়াতের বিভিন্নরকম ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর এই সব ব্যাখ্যা তৈরি করেছেন অল্পশিক্ষিত, গেয়ো, অসংস্কৃত মৌলানারা। এদেরকে ব্যবহার করেছেন ক্ষমতালোভী সন্ত্রাসী ইসলামী শাসকেরা। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে গত সহস্র বৎসরে বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে আরব অঞ্চলের শাসকরা ইসলামকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছেন। সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখতে ইসলামী আইনের করেছেন নানারকম অপব্যবহার।

বর্তমান কালেও চলেছে একই ধারা। তবে এই সময়ে নারীদের উপরই চলছে প্রধান জুলুম। ইসলামের বিভিন্ন আইনের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে মোল্লারা নানারকম ফতোয়া দিয়ে চলেছে। নারীর মানবাধিকারকে অস্বীকার করছে। হাসান মাহমুদ এই সব ভণ্ডামীর মুখোশ খুলে দিয়েছেন। দেখিয়ে দিয়েছেন মোল্লাদের নূরানী মুখাবয়বের আড়ালে কি আছে।
নিজের বই সম্পর্কে দু'কথা বলতে গিয়ে লেখক বলেছেন:-

  • ১। এ বই প্রধানতঃ দলিল-নির্ভর, এবং এটা ইসলামে মানবাধিকার-এর ওপরে, মূল ধর্মবিশ্বাসের ওপরে নয়।
  • ২। মানবাধিকার রক্ষা না করলে সেটা বৈধ ধর্ম নয়, এবং কোরাণে মানবাধিকার পুরোটাই রক্ষা করা আছে সেটা অতীত-বর্তমানের অনেক মুসলিম বিশেষজ্ঞ দলিল-বিশ্লেষণ দিয়ে দেখিয়েছেন। আমি তার কিছুটা সংকলন করেছি মাত্র, আমি কোন বিশেষজ্ঞ নই। তাছাড়া এক বইতে সবকিছু দেয়া অসম্ভব।
  • ৩। অজস্র সুত্র দেয়া আছে, বারবার সেগুলো দেখে নিয়েছি। তারপরও কিছু টাইপো থাকতে পারে, প্রায় সব বইতেই থাকে। তবে ইন্টারনেট-এর সুত্র কখনো কখনো বদলানো হয় বা মুছে দেয়া হয়। যেমন, বিশ্ব-বিখ্যাত পণ্ডিত ডঃ জামাল বাদাওয়ী ইসলামে নারী-নেত্রীত্বের তাঁর সিদ্ধান্ত ও যুক্তিগুলো পুরোটাই উল্টো করে দিয়েছেন পরে। সহি আবু দাউদ-এর বেশ কিছু হাদিস মুছে দেয়া হয়েছে, মুছে দেয়া হয়েছে অন্য বহু সুত্র। কিন্তু বইটা তো থেকে যায়। এতে বইয়ের কি মুশকিল হয় তা আপনারা বুঝতেই পারেন।
  • ৪। কোন ধর্মেরই সব প্রশ্নের জবাব কারো পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়, শুধু মানুষের ওপরে অত্যাচারটা না হলেই হল। সে বিষয়েই এ বই আমার প্রচেষ্টা, এতে মতভেদ থাকবেই। তবে সেটা দলিল-নির্ভর এবং ভদ্র হওয়া দরকার। ইসলাম নিয়ে গঠনমূলক এবং সুশীল তর্ক তো দুরের কথা আলাপ-আলোচনার সংস্কৃতি আমাদের এখনো গড়ে ওঠেনি।
  • ৫। দলিল-নির্ভর হলেও আমার আগের কিছু লেখা ব্যঙ্গাত্মক - ‘‘জামাতের প্ল্যান’’ বা ‘‘জামাতের মৃত্যুদণ্ড’’ ওরকমের। এখন আমি আর তা করিনা, সেজন্য আমার এক সমালোচককে ধন্যবাদ। আমার সমালোচকদের কাছ থেকে অজস্র শিখেছি আমি।
  • ৬। এ বই নিয়ে হুলুস্থুল তর্ক-বিতর্ক করার ইচ্ছে আমার নেই, সে সময়টা অন্য কাজে দিতে হবে। দলিল-বিশ্লেষণ দেয়া থাকল যাতে অন্যেরা তাঁদের পড়া-র সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন ও আরো বেশী পড়তে পারেন - আমাদের সবাইকে জানাতে পারেন।
  • ৭। এর কোন ভুল বা অসম্পুর্ণতা ধরিয়ে দিলে পরের সংস্করণে কৃতজ্ঞতার সাথে উল্লেখ করব।

ইসলাম ও শরীয়া বইটি ডাউনলোড করুনএই লিঙ্ক থেকে।

বইয়ের আকার 'পিডিএফ', সাইজ: ৬‌১২ কিলোবাইট, পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১।
তথ্যসূত্র: আমারব্লগ.কম


Read more...

সম্পদের কি অপচয়!!

Tuesday, December 9, 2008


বাংলাদেশের সোনারগাওতে এক শিল্পপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক আহসান উল্লাহ মনি একটি তাজমহল তৈরি করেছেন। ১২ বিঘা জমির ওপর এই তাজমহল তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। এর নাম দেয়া হয়েছে 'বাংলার তাজমহল'। চলচ্চিত্র পরিচালকরা যে বুদ্ধিগত দিক দিয়ে কেমন মানুষ হয় তার প্রমাণ এই তাজমহলটি। এটা ভারতের তাজমহলের প্রমাণ সাইজের। কোন বিখ্যাত বিল্ডিং বিশেষ করে তা যদি হয় বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ, তার মত একই আকার বা ডিজাইনে কোন বিল্ডিং বানানো অর্থাৎ নকল করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এটা নৈতিকভাবেও অন্যায়। কিন্তু শিল্পপতি এতে কোন অন্যায় দেখতে পাননি। সরাসরি বলে দিয়েছেন 'অনুমতি লাগে না।' অথচ প্রখ্যাত স্থপতিরা সবাই একবাক্যে এ ধরণের কাজকে অপরাধ বলে মনে করেন। দেশের বেশিরভাগ মানুষ যেখানে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। যে দেশে বিদ্যালয়, হাসপাতাল ইত্যাদির অভাব। সেখানে শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য ৪০০ কোটি টাকা খরচ করাকে কি শুধুমাত্র অপচয় বলা যায়? এই টাকা দিয়ে কতগুলো হাসপাতাল বা বিদ্যালয় বানানো যেত, তার হিসাব কে করবে? এই লোক কি দেশকে - দেশের জনগণকে ভালোবাসে?

প্রথম আলোর খবরে প্রকাশ

ভারতের আগ্রার তাজমহলের অনুকরণে সম্পুর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ তাজমহল নির্মাণ করেছেন শিল্পপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক আহসান উল্লাহ মনি। উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাব গ্রামে ১২ বিঘা জমির ওপর প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে "বাংলার তাজমহল"।
বাংলার তাজমহলের মূল ভবনের ভেতরে ও বাইরে স্থাপন করা হয়েছে ইতালি থেকে আনা মূল্যবান পাথর ও টাইলস। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এতে বসানো হয়েছে বেলজিয়াম থেকে আনা ১৭২টি হীরক খন্ড। এ ছাড়া গম্বুজের ওপর চাঁদ-তারা তৈরির জন্য চার মণ ওজনের ব্রোঞ্জ ব্যবহার করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টুকিটাকি কিছু কাজ বাদে তাজমহলটির নির্মাণ প্রায় শেষ হয়েছে। এর চত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে পর্যটকদের জন্য আধুনিক মোটেল।
আহসান উল্লাহ মনি জানান, সম্রাট শাহজাহানের অনন্য কীর্তি তাজমহল দেখতে ১৯৮০ সালে তিনি ভারতের আগ্রায় গিয়েছিলেন। তাজের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এর আদলে নিজ দেশে একটি স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, "সম্রাট শাহজাহানের সম্মানে আমি তাজমহল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিই। ২০০৩ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুধু আদলে নয়, আকারেও এটি মূল তাজমহলের সমান।"
প্রমাণ আকারের অনুকৃতি তৈরির জন্য ভারত সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না−এ প্রশ্নের জবাবে আহসান উল্লাহ মনি বলেন, "এ জন্য অনুমতি লাগে না।" তিনি বলেন, "ভারত থেকে কেনা তাজমহলবিষয়ক একটি বই থেকে এর নকশা নেওয়া হয়েছে। স্থপতি হানিফের তত্ত্বাবধানে বাংলার তাজমহল নির্মিত হয়েছে।"
বিশ্ব ঐতিহ্যভুক্ত কোনো স্থাপত্য নিদর্শনের প্রমাণ আকারের নকল করা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এভাবে অনুকৃতি করা নীতিগতভাবে বৈধ নয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগে। তবে কেউ গবেষণার জন্য বা শখের বশে ছোট করে অনুকৃতি তৈরি করতে পারেন। মোবাশ্বের হোসেনের মতো একই মন্তব্য করেন ঢাকার ঐতিহ্য তালিকা প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান স্থপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ।
শিল্পপতি মনি আশা করেন, বাংলার তাজমহলটি সোনারগাঁয়ে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এতে এখানকার অর্থনৈতিক অবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, ১০০ বিঘা জমিজুড়ে গোটা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এখানে থাকবে বিনোদন ও শুটিং স্পট। এ ছাড়া থাকবে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভাস্কর্য।
তাজমহল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। প্রাথমিকভাবে প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৫০ টাকা।

চিন্তা করুন। শিল্পপতি ব্যবসায়িক দিকটাই শুধু ভেবেছে। নৈতিক দিকটার কথা তার মাথাতেই আসেনি।

খবরের লিংক

Read more...

এই দুটো সলভ করতে হবে

Monday, December 8, 2008

দুটো সমস্যা পেলাম। সময় নিয়ে সলভ করতে হবে। আপাতত: দেখে মনে হচ্ছে, কঠিন হবে। কিন্তু তারপরও সমাধান না করে ছাড়ছি না।

দাবার জন্য সব ছাড়তে পারি। কিন্তু ইদানীং আর সময় হচ্ছে না। কিন্তু এই দুটো তো মনে হচ্ছে হেভ্ভী জটিল। না ছাড়া যাবে না।





Read more...

মহাপণ্ডিতদের জন্য ভিডিও

Thursday, December 4, 2008

যারা ইসলাম ধর্মকে শান্তির ধর্ম মনে করেন, তাদেরকে এই ভিডিওটি দেখার অনুরোধ করছি। ভিডিওটি সম্পূর্ণ ২.৫০ মিনিটের। প্রথম ১.৩০ মিনিট দেখলেই হবে।

Read more...

মুক্তিসেনা ব্লগের একটি আবেদন

Tuesday, December 2, 2008

মুক্তিসেনা ব্লগে একটি আবেদন জানানো হয়েছে। যারা মহান মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেন, তারা তাদের নিজ নিজ ব্লগে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করুন। অন্তত: এই ডিসেম্বর মাসে প্রত্যেকের ব্লগে যদি আমরা বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে পারি, তাহলেও দেশের পতাকাকে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া যায়। আর এর মাধ্যমে রাজাকার, জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে তীব্রভাষায় প্রতিবাদ প্রকাশ করাও হবে। মুক্তিসেনাতে স্বাধীন বলেছেন

সাধারণত আমরা বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হয়। এ বিষয়ে আমাদের কারও মধ্যে কোন মতভেদ নেই। সারা বিশ্বেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে অফিসে, বাসা-বাড়িতে, গাড়িতে পতাকা উত্তোলনের রেওয়াজ আছে।

আমরা আমাদের নিজেদের ব্লগগুলোতেও ডিসেম্বর মাসকে সামনের রেখে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারি। ডিসেম্বর মাসে একাধিক দিন আছে যেদিনগুলোতে আমরা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের সামনে সরকারি নিয়ম মতো আমাদের প্রিয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবো। তাহলে ব্লগে কেন পতাকা প্রদর্শন করবো না?

বাস্তব জীবনের মতো ব্লগেও আমরা পতাকা উত্তোলন করতে পারি। এজন্য সবার জন্য পতাকার একটি লিংক দিয়ে দিলাম। আপনারা নিজেদের ব্লগে এই লিংক ব্যবহার করে পতাকাটি প্রদর্শন করতে পারেন। কিংবা নিজেদের কোন হোস্টিংয়ে পতাকাটিকে আপলোড করেও ব্যবহার করতে পারেন।
ডাইরেক্ট লিংক: http://i37.tinypic.com/6h6xhz.jpg

মুক্তিসেনা ব্লগের আবেদনকে সথর্থন করে আমিও বলছি, আপনারা যারা ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ব্লগ খুলেছেন, তারা নিজনিজ ব্লগে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করুন। দেশকে তুলে ধরুন অনলাইনের দিগন্তে।

Read more...

পদচিহ্ন

Blog Archive

মুক্তমনা বাংলা ব্লগ

  © Dristipat

Back to TOP