<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778</id><updated>2011-07-07T22:36:58.124-07:00</updated><category term='দেশ'/><category term='ভণ্ডামী'/><category term='সংস্কার'/><category term='কল্পনা'/><category term='মুক্তিযুদ্ধ'/><category term='মুক্তচিন্তা'/><category term='আলোচনা'/><category term='বদমাশী'/><category term='প্রত্যাশা'/><category term='ইসলামী'/><category term='খবর'/><category term='আন্তর্জাতিক'/><category term='শিক্ষা'/><category term='রাজনীতি'/><category term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>দৃষ্টিপাত</title><subtitle type='html'>আমার দৃষ্টি, ভাবনা, কল্পনা, আলোচনা</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>49</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3872061995812153090</id><published>2009-07-31T07:36:00.000-07:00</published><updated>2009-08-19T20:38:06.560-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>নাজমুল হুদা ও কামারুজ্জামানের 'মাথা গরম' তারা 'অপদার্থ'</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SnMBpmIJClI/AAAAAAAABaQ/zGR8Qb70DVw/s1600-h/bnh.km.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SnMBpmIJClI/AAAAAAAABaQ/zGR8Qb70DVw/s320/bnh.km.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা! হা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমেই একচোট হেসে নেই। আমাদের দেশের নেতাদের বুদ্ধিশুদ্ধি সম্পর্কে জনগণ যে ধারণা মনে মনে পোষন করে তা এবার আইনের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো। এজন্য আদালতকে হাজার কোটি ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত ৩ জুলাই ২০০৯ তারিখে হাইকোর্ট একটি যুগান্তকারী রায় দিয়েছে। পুরনো খবর। কিন্তু এটা নিয়ে দু'লাইন যদি আমার ব্লগে না লিখি তাহলে মনে শান্তি পাব না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;দৈনিক যুগান্তর &lt;/b&gt;পত্রিকায় যা লিখেছে, তা হুবহু কোট করি:&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দেয়া রায়ের সমালোচনা করায় বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে তিরস্কার করেছেন হাইকোর্ট। আদালতের রায় সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করায় এই দুই নেতাকে 'রং হেডেড পারসন' (সুস্থ মস্তিষ্কের নন বা মাথা গরম) ও 'ওয়ার্থলেস' (অপদার্থ) হিসেবে আখ্যা দিয়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার মামলাটি নিষ্পত্তি করে বলেছেন, যারা আদালতে ভাবমূর্তি এবং মর্যাদা সম্পর্কে কোন জ্ঞান রাখে না তাদের প্রতি রুল জারির কো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ তাদের হেদায়েত করবেন।" (লিংকটা পেলাম না, আজ তাদের সার্ভারে কোন সমস্যা হচ্ছে)&lt;/blockquote&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;প্রথম আলো&lt;/b&gt; পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে-&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;আদালত বলেন, আদালত সম্পর্কে যাঁরা অবমাননাকর বক্তব্য দেন তাঁরা অসভ্য (রং হেডেড) ও অপদার্থ (ওয়ার্থলেস)। পরে আদালত আদেশে বলেন, ‘আদালতের মর্যাদা ও এখতিয়ার সম্পর্কে যাঁরা কোনো জ্ঞান রাখেন না তাঁদের বিরুদ্ধে রুল জারি করার কোনো প্রয়োজন নেই। আদালতে হাজির হওয়ার যোগ্যতাও তাঁরা রাখেন না। আল্লাহ তাঁদের হেদায়েত করুন।’&lt;br /&gt;স্বাধীনতার ঘোষকসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় সম্পর্কে গত ২৯ জুন নাজমুল হুদা ও কামারুজ্বামান এই রায়কে হাইকোর্টের রায় নয়, ব্যক্তির রায় বলে অভিহিত করেন। তাঁদের এ মন্তব্য পরদিন বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত হয়।" (&lt;a href="http://www.prothom-alo.net/V1/archive/news_details_home.php?dt=2009-07-03&amp;amp;issue_id=1328&amp;amp;nid=MjQ2ODU="&gt;লিংক&lt;/a&gt;)&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;দৈনিক ভোরের কাগজ&lt;/b&gt; পত্রিকায় বলা হয়েছে (উপরের ছবিটাও ভোরের কাগজ থেকে নেয়া) :&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;হাইকোর্টের রায় সম্পর্কে অবহিত না হয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে তারা অসুস্থ মস্তিষ্কের এবং অপদার্থ। যাদের আদালতের ভাবমূর্তি সম্পর্কে কোনো কাণ্ডজ্ঞান নেই তাদের বিরুদ্ধে রুলজারি করারও কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের প্রতি বিরƒপ মন্তব্য করায় তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে এক মামলার নিষ্পত্তি করতে গিয়ে হাইকোর্ট তাদের প্রতি এ ধরনের মন্তব্য করেন। &lt;a href="http://www.bhorerkagoj.net/content/2009/07/03/news0113.php"&gt;(লিংক&lt;/a&gt;)&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;দৈনিক ইত্তেফাক&lt;/b&gt; পত্রিকা বিবিসি'র বরাত দিয়ে বলেছে&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;নাজমুর হুদা ও কামরুজ্জামান সম্পর্কে আদালতের পর্যবেক্ষণ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;।। বিবিসি ।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত মামলার রায়ের সমালোচনা করায় বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়ের করার আদালত অবমাননার মামলার পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদ্বয় রং হেডেড পারসন (সুস্থ মস্তিষ্কের নয়)। এদিকে বিডি নিউজ জানায়, আবেদনকারীর কৌঁসুলী মনজিল মোর্শেদ গতকাল বৃহস্পতিবার মামলা নিষ্পত্তির পর সাংবাদিকদের বলেন, আদালত যুক্তরাষ্ট্রের একটি রায়ের নজীর তুলে ধরে বলেছেন, ওই দেশের এক ব্যক্তি জাতীয় পতাকা অবমাননা করায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। আদালত বিচারকালে জানতে পারে, পতাকার যে মর্যাদা দিতে হয়, সে জ্ঞানই ওই ব্যক্তির ছিল না। তাই তার বিরুদ্ধে মামলাটিও নিষ্পত্তি করে দেয়া হয়েছিল। (&lt;a href="http://www.ittefaq.com/content/2009/07/03/news0952.htm"&gt;লিংক&lt;/a&gt;)&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;দৈনিক সংবাদ&lt;/b&gt; পত্রিকায় এ বিষয়ে লেখে&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;হুদা-কামারুজ্জামান রং-হেডেড, অপদার্থ : হাইকোর্ট&lt;br /&gt;নিজস্ব বার্তা পরিবেশক&lt;br /&gt;সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান রং হেডেড পার্সন বলে মনত্দব্য করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া তাদের অপদার্থ এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বলেও মন্তব্য করেছেন আদালত। পাশপাশি তারা মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন না হওয়ায় তাদের বিরম্নদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করতেও অনীহা প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদকে এ সংক্রান্ত অপর একটি আদালত অবমানানার মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত আদালত অবমাননার রায়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এবিএম খায়রম্নল হক ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ মনত্দব্য করেন ও আদেশ দেন। আদালত কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে নাজমুল হুদা ও কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়ের করা আদালত অবমাননার মামলাটি নিষ্পত্তি করে দেন এবং প্রফেসর এমাজউদ্দিনকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আদালত অবমানানার অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেছেন, যাদের বিরম্নদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করা হয়েছে তারা মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন নয়। হাইকোর্টের রায় সম্পর্কে অবহিত না হয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে তারা অসুস্থ মস্তিষ্কের এবং অপদার্থ মানুষ। যাদের আদালতের ভাবমূর্তি সম্পর্কে কোন কান্ডজ্ঞান নেই তাদের বিরুদ্ধে রম্নলজারি করারও কোন প্রয়োজন নেই। আলস্নাহ তাদের হেদায়েত করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল এ মামলার শুনানি শুরু হলে বাদি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার আদালতে বলেন, গত ৩০ জুন পত্র-পত্রিকায় যে বক্তব্য এসেছে তা আদালত অবমাননার শামিল। এ কারণে তিনি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও কামারম্নজ্জামানের বিরুদ্ধে রুল জারির দাবি জানান। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এএফএম মেজবাহ উদ্দিন আদালতে বলেন, তাদের বক্তব্য আদালতের মর্যাদার ওপর আঘাত হেনেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হোক। তাদের দু'জনের বক্তব্য যদি আমলে না নেয়া হয়, তাহলে তা জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে। বিষয়টি আমলে নিয়ে কতিপয় পর্যবেক্ষণ দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির আবেদন জানান, এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এছাড়া আদালতে উপস্থিত ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের কাছে এ ব্যাপারে মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি রুল ইস্যু না করে মতামত সহকারে বিষয়টি নিষ্পত্তির অনুরোধ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরে আদালত যুক্তরাষ্ট্রের নজির তুলে ধরে বলেন, সেদেশে এক ব্যক্তি জাতীয় পতাকা অবমাননা করায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। পরে বিচারকার্য চলাকালে বিচারক জানতে পারেন পতাকার যে মর্যাদা দিতে হবে সে জ্ঞান ওই ব্যক্তির ছিল না। এ কারণ উণ্লেখ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। একইভাবে নাজমুল হুদা ও কামারুজ্জামানের ক্ষেত্রেও আদালত উপরোক্ত পর্যবেক্ষণ দিয়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করে দেন। (&lt;a href="http://www.thedailysangbad.com/details.php?news=13&amp;amp;view=archiev&amp;amp;y=2009&amp;amp;m=07&amp;amp;d=03&amp;amp;action=main&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=4269&amp;amp;pub_no=48"&gt;লিংক&lt;/a&gt;)&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;আসলে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী এই পার্টি দু'টির নেতারা কেমন তা বোঝার জন্য এই খবরটিই যথেষ্ঠ। ব্যানাহুদা তো আগেই তার কাণ্ডজ্ঞানহীন ও এলোমেলো বক্তব্যর জন্য 'ব্যা ব্যা হুদা' বলে পরিচিত পেয়েছিলেন,  এখন সেই কাতারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা কামারুজ্জামানও জামাত করে দাঁড়িয়ে গেলেন। মারহাবা! মারহাবা!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আদালত প্রমাণ করেছে যে 'ব্যানাহুদা' ব্যারিস্টার হতে পারেন, কিন্তু আদালতের মর্যাদা কি জিনিস তা তিনি জানেন না। এর আগে তিনি একজন বিচারপতির দরজায় লাথি মেরেছিলেন, তা থেকেও বোঝা যায় যে ব্যানাহুদা আদালতকে বাপের বাড়ির কিছু একটা বলে মনে করেন। আশা করি এই রায়ে তার কিছুটা শিক্ষা হবে।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3872061995812153090?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3872061995812153090/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3872061995812153090'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3872061995812153090'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/07/blog-post.html' title='নাজমুল হুদা ও কামারুজ্জামানের &apos;মাথা গরম&apos; তারা &apos;অপদার্থ&apos;'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SnMBpmIJClI/AAAAAAAABaQ/zGR8Qb70DVw/s72-c/bnh.km.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8049068251595550471</id><published>2009-06-15T22:39:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:48:19.995-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>থলের বিড়াল বেড়িয়ে গেল</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/Sjcx60nna4I/AAAAAAAABaI/Ej_vtZPlS0A/s1600-h/wedad+lootah.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 192px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/Sjcx60nna4I/AAAAAAAABaI/Ej_vtZPlS0A/s320/wedad+lootah.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5347797969152732034" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;ধন্যবাদ ওয়াদাদ লুতাহ। সত্যকে প্রকাশ করে দেয়ার জন্য। আপনার মতো এত নিঃসংকোচে নিরেট সত্যকে আর কেউ সারা বিশ্বের সামনে প্রকাশ করে দিতে পারে নাই। আপনি তথাকথিত ধর্মীয় সমাজের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা ভণ্ডামী ও নষ্টামোকে প্রকাশ করে ফেলেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়াদাদ লুতাহ একজন ম্যারিজ কাউন্সেলর। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আট বৎসর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ৪৫ বৎসর বয়সী বাদামী চোখের এই সচেতন নারী একটি বই লিখেছেন। নাম "টপ সিক্রেট: সেক্সুয়াল গাইডেন্স ফর ম্যারিড পিপল"(Top Secret: Sexual Guidence fo Married people)। এই বইতে আরব সমাজের মানবিক সম্পর্কগুলো কতটা নোংরা হয়ে গেছে তার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছ। গত জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত এই বইটি নিয়ে আরব সমাজ দারুণ বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছে। তারা এতদিন হুমকি ধমকি দিয়ে যে বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিল, তা তিনি প্রকাশ করে ফেলেছন। হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছেন। আর এ নিয়ে তার বিপদ হবার সম্ভাবনাও বেড়ে গেছে। তার পরিবারের লোকজনও তার প্রতি বিরূপ মনোভঙ্গি প্রদর্শন করেছে। তার ভাষায়-"মানুষ বলাবলি করছে আমি পাগল হয়ে গেছি। কারণ আমি লোকজনকে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে আনছি। তাই আমাকে মেরে ফেলা উচিত।" বইটি প্রকাশের পর জনসাধারণের মধ্যে যেভাবে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তা লুতাহ এভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন- "এই সমস্যাগুলো প্রতিদিনই হচ্ছে। তাই এগুলো এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এ বাস্তবতার মধ্যেই আমাদের বসবাস।"&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;তিনি আধুনিক সমাজের মতো ততটা খোলামেলা মনের অধিকারী নন। কিন্তু তার এই বইয়ে পায়ু সঙ্গম এবং সমকামিতার মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়গুলো উঠে এসেছে। কোরান হাদিস অনুযায়ী এইসব কাজ অত্যন্তু গুনাহকর এবং নিষিদ্ধ। কিন্তু আরবরা কোরানের বাণীগুলোকে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের বোকা মানুষদের জন্যই পালনীয় বলে মনে করে, নিজেদের জন্য নয়। তাই তারা নিজেদের জীবনে যৌনিবকৃতির চর্চা করে গেছে অবলীলায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়াদাদ লুতাহ এই বিষয়টিকে দেখেছেন সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে। তার মতে- 'সৌদি আরবের মতো যেসব দেশে নারী ও পুরুষদের কঠোরভাবে পৃথক করে রাখা হয় সেখানে বিয়ের আগে পুরুষের সঙ্গে পুরুষের মিলিত হওয়ার ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। আর এই সব দেশে ও সমাজে এই ধরণের ঘটনা ঘটে প্রচুর পরিমাণে। পুরুষদের প্রথম যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা হয় আর একজন পুরুষের মাধ্যমেই। বিয়ের পরও তারা অভ্যাসবশত স্ত্রীর পায়ু সঙ্গম করতে চায়। স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রী এতে রাজি না হলে তৈরি হয় পারিবারিক সমস্যা। আর এর মীমাংসার ভার এসে পরে লুতাহর কাধে। লুতাহ মনে করেন - এসব কারণে স্কুল পর্যায় থেকেই আমাদের যৌন শিক্ষা দরকার। লুতাহ বিবাহিত জীবনে নারীর যৌন সুখের (অর্গাজম) প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন তার বইতে। কিন্তু ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা যেখানে রক্তচক্ষুই প্রধান, পুরুষের প্রাধান্যই মান্য সেখানে নারীর এই সমস্যাগুলো থেকে যায় উপেক্ষিত, অপ্রকাশিত ও অবদমিত। ৮ বৎসর ধরে ম্যারিজ কাউন্সেলিং করার অভিজ্ঞতা না থাকলে লুতাহ হয়তো আরবীয় মুসলমানদের এই নোংরামোর কথা জানতেও পারতেন না। লুতাহ চেয়েছন সমাজ থেকে পঙ্কিলতা দূর করতে। নারীর সুখ পাবার অধিকারকে সম্মান করতে, কিন্তু ইসলাম তাকে সেই সুযোগ দেবে কিনা তার উত্তর দেবে ভবিষ্যত।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8049068251595550471?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8049068251595550471/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/06/blog-post.html#comment-form' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8049068251595550471'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8049068251595550471'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='থলের বিড়াল বেড়িয়ে গেল'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/Sjcx60nna4I/AAAAAAAABaI/Ej_vtZPlS0A/s72-c/wedad+lootah.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8575951327288724965</id><published>2009-05-06T22:32:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:39:47.921-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>আনন্দিত আমি</title><content type='html'>আমি এখন খুব আনন্দিত জীবন যাপন করছি। নববধূকে নিয়ে আমার সংসারজীবন শুরু হয়েছে। বাসায় এসে তার প্রথমদিকে কয়েকদিন খুব সমস্যা হচ্ছিল। তাদের পাহাড়ের জীবনের সাথে এই ফ্লাটের জীবনের কোন যোগসূত্র সে খুজে পাচ্ছিল না। জানালা দিয়ে সে প্রায়ই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত। বারান্দায় গিয়ে বোধহয় সাগরের গর্জন শোনার চেষ্টা করতো। কিন্তু আমি তার পাশে সবসময়ই ছিলাম। কোন একাকীত্ব তাকে যেন স্পর্শ করতে না পারে তার জন্য সবসময় চেষ্টা করতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাড়ার লোকদেরকে নিয়ে তেমন সমস্যা হয়নাই। বাবা-মা কারও সাথে তেমন মেশেন না। তাছাড়াও এটা হিন্দু পাড়া। তারা মুসলমানদের মতো উটকো বিষয় নিয়ে খুব একটা চিন্তা করে না। নিজেদের কাজ নিয়েই তারা ব্যস্ত। কয়েকজন জানে যে আমার বউ বৌদ্ধ, কিন্তু আমি বৌদ্ধধর্ম অনুযায়ী তাকে বিবাহ করেছি এটা জানে কি? বোধহয় না। তবে তপন জানে। তার পরিবারও হয়তো জানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে আশেপাশের অন্য মুসলমান পরিবাররা কে কি ভাবছে, ঘটনাটা কিভাবে তারা গ্রহণ করেছে, তা এখনও বোধা যাচ্ছে না। তেমন সমস্যায় পড়লে বিদেশ চলে যাওয়া ছাড়া বোধহয় আর কোন উপায় থাকবে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8575951327288724965?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8575951327288724965/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/05/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8575951327288724965'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8575951327288724965'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/05/blog-post.html' title='আনন্দিত আমি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3656729120377296187</id><published>2009-04-07T22:22:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:31:04.164-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>তাহার ও তাঁহাদের মন জয় করিলাম</title><content type='html'>অবশেষে আমি সফল হইয়াছি। তাহার মন জয় করিতে পারিয়াছি। তাহার পরিবারের সকলের সাথে কথা বলিয়াছি। মোবাইল ফোনে আমার বাবা-মার সাথে তাঁহারা কথা বলিয়াছেন। সবকিছুই আমার মনমতো হইতেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এখন আনন্দের সপ্তসাগরে সাঁতার কাটিতেছি। মনে হইতেছে এই সম্পূর্ণ পৃথিবীটা জয় করিয়া ফেলিয়াছি। মনে হইতেছে আমার মতো সুখী মানুষ এই পৃথিবীতে আর একজনও নাই। মনে হইতেছে আমি এখন ইচ্ছা করিলেই এক লাফে হিমালয় পর্বতকে অতিক্রম করিয়া ফেলিতে পারিব। মনে হইতেছে এক ডুবে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে পারিব। মনে হইতেছে ...কত কিই না মনে হইতেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেদিন বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়েছিলাম। এর আগেও বৌদ্ধ মন্দির প্রদর্শন করেছিলাম। কিন্তু তখন আর এখনকার মানসিকতায় আকাশ পাতাল প্রভেদ অনুভব করছি। গৌতম বুদ্ধের মূর্তিকে এখন বড় আপন মনে হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাবা-মাকে খবর পাঠানো হয়েছে। তারা এলেই বিবাহ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হবে। তারা বিয়ের খরচ করে আগামী সপ্তাহে আসবেন। বৈশাখ মাসের ১ তারিখ আমার বিবাহের তারিখ।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3656729120377296187?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3656729120377296187/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/04/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3656729120377296187'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3656729120377296187'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/04/blog-post.html' title='তাহার ও তাঁহাদের মন জয় করিলাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8748206132533894784</id><published>2009-03-28T22:10:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:22:37.067-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>সিদ্ধান্ত লইলাম</title><content type='html'>হ্যাঁ, অবশেষে সিদ্ধান্ত নিতে পারিলাম। বাবা-মা'র সাথে কথা বলেছি। তারা কি বলবেন তা অবশ্য আগেই জানতাম। তাও শিওর হয়ে নিলাম। ধর্ম বিষয়ে তাদের কোন মাথাব্যাথা নাই। তারা নিজেদের ব্যাক্তিগত জীবনেই ইসলাম ধর্ম মেনে চলেন না। শুধু লোক দেখানোর জন্য যতটুকু দরকার ততটুকুই করেন। বলা চলে তারা ভন্ড সমাজের সাথে ভন্ডামী করে চলেন। ভন্ড সমাজ তাতেই খুশি। মানুষের মন হাতরে দেখার মতো কোন অবকাশ বা সুযোগ সমাজের নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার সিদ্ধান্ত শুনে তাদের মনে কোন ভাবান্তর নেই। না! কথাটা সম্পূর্ণ সঠিক হল না। আমার সিদ্ধান্ত আসলে দুইটি। প্রথম সিদ্ধান্ত ও দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম সিদ্ধান্ত: আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্মকে ত্যাগ করবো। এটা হয়তো সম্ভব হবে না। কারণ কাগজপত্র পাল্টাতে হবে। সেটা করতে গেলে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট নিজেরাই আমার পাছায় বাঁশ ঢুকিয়ে দিতে পারে। এছাড়া সামাজিক ভাবে আমার উপর চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে। মাওলানা-হুজুররা আমার বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ করতে পারে, আমার কল্লা কাটার ফতোয়া জারি করা হতে পারে। হয়তো আমার কারণে আমার বাবা-মার উপরেও আঘাত আসতে পারে। অতএব ইসলাম ত্যাগ করার কথাটা প্রকাশ্যে বলা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত: বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করবো। যেহেতু আমার স্বপ্নের রাণী বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। যেহেতু আমার কারণে তাকে ধর্ম ত্যাগ করার কথা বলাল মতো নোংরা মনের মানুষ আমি নই, যেহেতু আমার ধর্ম তার উপর চাপিয়ে দিয়ে তার প্রাণচাঞ্চল্য আমি নষ্ট করে ফেলতে ইচ্ছুক নই, যেহেতু আমার কাছে প্রেমটাই বড়, ধর্ম নয়; সেহেতু তার মনের উপর আমি কোন চাপ প্রয়োগ করবো না। বরং আমিই আমার ধর্মীয় অবস্থানটা পরিবর্তন করে ফেলবো। আমি তার প্রতি সম্মান প্রদশর্নপূর্বক তার ধর্মই গ্রহণ করবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মা খুব খুশী হয়েছেন। আমার এই সিদ্ধান্ত তার কাছে ম্যাচিওরড মনে হয়েছে। তপনও খুশি। সে ভাবতেও পারেনি বাংলাদেশের কেউ এধরণের কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমারব্লগ.কম এও জানাতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু, কি দরকার অযথা ঝগড়াঝাটি করার। থাক।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8748206132533894784?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8748206132533894784/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post_28.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8748206132533894784'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8748206132533894784'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post_28.html' title='সিদ্ধান্ত লইলাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8046113028911530305</id><published>2009-03-18T22:03:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:10:12.211-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>বোধহয় পাগল হইয়া যাইবো</title><content type='html'>বোধকরি পাগল হইয়া যাইবো। বাড়িতে চলিয়া আসিয়াছি। কিন্তু মাতাল মনটাকে মুহূর্তমাত্র শান্ত করিতে পারিতেছি না। ইসলামী ভাবধারা অনুযায়ী চিন্তা করিবার চেষ্টা করিতেছি। 'সেই মেয়ে মালাউন, তাহার কথা ভাবিয়া কোন লাভ নাই। তাহাকে বিবাহ নয়, ভালোবাসা নয়, বরং তাহাকে আমি ধর্ষণ করিতে পারি, এর বেশি নয়। আমার দ্বারা ধর্ষিত হইলে তাহার জীবন ধন্য হইয়া যাইবে। ছি! ছি! এইসব কি ভাবিতেছি? আমার মাথা সত্যি খারাপ হইয়া গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তপনের সাথে আলাপ করলাম। সে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হল না। এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার যাকে ভাল লাগবে তাকেই আমার বিয়ে করা উচিত, যদি সেই মেয়ে রাজি থাকে। এই হল তপনের মূল কথা।&lt;br /&gt;আমিও তাই জানি। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সামাজিক। আমাদের সমাজ খুবই খারাপ। মানুষের মনের কোন মূল্য সমাজ দেয় না।&lt;br /&gt;ভাবছি বাবামার সাথে আলাপ করবো।&lt;br /&gt;আমারব্লগ.কম এ এই বিষয়ে একটা পোস্ট দিতে পারি। কিন্তু সেখানকার ব্লগাররা আজেবাজে গালিগালাজ শুরু করে দিতে পারে। কি দরকার কথা বাড়ানোর? অবশ্য কে কি বলল, তাতে কিইবা যায় আসে? কিন্তু আমারব্লগ.কম এর স্পিড খুব কম। লোড হতে চাচ্ছে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8046113028911530305?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8046113028911530305/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post_18.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8046113028911530305'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8046113028911530305'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post_18.html' title='বোধহয় পাগল হইয়া যাইবো'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-6129071387351510414</id><published>2009-03-10T21:56:00.000-07:00</published><updated>2009-06-15T22:00:38.401-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>কক্সবাজার ভ্রমণ করলাম</title><content type='html'>কক্সবাজার ভ্রমণ করছি কয়েকদিন থেকে। এক অনন্য রূপসী নারীর সহিত দেখা হইয়া গেল। ইহাকে একান্ত নিজের করিয়া না পাইলে জীবন ব্যর্থ হইয়া যাইবে মনে হইতাছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার। জন্ম লহিয়াছি এমন একটি জাতির বংশে যাহাদিগকে কেহই ভদ্র জাতি বলিয়া মনে করে না। কিন্তু সেই আমার মনের মিতার জন্ম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শান্ত ধর্মে। আমি কয়েকদিন ধরিয়া সৈকতে বসিয়া বসিয়া ভাবিতেছি কি করা যায়?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-6129071387351510414?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/6129071387351510414/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6129071387351510414'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6129071387351510414'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/03/blog-post.html' title='কক্সবাজার ভ্রমণ করলাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3770270895044899395</id><published>2009-02-27T07:26:00.001-08:00</published><updated>2009-02-27T08:05:02.130-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রত্যাশা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>অতঃপর গণবিদ্রোহের অপেক্ষা</title><content type='html'>বিডিআর বিদ্রোহ শেষ হয়েছে। খবরে জানা গেল, সেনাবাহিনীর অনেক সদস্যকে মেরে ফেলা হয়েছে। এটা জেনে খুব খারাপ লাগল। তারা চোর হতে পারে, কিন্তু তাই বলে তো আর বিনাবিচারে তাদেরকে মেরে ফেলা উচিত নয়। দেশে আইন আছে, আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হতে পারে। কিন্তু বিডিআর সদস্যরা তার জন্য অপেক্ষা করেনি। নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাথমিকভাবে নিহত সেনাসদস্যদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু সেনাবাহিনীর লোকেরা কি ভাল মানুষ হয়? যারা তাদের আত্মীয় তারা হয়তো নানারকম পজিটিভ কথা বলবে। কিন্তু আমরা যারা সাধারণ নাগরিক তারা সেনাবাহিনী সম্পর্কে কিরকম চিন্তা করি, তা নিশ্চয় সবাই জানেন। সাধারণ মানুসের মনে সেনাবাহিনীকে নিয়ে কি অনুভূতি তা কি কেউ খতিয়ে দেখেছে? এই দিক দিয়ে আমি বিডিআর সদস্যদের সাহসী উদ্যোগের উচ্চ প্রশংসা করি। আমাদের মনের মধ্যে যে ক্ষোভটা বন্দুক হাতে না থাকার কারণে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না, তারা ঠিক সেই কাজটি করেছেন। সেনাবাহিনী আমাদের দেশেরই মানুষ। আমাদের টাকা দিয়ে তাদেরকে পোষা হয়। বাড়িতে নিরাপত্তার জন্য যেমন কুকুর পোষা হয়, ঠিক সেরকম দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের উপর ন্যস্ত থাকে। আমাদের টাকাতেই তাদের খোরপোষ চলে, অথচ সেনাবাহিনীর লোকেরা আমাদের সাথে কি কুৎসিত নোংরা ব্যবহারটাই না করে? বিডিআরদের এই প্রতিবাদে যদি তাদের কোনরকম শিক্ষা হয়। তাহলে ভাল। তাদের জানা উচিত। সাধারণ মানুষদের হাতে কোন অস্ত্র নাই, থাকলে তারাও বিডিআরদের মতো সেনাবাহিনীর সদস্যদেরকে গুলি করে মেরে ফেলত। আত্মীয় ছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যদেরকে বাংলাদেশের খুব কম মানুষ ভালবাসে বলে আমার বিশ্বাস। এই বিদ্রোহেই তো বিডিআরদের দাবীর প্রতি সারা বাংলাদেশের মানুষের সহানুভূতি ছিল। ঢাকায় গতকাল সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী ভারী অস্ত্র নিয়ে বিডিআর গেটে ঢুকতে গেলে সাধারণ জনগণ বাধা হয়ে দাড়িয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;আমাদের অর্থাৎ সাধারণ মানুষদের সাথে সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিক থেকে শুরু করে মেজর, কর্ণেল, লেফটেন্যান্ট ইত্যাদির আচরণ জঘন্যরকমের খারাপ। &lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমাদেরকে তারা Bloody civilian বলে গালি দেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;তারা আমাদের প্রতি সামান্যতম সম্মান প্রদর্শন করে না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমার জানামতে সিভিল অফিসাররা ঘুষ খায় হাজারে হাজারে, আর সেনাবাহিনীর লোকেরা ঘুষ খায় লাখে লাখে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;তারা কি এর আগে সাধারণ জনগণকে হত্যা করার শাস্তি থেকে সাধারণ ক্ষমা চেয়ে নেয়নি?&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের আশেপাশের বিলাশবহুল বাড়িগুলো সব সেনা অফিসারদের। ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত এলাকার বেশিরভাগ বাড়ি সেনা অফিসারদের। তারা কি এমন বেশি বেতন পায় যে এত দামী বাড়ি-গাড়ির মালিক হতে পারে?&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বাংলাদেশ অর্থাৎ নিজ দেশ দখল করা ছাড়া তারা দেশের আর কি উপকারে এসেছে?&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমারই তো মাঝেমধ্যে ইচ্ছে করে সেই মেজরটাকে ধরে যদি দু'চারটা থাপ্পড় দিতে পারতাম। সেই নরপশু হেলমেট না পড়ার কারণে আমার শ্রদ্ধেয় বয়োবৃদ্ধ স্যারের মাথায় লাঠি দিয়ে মেরেছিলেন। সাথে তার বৃদ্ধা স্ত্রী ছিল। কিন্তু সেই হারামজাদা মেজর নূন্যতম শ্রদ্ধাবোধ দেখায়নি। সেই শালা মেজরের পাছায় লাত্থি দিতে পারলে মনে শান্তি পেতাম। বিডিআররা আমার মনের মতো কাজ করেছে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;শুধু কি সেনাবাহিনী? বাংলাদেশের পুলিশরা কি কখনও আমাদের সাথে ভালো আচরণ করে? তারা রেশন পায়, তারপরও কম বেতনের অজুহাত দেয়। যে এসপি সৎ, কোনরকম ঘুষ খায় না, তারও মাসিক আয় ৭ থেকে ১০ লাখ টাকা। এটা কি সাধারণ জনগণ জানে না? তাদের হাতে অস্ত্র থাকলে কি সহজে পুলিশদেরকে ছেড়ে দিত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে কোন সরকারি অফিসের বড়কর্তার সাথে দেখা করতে যান। দেখবেন কত রকমের ভাব তাদের। জনগণ যেন তাদের প্রজা। আর তারা যেন একএকজন জমিদারের বাচ্চা। এক একজন চরম বেয়াদপ ধরণের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা তো আরও এককাঠি সরেস। শিক্ষাভবনে যান। দেখতে পারবেন শিক্ষকরা সেখানে অফিসারদের হাতে কিরকম লাঞ্চিত অপমানিত হন। পিয়নরাও শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদেরকে দূর দূর করে। আমার হাতে যদি একটি একে ৪৭ থাকতো, যদি ১০টা গ্রেনেড থাকতো, তাহলে শিক্ষাভবনকে আমি ধুলোয় মিশিয়ে দিতাম। এডি, ডিজি, সচিবদেরকে শত শত গুলি করেও আমার মন শান্ত হতো না। এছাড়াও কাস্টমস, পশু সম্পদ বিভাগ, সমাজ কল্যাণ, একাউন্টেন্ট ইত্যাদি বিভাগের সাধারণ অফিসার থেকে শুরু করে ডিজি, সচিবদের ব্যবহার দেখলে রাগে শরীর রিরি করতে থাকে। মনে হয় গুলি করে সব শালাদের খুলি উড়িয়ে দেই। কিন্তু মাথা নত করে তাদের কুৎসিত ব্যবহার সহ্য করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। আমাদের হাতে যে অস্ত্র নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিডিআরদের এই প্রতিবাদ আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। মাথার উপরে যারা বসে আছেন, তারা সতর্ক হয়ে যান। একই রকম ভাগ্য আপনারও হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেনাবাহিনীর দূর্নীতির খবর দিতে পারবে তাদের একাউন্টস অফিস। এই অফিসের অডিটরদের ধরে পাছায় দুটো চাবুক চালালেই তারা গড়গড় করে বলে দিবে কোন কোন অফিসার দুই নম্বরী করেছে। কোন মেজর, লেফটেন্যান্ট, কর্ণেল অবৈধ সুযোগের বিনিময়ে অডিটরদেরকে ঘুষ দিয়েছে। সব খবর বের হয়ে যাবে। কিন্তু আমার ধারণা সরকার এই কাজটি করবে না। শেখ হাসিনা তার ভাষণের নামে যে ঢঙের অভিনয়টা করলেন, জ্বালাময়ী সাহারা খাতুন যে মাতৃত্বের ভড়ং করলেন, তাতে হতাশ না হয়ে পারছিনা। তারাও আসলে সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী। মাছ চুরি করে খাওয়া বাড়ির বেড়ালকে যে তারা সত্যিকার শাস্তি দিতে অক্ষম, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। শেষে দেখা যাবে, জনগণকেই আবার জাগতে হবে। জনগণকেই গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের এইসব প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবস্থা, দূর্নীতি দূর করতে হবে। তখন আবার কিছু ডিজি, সচিব মারা যাবেন, এই আরকি।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3770270895044899395?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3770270895044899395/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3770270895044899395'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3770270895044899395'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post_27.html' title='অতঃপর গণবিদ্রোহের অপেক্ষা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-5625859235062495888</id><published>2009-02-25T07:14:00.000-08:00</published><updated>2009-02-27T10:00:49.240-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><title type='text'>বিডিআরে বিদ্রোহ, কারণ কি?</title><content type='html'>সকাল ১০টার দিকে রাস্তায় শুনলাম যে ঢাকায় নাকি গোলাগুলি চলছে। অনেক মানুষ মারা গেছে। মাত্র গতকালপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর সপ্তাহ'র উদ্বোধন করল। সাহসী বিডিআরদের বিভিন্ন সাফল্যের জন্য পুরস্কার প্রদান করল। এর মধ্যে কি হয়ে গেল যে গোলাগুলি করতে হবে? আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। বেশ দুঃশ্চিন্তিত বোধ করলাম। শেখ হাসিনার কিছু হয়ে গেল নাতো? তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে এলাম। টিভিতে যা দেখলাম, তাতে মনটাই খারাপ হয়ে গেল। বিডিআররা তাদের সদর দপ্তরে মিটিং চলাকালে গুলি করে বেশ কিছু কর্মকর্তাদেরকে মেরে ফেলেছে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;টিভিতে বিডিআর সদস্যরা যা বলছিলো তার সারমর্ম হলো:&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;বিডিআর এর মধ্যে অফিসার হিসেবে সেনা কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া যাবে না। বিডিআরের মধ্য থেকেই অফিসার নিয়োগ দিতে হবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অপারেশন ডালভাত কর্মসূচীতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। অফিসাররা লাভের টাকা নিজেরা মেরে দিয়েছেন। বিডিআররা এর কোন সামান্য ভাগ পায়নি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;তাদের উপর বিভিন্নরকম অত্যাচার করা হয়। এর কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সেনাবাহিনীর মধ্য থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পাঠানো হয়, বিডিআর থেকে পাঠানো হয় না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইত্যাদি ইত্যাদি।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;প্রাথমিকভাবে বিডিআরদের দাবীর প্রতি আমি আমার সমর্থন প্রকাশ করছি। তাদের বঞ্চনার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আসলেই তো, সেনা অফিসারদের স্ত্রী কন্যারা হীরামুক্তার মালা পরে আর সাধারণ জওয়ানরা সামান্য ভাতা পায়না। পরিশ্রমের উপযুক্ত মূল্য পায়না, তা কিভাবে হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু একটা প্রশ্ন মাথায় আসছে, সম্প্রতি সারা দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে বিভিন্নরকম কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। এই জনদাবীকে ভুলিয়ে দেয়ার জন্য এটা কোন চালাকি নয়তো? সাকা চৌধুরি, জামাত নেতাদের জিজ্ঞাসা করা দরকার। বিডিআরদের গন্ডগোলে হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে সাময়িকভাবে হলেও থামিয়ে রাখা যাবে। কয়েকদিন আগে আবার এক পাকিস্তানী কুকুর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার এটা উপযুক্ত সময় নয় বলে মন্তব্য করে গেছে। তাহলে কি আরও ৫০ বৎসর অপেক্ষা করার পর উপযুক্ত সময় আসবে কিনা তা কিন্তু সে বলেনি। দেখা যাক, সামনে আরও কি ঘটনা ঘটে?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-5625859235062495888?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/5625859235062495888/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post_25.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5625859235062495888'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5625859235062495888'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post_25.html' title='বিডিআরে বিদ্রোহ, কারণ কি?'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-6007233661354037936</id><published>2009-02-20T09:17:00.000-08:00</published><updated>2009-02-20T09:22:46.226-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><title type='text'>দুর্ভাগ্য, বইমেলা চলছে</title><content type='html'>বইমেলা চলাটা দুর্ভাগ্যের নয়। দুর্ভাগ্য আমার নিজের কপালেই। ঢাকায় বাংলার প্রাণের মেলা বইমেলা চলছে। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থাকতে পারছিনা। হাতে কোন টাকা পয়সা নেই। এই মাসে বেশ কিছু পারিবারিক বড় খরচ হয়ে গেল। আগামী মাসেও কয়েকটা গৃহস্থালী জিনিস কিনতে হবে। কোনটা যে বেশি? পরিবার নাকি বইপড়ার মতো ঘোড়ারোগ। যাদের টাকার সমস্যা নেই, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু আমাদের তো 'নুন আনতে পান্তা ফুরায়' অবস্থা। আমাদের শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতে হয়। উপভোগ করার অধিকার নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঢাকা যে যাব, বই যে কিনবো, তার কোন উপায় নেই। ঢাকা যাওয়া-আসা এবং থাকা খাওয়ার (ঢাকায় দূরসম্পর্কেরও কোন আত্মীয় স্বজন থাকে না) জন্যই ১/২ দিনে একহাজার টাকার মতো খরচ হয়ে যাবে। এছাড়াও বইয়ের দাম যা বেড়েছে, সেখানে আমাদের মতো ছাপোষা মানুষদের হা পিত্যেশ করা ছাড়া কোন উপায় বোধহয় আর খোলা নেই। যাক, দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্দেশ্যও তাই। যত কম মানুষ বই পড়ে ততই ভাল। সরকারের ভন্ডামী সম্পর্কেও তারা অন্ধকারে থেকে যাবে, সরকারকে কোন জবাবদিহিতা করতে হবে না।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;আসলে কপালে নাই ঘি, ঠকঠকালে হবে কি? বই মেলায় যেতে পারছি নাতো, তাই আরকি? ওই যে বলে না- আঙুর ফল টক' সেইরকম কিছুটা।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-6007233661354037936?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/6007233661354037936/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6007233661354037936'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6007233661354037936'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/02/blog-post.html' title='দুর্ভাগ্য, বইমেলা চলছে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1525051647584799334</id><published>2009-01-14T07:00:00.000-08:00</published><updated>2009-01-14T07:32:01.556-08:00</updated><title type='text'>এক সৌদি মেয়ের গল্প</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW4E4RZZMKI/AAAAAAAABX8/vwn-pXNRu08/s1600-h/ksrin.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 200px; height: 200px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW4E4RZZMKI/AAAAAAAABX8/vwn-pXNRu08/s200/ksrin.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5291171976996008098" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;এক সৌদি মেয়ের গল্প শুনুন।&lt;br /&gt;নাজাত তার নাম। বয়স ২০ বৎসর। জন্ম থেকেই মেয়েটি কথা বলতে কিংবা শুনতে পারেনা। ছোট ভাই তালেবকে নিয়ে একদিন গেল রিয়াদের প্রধান শপিং মলে। ভাই বাইরে থেকে এক ঘন্টার মধ্যে ঘুরে আসবে বলে চলে গেল। নাজাত এক ঘন্টার মধ্যে কেনাকাটা শেষ করে ফেলল। কেনাকাটা শেষে বাইরে বারান্দায় দাড়িয়ে ভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল। হঠাৎ সে নজরে পড়ল সৌদি ধর্মীয় পুলিশ মোত্তাওয়ালার। তারা দেখেই ধারণা করে ফেলল যে এই মেয়ে একজন পতিতা। কোন খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করছে। কিছুক্ষণ পর ভাই তালেব ফিরে এলে তারা দুজনই যখন প্রধান গেট দিয়ে বের হয়ে আসছিল, তখন মোত্তাওয়ালারা সামনে এসে দাড়াল। দুজনকে ধরে নিয়ে গেল। নানা ঘটনার পর তারা সিদ্ধান্ত নিল যে এই মেয়ে পতিতা না হয়ে যায় না। যথারীতি পাথর ছুড়ে তাকে হত্যা করার সুপারিশ হল। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিন্স সেই আদেশে সই করলেন।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে এক সপ্তাহ ধরে নানা জায়গায় খোজাখুজি শেষে বাবা মা ছেলে মেয়ের খোজ বের করতে পারলেন। যখন তিনি সরাসরি প্রিন্সের কাছে পৌছালেন, তখন মেয়েটির মৃতুদণ্ড বাস্তবায়ন হয়ে গেছে। প্রিন্স তাকে বলল- নিজের ছেলেমেয়ের দিকে খেয়াল রাখতে পারেন না, কেমন বাবা আপনি? বরং আল্লাহর কাছে হাজার শোকর যে আমরা সৌদি সমাজকে রসাতলে যাবার আর একটি প্রচেষ্টার হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পিতা সন্তুষ্ট হলেন না। তিনি জানতেন যে ন্যায় বিচার পাবেন না। তাই আইন নিজের হাতে তুলে নিলেন। দারোগাকে আগুনে পুড়িয়ে মারতে চেষ্টা করলেন। কিন্তু তাতে বিফল হলেন। ফলে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করে তাকে হত্যা করা হল। তালেবেকে দেয়া হল ২০০ দোররা মারার আদেশ।&lt;br /&gt;গল্পটা নেয়া হয়েছে &lt;a href="http://www.faithfreedom.org/2009/01/14/514/"&gt;ফেইথ ফ্রিডম&lt;/a&gt; থেকে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1525051647584799334?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1525051647584799334/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_2926.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1525051647584799334'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1525051647584799334'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_2926.html' title='এক সৌদি মেয়ের গল্প'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW4E4RZZMKI/AAAAAAAABX8/vwn-pXNRu08/s72-c/ksrin.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1808763942540503685</id><published>2009-01-14T06:52:00.000-08:00</published><updated>2009-01-14T08:00:28.188-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আন্তর্জাতিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>গাজায় যুদ্ধের জন্য কে দায়ী?</title><content type='html'>নিচের ভিডিওটা দেখুন। একজন সাধারণ মানুষ কি বলে?&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/fLIdxF-GHWw&amp;amp;rel=0&amp;amp;color1=0xb1b1b1&amp;amp;color2=0xcfcfcf&amp;amp;hl=en&amp;amp;feature=player_embedded&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/fLIdxF-GHWw&amp;amp;rel=0&amp;amp;color1=0xb1b1b1&amp;amp;color2=0xcfcfcf&amp;amp;hl=en&amp;amp;feature=player_embedded&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1808763942540503685?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1808763942540503685/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1808763942540503685'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1808763942540503685'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_14.html' title='গাজায় যুদ্ধের জন্য কে দায়ী?'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4000267885740602432</id><published>2009-01-12T08:23:00.000-08:00</published><updated>2009-01-12T08:29:39.977-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>বিশ্বাসীদের ধর্ম বিশ্বাস এবং বাস্তবতা</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;একটি দারুণ লেখা কয়েকদিন আগে পড়েছিলাম মুক্তমনায়। আমার এই ব্লগে রেখে দিব রেখে দিব করেও এতদিন রাখা হয়নি। আজ রাখলাম। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন। লেখাটি  প্রথম প্রকাশিত হয় &lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=359"&gt;মুক্তমনাতে&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বিশ্বাসীদের ধর্ম বিশ্বাস এবং বাস্তবতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ আল মামুন&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;====================================&lt;br /&gt;ধর্মের অলৌকিক বানী বিশ্বাস হয় নাই কখনোই। কিন্তূ চারপাশের সবাই এমন অবলীলায় সব বিশ্বাস করে কিভাবে, এই প্রশ্নের উত্তর আজো পাই নাই। মোল্লাদের নাহয় এটা একটা ব্যবসা, কিন্তু সাধারন যারা আছে তারা কেন এই গাজাখুরি বিশ্বাস করে? সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমার সাধারন ধার্মিক বন্ধুবান্ধবের সাথে আমার জীবন যাত্রায় কোনো তফাত নাই। এদের প্রায় সবাই বাস্তববাদী, উচ্চশিক্ষিত জীবনমুখী মানুষ। বিশ্বাস এরা যাই করুক, বছরে কয়েকদিন জুম্মাঘরে যাওয়া ছাড়া আচার-আচরনে এবং অন্য সমস্ত ব্যাপারে চিন্তাভাবনায়ও এদের সাথে আমার কোনো তফাত নাই। চারপাশের এই সাধারন মুসলমানদের ধর্মীয় চিন্তাভাবনা, বানী, আদর্শ ও বিশ্বাসের সাথে তাদের আচার-আচরন এবং জীবনযাত্রার পার্থক্য তুলে ধরার আগ্রহ থেকে এ লেখা।&lt;br /&gt;===================================&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;ধর্ম নিয়ে মুক্তমনার প্রথম দিকের লেখাগুলোর মধ্যে অনন্তর অনুলিখনে সুমিত্রা পদ্মানাভান এর &lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/ananta/manobota_sumitra.pdf"&gt;মানুষের ধর্ম- মানবতা&lt;/a&gt; তে ধর্মের ধর্ম নিয়ে উনার লেখাটা আজো হৃদয় ছুয়ে আছে। চলন্তিকা বাংলা অভিধানে ধর্ম কথাটার অর্থ করা হয়েছে এভাবে;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম অর্থেঃ সৎকর্ম, সদাচার, পূন্যকর্ম, কর্তব্যকর্ম, সমাজ হিতকর বিধি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয় অর্থেঃ পরস্পরাগত সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, উপাসনা পদ্বতি, সংস্কার রীতিনীতি এবং ঈশ্বর পরকাল বিষয়ক মতামত&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তৃতীয় অর্থেঃ বস্তু বা ব্যক্তি নির্বিশেষে- স্বভাব, গুন বা শক্তি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মের এই প্রথম সংগাটি সব ধার্মিকরা আদর্শ হিসাবে মানে। সৎকর্ম, সদাচার, পূন্যকর্ম, কর্তব্যকর্মের কথা সব ধর্মেই বলা আছে। যদিও এই আদর্শ গুলো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলো তাদের পৈত্রিক আদর্শ বলে দাবি করে, বাস্তবতা হচ্ছে, এই আদর্শগুলো বুদ্ধিভিত্তিক সমাজব্যবস্থার। সমস্ত সভ্য সমাজব্যবস্থাই সৎকর্ম, সদাচার, পুন্যকর্ম, কর্তব্যকর্ম, সমাজ হিতকর বিধিকে ঊৎসাহিত করে। যে কোন সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষই সৎকর্ম, সদাচার করে। আর বর্তমান সমাজব্যবস্থায় অসৎকর্ম, অসদাচার রোধের জন্য আছে আইন আদালত। কোন সমাজব্যবস্থাই অসৎকর্ম, অসদাচার ঊৎসাহিত করে না, ধর্ম যার যাই হোক না কেন। এই আদর্শগুলো ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মের মোড়ক হিসাবে ব্যবহার করে। আর সাধারন ধার্মিকরা এই মোড়কটাকেই সমস্ত  ধর্মীয় মিথ্যা আর কুসংষ্কারের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মের দ্বিতীয় সংগাটি হচ্ছে ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক সংগা। ধর্মগুলোর মধ্যে আদর্শগত মৌলিক কোন তফাত না থাকলেও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, উপাসনা পদ্বতি, সংস্কার রীতিনীতি ও ঈশ্বর পরকাল বিষয়ক মতামতে বয়েছে ব্যাপক পার্থক্য। আদর্শগুলো ধর্মের মুলমন্ত্র হিসাবে প্রচার করলেও এবং আদর্শগত তেমন কোন তফাত না থাকলেও এই বিশ্বজনীন আদর্শগুলো কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর আসল রূপ নয়। বরং সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, উপাসনা পদ্বতি, সংস্কার রীতিনীতি ও ঈশ্বর পরকাল বিষয়ক মতামত গুলোই হয়েছে ধর্মের মূলরূপ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তথাকথিত সাধারন ধার্মিক মুসলমানগনও মুখে বলে ধর্মের আদর্শগত রূপের কথা, আর আকরে ধরে ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক রূপটাকেই। আদর্শ ভুলে ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক রূপটাকে আকরে ধরার ফলেই আজকের এই বিভেদ, হিংসা, মারামারি। ধর্মগুলোতে খোদার যে সর্বশক্তিমান, মহানুভব রূপের বর্ণনা দেয়া আছে, যা এই ধার্মিকের দল সকাল বিকাল জিকির করে, তারা কখনো ভাবে না যে এ কেমন মহানুভব খোদা যে সৎকর্ম, সদাচার, কর্তব্যকর্ম, সমাজ হিতকর কর্মের চেয়ে উপাসনা পদ্বতি, সংস্কার রীতিনীতি আর পরকাল বিষয়ক মতামতে বেশি মূল্য দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মৌলিক বিশ্বজনীন আদর্শগুলাকে এরা ধর্মের লেবেলে মুড়িয়ে এরা যেমন নির্লজ্জ ভাবে প্রচার করে ঠিক তেমনি সামাজিক ভন্ডামির সহিত পালনও করে। উদাহরন??? কুরবানির উদ্দেশ্য নাকি আত্মত্যাগ, এই  আত্মত্যাগ হলো ইসলামের আদর্শ। আর এই আত্মত্যাগ এরা করে লোক দেখানো গরু খাওয়ার মত সামাজিক ভন্ডামির মাধ্যমে। রোজা হচ্ছে আত্মসংযম। আর এই আত্মসংযম এরা করে দিনে না খেয়ে। আর ভন্ডামি শুরু হয় মাগরিবের পর। সৎকর্ম, সদাচার এই গুলা নিয়া প্রতিযোগিতা হয় না, প্রতিযোগিতা হয় গরু খাওয়া নিয়া। আর রায়ট হয় গরুখোর আর গরু যারা খায় না তাদের মধ্যে। হায়রে আদর্শ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ধর্ম বিশ্বাস&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বাস একটা একান্ত ব্যাক্তিগত অনুভুতি। বিশ্বাস মানুষ তখনি করে, যখন প্রমান করতে পারে না বা প্রমান করতে চায় না। মনে করেন আমি বললাম যে আমার কাছে কোন টাকা নাই এবং আপনি চাইলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আপনি যদি পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে পরীক্ষার পর এটা প্রমান হয়ে যাবে আমার কাছে টাকা আছে কি নাই, বিশ্বাসের আর কিছু নেই। আর যদি বিশ্বাস করেন, তার পেছনে যত কারনই  থাক না কেন ফাকির একটা সম্ভাবনা থেকেই যাবে। আজকাল শিক্ষিত মুসলমানরা চোখের গঠন, নাকের গঠন মার্কা ভুয়া যুক্তি দিয়া প্রমান করার চেষ্টা করে যে খোদা আছে। তারা এইটা আমলে নেয় না যে যখন তারা বলে তারা খোদায় বিশ্বাস করে,  এই বিশ্বাস শব্দটাই প্রমান করে যে তাদের কাছে কোন প্রমান নাই এবং এই বিশ্বাসটা সত্যি না হওয়ারও একটা সম্ভাবনা সবসময়ই আছে। এই ফাকির সম্ভাবনাটা গ্রহন করার অক্ষমতাটার কারনেই বিশ্বাস হয়ে যায় অন্ধবিশ্বাস। আর এই অন্ধবিশ্বাস তাদের বানিয়ে দেয় ধর্মান্ধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বাসের আরেকটা ব্যপার হচ্ছে আপনি বিশ্বাস না করেও বলতে পারেন যে আপনি বিশ্বাস করেন। আপনি চাইলে একই সাথে বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস দুইটাই করতে পারেন।  যখন আমি বলেছি যে আমার কাছে কোন টাকা নাই এবং আপনি চাইলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, আপনি হয়তো ভদ্রতা করে পরীক্ষা করলেন না। এই ক্ষেত্রে আপনি বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস দুইটা একই সাথে করতে পারেন। আপনার একটা অংশ বিশ্বাস করতে পারে আমার কাছে টাকা নেই, পাশাপাশি আপনারই আরেকটা অংশ বিশ্বাস করতে পারে যে আমার কাছে টাকা আছে আমি শেয়ার করব না। এই ব্যপারটা স্বভাবিক। যেটা স্বাভাবিক না সেটা হচ্ছে আপনি যখন পুরাপুরি বিশ্বাস না করে বলেন বিশ্বাস করেন। এটা হচ্ছে নিজের সাথে প্রতারনা, ভন্ডামির উৎস। যে মানুষ নিজ এর সাথে প্রতারনা করে তার দ্বারা সৎকর্ম, সদাচার ও কর্তব্যকর্ম খুব বেশি হওয়ার কথা না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চারপাশের উচ্চশিক্ষিত মুসলমানরা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই মুসলমানের দলের প্রায় সবাই বাস্তববাদী, উচ্চশিক্ষিত জীবনমুখী মানুষ। এরা সবাই গর্বিত মুসলমান। বিশ্বাস এরা যতটুকুই করুক না কেন কথায় পুরা ১০০% বিশ্বাসী। নাকের মিরাকল, চোখের মিরাকল মার্কা সমস্ত ডকুমেন্টারি এদের আয়ত্তে। বিজ্ঞানের সমস্ত ব্যখ্যা যে কোরানে আছে এটা আয়াত সহ ব্যখ্যা করে বু্ঝিয়ে দিতে পারবে। কোরান হাদিস পুরা ঝাড়াঝাড়া। টেরোরিস্টরা এদের মতে কোরানের ভুল ব্যখ্যাকারী আবার ৯/১১ সম্পর্কে এদের মতামত হচ্ছে আমেরিকার একটা শিক্ষার দরকার ছিল। আমেরিকার ইরাক আক্রমন হচ্ছে মানবতার বিরুদ্ধে আক্রমন আর ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলযির বাংলা আক্রমন হচ্ছে মানবতার জন্য আক্রমন। এরাই হচ্ছে উচ্চশিক্ষিত মুসলমান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে উচ্চশিক্ষিত মুসলমানদের প্রাথমিক ধারনা হচ্ছে এরা কোরান পড়ে না তাই অবিশ্বাসী। কোরান এর আয়াত নিয়ে কথা বললে এরা বলবে শানে-নজুল জানে না তাই অবিশ্বাসী। শানে-নজুল আর আয়াত একত্র করে দেখলে এরা বলে এই আয়াত রূপক অর্থে লেখা, এর আসল ব্যখ্যা জানে আলেমের দল। আর যে আলেমের লেখা তাদের ভালো লাগে না তারা হচ্ছে ভুল ব্যখ্যাকারী। আর এই ভুল ব্যখ্যাকারী আলেমের দল থেকেই হয় টেরোরিস্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবিশ্বাসীদের সম্পর্কে এদের প্রাথমিক ধারনাটা ভুল। মুসলমান থেকে যারা অবিশ্বাসী হয়, কোরান পড়েই এদের অবিশ্বাস শুরু হয়। শানে-নজুল, হাদিস আর আলেমদের লেখায়ও যারা বিশ্বাস যোগ্য কিছু খুজে পায় না তারাই হয় অবিশ্বাসী। এই অবিশ্বাস দৃঢ় হয় যখন তারা বিবর্তনবাদ সম্পর্কে জানে, আল্লাহ তাদের দিলে তালা মেরে রেখেছে এই জন্য না। অবিশ্বাসীরা প্রশ্ন করে, জানতে চায়, বুঝতে চায়। এই জানতে চাওয়া, বুঝতে চাওয়া কাউকে ভুল ব্যখ্যাকারী বানায় না, বানায় সত্যসন্ধানী। আর এই মুক্তমনা সত্যসন্ধানীদের মধ্যে যারা পারিবারিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের উর্ধ্বে উঠতে পারে তারাই হয় অবিশ্বাসী, কোরানের ভুল ব্যখ্যাকারী না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যখন  উচ্চশিক্ষিত মুসলমানরা বলে যে তারা নিয়মিত কোরান পড়ে, অবিশ্বাসীরা বরং অবাক হয়, অবাক হয় উচ্চশিক্ষিত মুসলমানদের প্রশ্ন করার, জানতে চাওয়ার এবং বুঝতে চাওয়ার অক্ষমতা দেখে, অবাক হয় তাদের শিক্ষার মান দেখে; পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংকীর্নতার জালে জড়িয়ে পরা দেখে। এই মুসলমানের দল যখন অবিশ্বাসী আর কট্টর বিশ্বাসীদের বলে ভুল ব্যখ্যাকারী, তখন এদের ঠিক-ব্যখ্যা (!!!) সম্পর্কে জানার আগ্রহ একটুতো হয়ই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদের ঠিক ব্যখ্যা হচ্ছে কোরান একটি পূর্নাংগ জীবনাদর্শন। এই জীবনে যা জানার আছে তার সবই কোরানে আছে। দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য যা জানা দরকার তার সবই আছে কোরানে আর হাদিসে। জ্ঞান বিজ্ঞানের চাবিকাঠি এই কোরান। যেহেতু কোরান আল্লাহর বানী এবং হাদিস নবীর বানী, তাই এখানে কোন ভুল থাকতে পারে না। এই ঠিক ব্যখ্যাকারীর দল হচ্ছে স্বঘোষিত বিশ্বাসীর দল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ঠিক ব্যখ্যাকারী উচ্চশিক্ষিত,স্বঘোষিত বিশ্বাসী মুসলমানরা বিশ্বাস করে ঠিকই, কিন্তু কতটুকু। বিশ্বাস মাপার কোন দাড়িপাল্লা নাই, তাই বিশ্বাস মাপতে হয় কর্মকান্ড দেখে। এদের অধিকাংশের কর্মকান্ড দেখে বুঝার কোন উপায় নাই যে এরা বিশ্বাসী। বছরে কয়েকবার জুম্মা পরা আর কয়েকদিন না খেয়ে রোজা থাকা ছাড়া জীবনযাত্রায় এদের সাথে অবিশ্বাসীদের কোন তফাত নাই। এক ওয়াক্ত নামাজ না পরার শাস্তি নাকি ১ লক্ষ ৮৪ হাজার বছর দোযখে পোড়ানো। একটা মানুষ যে বলে সে মনে প্রানে ইসলামে বিশ্বাস করে, সে কিভাবে নামায পরে না। দোযখের শাস্তির বর্ণনা এবং কারন জানার পরও এরা ধর্ম পুরাপুরি পালন করে না। অথচ এই একই লোক আবার দুনিয়াদারীর কোন ব্যপারে বিন্দু মাত্র ছাড় দেয় না। ধর্ম এরা মনমত মানে, কিছু মানে, কিছু মানে না। অথচ ইসলাম ধর্মে এমন ইচ্ছা মত মানার কোন সুযোগের কথা বলা নাই। সব জানার পরেও, ধর্মের কোন কিছু ঠিক ভাবে পালন না করলেও, এরা মুসলমান। এই ঠিক ব্যখ্যাকারী বিশ্বাসীর দলই আবার আবিশ্বাসীদের নৈতিকতা এবং আদর্শ নিয়ে প্রশ্ম তোলে। এরা মনে করে সুপারমলে এরা চুরি করে না খোদায় ভয়ে (!!!), মলকপ এর ভয়ে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বাসী মুসলমানদের এই কোরান হাদিস না মানার কোন অজুহাত নাই। এরা বলতেও পারেনা যে কোরান মেনে জীবন যাপন সম্ভব না, কারন এইটা বলা আবার ধর্মে নিষেধ আছে। এরা তাই বলে “চেষ্টা করি”। এই চেষ্টা করি বলাটাও তাদের বিশ্বাস করি বলার মত আরেকটা মিথ্যা। এরা দুনিয়াদারীর কোন সামান্য জিনিসের জন্য যতটুকু চেষ্টা করে, তার কানাকড়িও করে না ধর্মের জন্য।  এরা হচ্ছে সেই ইমামের মত যে সারাদিন মসজিদে বসে জিকির করে আল্লাহ রাজ্জাক আল্লাহ রাজ্জাক (আল্লাহ রিজিকদাতা), আর মহল্লার মানুষ যখন বলে হুযুর সামনের মাসে বেতন দিতে পারবনা তখন এই মসজিদ বাদ দিয়া অন্য মসজিদে চলে যায়। সারাদিন যে জিকির করল আল্লাহ রিজিকদাতা, সেই আল্লাহ যে রিজিক দিতে পারে এই বিশ্বাস নাই, বিশ্বাস আছে সামনের মাসে এই মহল্লার মানুষ যে বলছে বেতন দিতে পারব না তার উপর, বিশ্বাস আছে নতুন মসজিদের মুসুল্লিদের উপর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চারপাশের উচ্চশিক্ষিত বিশ্বাসী মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাস আর ধর্ম পালনের চেষ্টারও একই অবস্থা। এরা জানে এদের বিশ্বাসে ঘাপলা আছে, বিশ্বাস এদের যায় যায় অবস্থা, তাই এদের ধর্মানুভুতি খুব বেশি। তাইতো ধর্মের কথায় এর ঝাপিয়ে পরে, সহনশীলতার ধার ধারেনা। কথায় কথায় এরা মনে করিয়ে দেয় ইসলামের ইতিহাস, নবীর উপর ধর্মের কারনে অত্যাচার, আর নবীর সব মাফ করে দেয়া। আর কেউ “মহাম্মদ কদু” নামের কার্টুন ছাপালে শুরু হয় জ্বালাওপোড়াও। ইসলামে বিশ্বাস করি, চেষ্টা করি বলে এরা এদের খোদা, ধর্ম আর নিজের সাথে শুধু প্রতারনাই করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই মুখে খোদায় বিশ্বাসী, এবং কাজ কর্মে খোদার আদেশের ধার ধারিনা মার্কা নিজের সাথে প্রতারনা করা, ভন্ড, নাম- স্বর্বস্ব মুসলমানরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। এরা টেরোরিস্ট না, কারন এরা কোরান হাদিস পুরাপুরি মানে না, এবং আত্মঘাতী হওয়ার মত অসৎ সাহস এদের নাই। এই সংখ্যা গরিষ্ঠ ভন্ড বিশ্বাসীদের আপত দৃষ্টিতে নিরীহ গোবেচারা মনে হলেও এরা তা না। এরাই ধর্মীয় সমস্ত অপকর্মের সামনের সাড়িতে থাকে। অন্ধবিশ্বাসে ধর্মান্ধ এরা নিজের ও তাদের খোদার সাথে বছরের পর বছর প্রতারনার ফলে এদের ভিতর জমতে থাকে ক্ষোভ। এই ক্ষোভ নিয়া ঘাপটি মেরে থাকে এরা, তাই ধর্মীয় রায়টে এরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। আজকে দেশে ধর্মের নামে যে উন্মাদনা, বকের ঠ্যাং ধরে টানাটানি, এই সংখ্যা গরিষ্ঠরাই তার উৎসাহ দাতা।  এরা টেরোরিস্টদের কর্মকান্ডে পুলকিত হয়, লজ্জায় কাঠমোল্লাদের সাথে মিছিলে যায় না। কিন্তু এরাই ধর্ম ব্যবসায়ীদের হাতিয়ার।  মৌলবাদের মদদদাতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিদিন পত্রিকা খুললেই রাজনীতিবিদদের নির্লজ্জ দুর্নীতির বর্ননা দেখি। এর দায় কিন্তু রাজনীতিবিদদের একার না। গনতন্ত্রে জনগন তেমন সরকারই পায়, তারা যার যোগ্য। এই নির্লজ্জ দুর্নীতিপরায়ন অসৎ রাজনীতিবিদরা যেমন সাধারন মানুষের সহায়তায় প্রতি নির্বাচনে দুর্নীতি করার সুযোগ পায়, তেমনি ধর্ম ব্যবসায়ী, মৌলবাদি আর টেররিস্টরাও সংখাগরিষ্ঠ ধর্মান্ধ মুসলমানদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহায়তায় তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ সময় এসেছে এই সত্য উপলব্ধি করার, সময় এসেছে নিজের সাথে প্রতারনা বন্ধ করার; ধর্ম ব্যাবসায়ী, মৌলবাদী আর টেররিস্টদের বিরুদ্ধে দাড়ানোর। টেররিস্টদের কোন ধর্ম নাই বা টেররিস্টরা কোরানের ভুল ব্যখ্যাকারী, এই সমস্ত মিথ্যা ঝেড়ে ফেলে মৌলবাদের মূল সহ উপড়ে ফেলার এখনি সময়।               &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;পাঠকদের মতামতের উপর ভিত্তকরে পরে এই লেখাটা আরো গুছিয়ে লেখার ইচ্ছা আছে। আপনাদের মতামত জানাবেন আশাকরি।&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;এডিটিং &amp;amp; উৎসাহের জন্য তানবীরাকে অনেক ধন্যবাদ।।&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;মামুন&lt;br /&gt;০৭।১২।২০০৮&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4000267885740602432?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4000267885740602432/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_12.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4000267885740602432'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4000267885740602432'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_12.html' title='বিশ্বাসীদের ধর্ম বিশ্বাস এবং বাস্তবতা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-2083752584525937659</id><published>2009-01-09T07:07:00.000-08:00</published><updated>2009-01-09T07:38:21.585-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আন্তর্জাতিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>পরহিংসায় আপন ক্ষয়</title><content type='html'>কয়েকদিন আগে ইসরাইল প্যালেস্টাইনে আক্রমণ করেছে। সেখানকার হামাস নামক সন্ত্রাসীরা নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার জন্য দায়ী এই অভিযোগ করা হয়েছে ইসরাইলের পক্ষ থেকে। আমি যে কোন রকমের যুদ্ধ বা হানাহানির বিপক্ষে। সেই পুরাতন কবিতাটিকে খুব মানি:-&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;কুকুরের কাজ কুকুর করেছে,&lt;br /&gt;কামড় দিয়েছে পায়,&lt;br /&gt;তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো&lt;br /&gt;মানুষের শোভা পায়?&lt;/blockquote&gt;না পায় না। কুকুরের মতো করে মানুষ যদি কুকুরের গায়ে কামড়ায়, তাহলে তো সে আর মানুষ থাকলো না। সে তো কুকুরের মতো আচরণ করলো। একথা ঠিক আছে। কিন্তু তাই বলে কি কুকুরের গায়ে লাত্থিটাও দেবে না। কামড়াতে আসা কুকুরকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে নিজেকে বাঁচাবে না? কিংবা কামড়িয়ে পালিয়ে যাওয়া কুকুরকে খুঁজে নিয়ে লাঠি দিয়ে পেটাবে না? অবশ্যই পেটাবে। সেজন্যই তো মানুষখেকো বাঘকে সরকারিভাবে শিকারী দিয়ে খুঁজে বের করে গুলি করে হত্যা করা হয়। বাঘ মানুষকে মেরে খেয়ে ফেলেছে, সে জন্য তো আর মানুষ বাঘকে মেরে ফেলে খেয়ে ফেলছে না।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;এত কথা বলার কোন প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু আজ বলতে বাধ্য হলাম। ইসরাইল যে ফিলিস্তিনীদের উপর হামলা চালাচ্ছে, এ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষদের দুঃখের কোন সীমা নেই। ব্লগে ব্লগে এর নিন্দায় তারা বুক-পেট ভাসিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু কেউ ইতিহাসকে স্মরণ করছেন না। আজকে যে জেরুজালেম নিয়ে ইসরাইল তথা ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ চলছে, তাকে অনেকে নানা দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করেন। তার মধ্যে কেউ একে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন, আবার কেউ বা শুধুমাত্র ভূমিদস্যূতার দৃষ্টিকোন থেকে দেখেন। আমরা দুটোকেই গ্রহণযোগ্য বলে মনে করি। ইতিহাসে ইহুদী ও মুসলমানদের পরস্পরের যে ভূমিকা তা স্পষ্টাক্ষরে লেখা আছে। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ কোরানে ইহুদীদের সম্পর্কে স্পষ্ট ভাষায় নোংরাভাবে গালাগালি করা হয়েছে। ইহুদী জাতি ও তাদের ধর্ম সম্পর্কে অশ্লীল, কুৎসিত, জঘন্য রকমের মন্তব্য করা হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থ কোরানে। বিপরীতে কিন্তু মুসলমানদের সম্পর্কে ইহুদীরা কোথাও কোন খারাপ কথা লেখেনি।&lt;br /&gt;আজকে যে আল আকসা মসজিদ নিয়ে মুসলমানদের খুব দরদ উছলে পড়ছে তার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে, অতীতে মুসলমানরা সবাই এই মসজিদের দিকে তাকিয়ে নামাজ পড়তো। হঠাৎ একদিন নামাজ চলাকালীন মুহাম্মদ দাড়িয়ে উঠে বললেন যে এইমাত্র তার কাছে ওহী এসেছে যে এখন থেকে তার জন্মস্থানের দিকে (কাবাঘর) তাকিয়ে নামাজ পড়তে হবে। এইযে হিংসামো বা পরহিংসার প্রকাশ এটা কে করলো? ইহুদীরা তো করতে যায়নি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুসলমানদের একটা কমন অভিযোগ হলো যে ইহুদীরা মুসলমানদের প্রতি নবীর আমল থেকে খারাপ ব্যবহার করতো। কিন্তু আমাদেরকে বুঝতে হবে যে কেন তারা এমন করেছিল। মুহাম্মদই কি প্রথম ইহুদীদের ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে গালিগালাজ প্রচার করা শুরু করেনি? মুহম্মদই কি প্রথমে ইহুদীদের ধর্মকে বাতিল, টাতিল ইত্যাদি কুৎসিত গালিগালাজ করা শুরু করেনি? কেউ যদি আপনাকে গালি দেয়, তাকে হয়তো দু'একদিন আপনি উপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু সেই গালিগালাজকেই যদি সে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে, যদি প্রতিদিনি যদি আপনার আসা যাওয়ার রাস্তার পাশে দাড়িয়ে বা আপনার বাড়ির সামনে দাড়িয়ে যদি আপনাকেই গালিগালাজ করতে থাকে, তাহলে আপনার কেমন লাগবে? নিশ্চয় আপনিও এর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করবেন। ঠিক সেই কাজটিই করেছিল ইহুদীরা। অথচ তাদেরকে কেন অযথা দোষ দেয়া? আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজকের মুসলমানরা তাদের কোরান থেকে ইহুদীদের সম্পর্কে অশ্লীল, কুৎসিত, নোংরা, জঘন্য বাক্যগুলো ঘৃণার সাথে বাতিল করে দিক, তারা ঘোষণা করুক যে ইহুদীদের সম্পর্কে কোরানে যেসব আজেবাজে কথা আছে, তার জন্য তারা ক্ষমাপ্রার্থী, তার জন্য তারা লজ্জিত, তাহলে রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হতে মুহূর্তমাত্র দেরী হবে না। তারা কোরান থেকে ঐসব বাজে কথাগুলি মুছে ফেলুক, ইহুদীরা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে।&lt;br /&gt;আমার কাছে বরং মুসলমানদের চাইতে ইহুদীদেরকেই বেশি উদার মনে হয়। তাদের ধর্মকেই বরং অধিকতর ভদ্র বলে মনে হয়। তার একটা সহজ প্রমাণ হল পাকিস্তানের ইমরান খানের স্ত্রী জেমিমা খান। জেমিমা খান ইহুদী পরিবারের মেয়ে, তার সঙ্গে মুসলমান ইমরান খানের বিয়ে দিতে তার বাবা-মা গররাজি হয় নাই। কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে কি এমন দেখা যাবে? কোন সম্ভ্রান্ত মুসলমান বাবা-মা কি ইহুদী ছেলের সাথে তাদের মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি হবে? না হবে না। তাহলে কি হলো? কি বোঝা গেল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসরাইলের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ তোলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো আরব ভূমিতে ইহুদীদের নিজস্ব কোন দেশ নেই কেন? আরবের অন্য কোন দেশে ইহুদীরা নেই কেন? এর কারণ কি? একথা সবাই জানে যে, গত কয়েকশত বৎসরে আরব ভূমি থেকে ইহুদীদের উপর অবর্ননীয় নির্যাতন চালানো হয়েছে। তাদেরকে জানে মালে মেরে ফেলা হয়েছে। এই ভয়ংকর আক্রমণের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে আরব অঞ্চলে ইহুদীরা টিকে থাকতে পারেনি। তারা বাধ্য হয়েছে দেশত্যাগ করতে। মুসলমানদের অব্যাহত আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে তারা সঠিকভাবে প্রতিরোধ করতে পারেনি। (আজ ফিলিস্তিনীরা দুর্বল, তখন ইহুদীরা দুর্বল ছিল)। ফলে ইহুদীরা প্রাণ বাঁচাতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। হয়ে পড়েছিল না ঘরকা, না ঘাটকা। জীবিকার খাতিরে তাদেরকে কত নিম্নমানের কাজই না করতে হয়েছে। সমাজের প্রতিষ্ঠিত অন্য ব্যক্তিবর্গের নিন্দা-ঘৃণা সহ্য করে তাদেরকে বেচেবর্তে থাকতে হয়েছিল (শেক্সপিয়রের শাইলক দ্রষ্টব্য)। ইউরোপে তাদেরকে যত সুদখোর, লোভী বলে গালিগালাজ করা হোক না কেন, অন্তত প্রাণে মেরে ফেলা হয়নি। শুধুমাত্র প্রাণে বাঁচার আশায় তারা ইউরোপীয়দের গালিগালাজকে মেনে নিয়েছিল। পরবর্তীতে তারা যখন অর্থে বিত্তে, রাজনীতিতে, সংস্কৃতিতে, বিজ্ঞানে মেধার স্বাক্ষর রাখা শুরু করলো, নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে শুরু করলো। অর্থাৎ আত্মসম্মান পাবার জন্য যথেষ্ট শক্তিমত্তা অর্জন করতে পারলো, তখন তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একটি নিজস্ব ইহুদী ভূখণ্ড পেতে চাইলো। লক্ষ্য করুন। তারা কিন্তু খ্রিস্টান যিশুকে মেরে ফেলেছিল। আর সেই খ্রিস্টানদের সহযোগিতাতেই তারা ফিরে পেল একটি নিজস্ব ভূখণ্ড। দুই হাজার বছর আগে যা ছিল আসলে তাদের নিজস্ব দেশ। যা আসলে তারা মুসলমানদের হিংস্র আক্রমণের মুখে পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কয়েকশত বৎসর ধরে তাদের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছিল, তার কোন শোধ কি তারা নিতে চাইবে না? আমি ইহুদীদের উপরে মুসলমানদের অত্যাচার বা বিপরীতে মুসলমানদের উপর ইহুদী অত্যাচারের বিরোধী। কিন্তু যদি ইহুদীদের দৃষ্টিকোণ থেকে যদি বিচার করি, তাহলে কি বলা যায় না যে তারা ইতিহাসের প্রতিশোধ নিচ্ছেন? কুকুরের কামড়ের জবাবে লাত্থি দিচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রসঙ্গক্রমে বলি, যারা বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে মুসলমানদের অত্যাচারকে ভূমিদস্যুতা বলে হালকা করতে চান, তারা ইসরাইলের ফিলিস্তিনিদের উপর আক্রমণকেও একই দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-2083752584525937659?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/2083752584525937659/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_09.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/2083752584525937659'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/2083752584525937659'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_09.html' title='পরহিংসায় আপন ক্ষয়'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-857498090636028193</id><published>2009-01-08T06:54:00.000-08:00</published><updated>2009-01-09T07:07:37.605-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>বিদেশী সংস্কৃতির দালালী</title><content type='html'>আজ মুসলমানদের আশুরা। বাংলাদেশের মুসলমানরাও এটা পালন করছে। মজার ব্যাপার হলো, যারা বাঙালি সংস্কৃতির জন্য জান পেরেশান করতে করতে, বাঙালি সংস্কৃতির জন্য গলাবাজি করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন, তারাও মহাসমারোহে এই আরবীয় ইতিহাসটিকে স্মরণ করেছেন। তারা একবারও ভাবেননি যে এই বিদেশী ইতিহাস আমাদের জীবনে কিভাবে প্রয়োগ করবো, কিভাবে তাকে বাঙালি সংস্কৃতির সাথে একীভূত করবো বা আমাদের কাছে আরবীয় সংস্কৃতি পালনের কি মাজেজাই বা আছে। যারা সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন, তারাও এইসব বিদেশী সংস্কৃতির আগ্রাসন সম্পর্কে নীরব। তাদের মুখে আরব নামক মরুভূমির একটি দেশের ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের ধর্মীয় মজমা তোলার অসারতা সম্পর্কে কিছু নেই। এইসব বিদেশী ধর্ম-সংস্কৃতির ফলে আমাদের দেশের নিজস্ব ধর্মসংস্কৃতি কিরূপ অবস্থা ধারণ করেছে কিংবা এই সব বিদেশী ধর্ম-সংস্কৃতি আমাদের দেশের ধর্ম-সংস্কৃতি সম্পর্কে কি ধরণের বাজে ধারণা ও আজেবাজে গালাগালি প্রচার করে তা সম্পর্কেও তারা কিছু বলেন না।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;আরবী এই ইতিহাসের তথা আশুরার কাহিনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। অপচিন্তা তথা বিদেশী সংস্কৃতির দালালেরা (মুসলমানরা) যাই বলুন না কেন, আদতে যে এটা বিধবা নারীকে নিয়ে ত্রিভূজ প্রেম তা আর কারও কাছে অজানা নেই। নবীর নাতি যে নারীর প্রেমে পড়েছিল, সেই নারীকে ভালবাসতো এজিদ। এজিদ ছিল দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। আর রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে নারী নিয়ে ঝগড়া করার যা পরিণতি, তাই হয়েছিল। এজিদ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে কেমন ছিল, জনগণের সুযোগ সুবিধার প্রতি কেমন আগ্রহী ছিল, তা কিন্তু কেউ আলোচনা করে না। হাসান-হোসেন মুহম্মদের নাতি ছিল বলে কি তাদের জন্য সাতখুন মাফ নাকি? তারা একজন নারীর প্রেমে পড়লো (সেকালে প্রেম বলে কিছু ছিল না, যৌন আগ্রহই ছিল তখনকার প্রেম) আর দেশের রাজার সাথে ঝগড়াবিবাদে জড়িয়ে পড়লো আর মুসলমানরা সেই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়লো, কি অদ্ভূত, কি অপগণ্ড। আর বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজ দেশের পৌরাণিক ইতিহাস বাদ দিয়ে বিদেশী ইতিহাস নিয়ে মাতম শুরু করে দিল। ভাবতে আর অবাক লাগে না। আমি যদি ইসলাম ধর্মকে আমার জীবন থেকে পদাঘাত না করতাম। যদি ইসলামের ভণ্ডামীগুলোকে না চিনতাম, তাহলে হয়তো আমিও অমনটা ভাবতাম। ধন্যবাদ আমার বাবাকে। আমার মাকে ধন্যবাদ। তাদের কারণেই না আজ আমি বিদেশী সংস্কৃতির দালালীর লজ্জ্বা থেকে মুক্ত হতে পেরেছি।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-857498090636028193?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/857498090636028193/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_08.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/857498090636028193'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/857498090636028193'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post_08.html' title='বিদেশী সংস্কৃতির দালালী'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-918152282958540043</id><published>2009-01-03T17:28:00.000-08:00</published><updated>2009-01-09T06:54:38.424-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংস্কার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রত্যাশা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>নতুন বছরের শুভেচ্ছা</title><content type='html'>প্রিয় বন্ধুগণ,&lt;br /&gt;নতুন বছরের শুভেচ্ছা নেবেন। গত কয়েকদিন ইন্টারনেট স্পিড কম থাকার কারণে অনলাইনে প্রবেশ করতে পারিনি। এজন্য আপনাদেরকে যথাসময়ে শুভেচ্ছা জানাতেও পারিনি। এজন্য দুঃখিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতিমধ্যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল। বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে। প্রাণের মার্কা নৌকা জয়ী হওয়ায় আমি খুব আনন্দিত। এবার রাজাকার আলবদরদের বিচার করতেই হবে। সারাদেশের দেশপ্রেমিক নাগরিকের এই দাবীর প্রতি আমি একাত্মতা ঘোষণা করছি। পাশাপাশি আরও কয়েকটি দাবী নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে জানাতে চাই।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;১। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফাঁসী কার্যকর করতে হবে।&lt;br /&gt;২। রাজাকার তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে।&lt;br /&gt;৩। রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে হবে।&lt;br /&gt;৪। দুইদিনের ছুটি বাতিল করে শুধুমাত্র রবিবার ছুটি করতে হবে।&lt;br /&gt;৫। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ সবচাইতে বেশি রাখতে হবে।&lt;br /&gt;৬। কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়াতে হবে।&lt;br /&gt;৭। ইন্টারনেট খরচ কমাতে হবে।&lt;br /&gt;৮। ছাত্রলীগের সদস্যদের চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী, বদমাসী বন্ধ করবে। নিয়মিত পড়াশোনায় যেন তারা ব্যস্ত থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে। যারা যুবলীগ করে, তাদেরও পড়াশোনার পরিমাণ বাড়াতে হবে। তারা যেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস এবং সর্বোপরি ভদ্রতা সম্পর্কে পড়াশোনা করে তা নিশ্চিত করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আশা করি আওয়ামী লীগ সাধারণ জনগনের আশা আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে কার্পণ্য করবে না।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-918152282958540043?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/918152282958540043/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/918152282958540043'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/918152282958540043'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2009/01/blog-post.html' title='নতুন বছরের শুভেচ্ছা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3147026954818931235</id><published>2008-12-24T22:06:00.000-08:00</published><updated>2008-12-24T22:06:00.464-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>ফিরে দেখুন ৭১</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SVCDrU9d--I/AAAAAAAABS8/vl-hdM_B0Ow/s1600-h/pd71.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 132px; height: 200px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SVCDrU9d--I/AAAAAAAABS8/vl-hdM_B0Ow/s200/pd71.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5282867143289732066" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;একটি অসাধারণ বইয়ের খোজ পেলাম। নাম &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফিরে দেখা ৭১&lt;/span&gt;। সামহোয়ার ব্লগের ব্লগাররা এই বই তৈরি করেছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্লগারদের দেয়া বিভিন্ন তথ্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। অনলাইনে পাঠযোগ্য মুক্তিযুদ্ধের বই কি এটাই প্রথম? ঠিক জানিনা, হয়তো তাই হবে। ই বই হিসেবে প্রকাশিত এই বইটিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার ব্লগাররা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন অজানা কাহিনী ও প্রয়োজনীয় তথ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তারা নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তারা চেয়েছেন, সমকালীন রাজনীতির অপচ্ছায়া যেন নতুন প্রজন্মকে গ্রাস না করে, তারা যেন মুক্তিযুদ্ধ ও তার প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলে না যায়। কিংবা বিকৃতির চেষ্টায় নিজেকে হারিয়ে না ফেলে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ব্লগারগণের এই চেষ্টা সত্যিই স্যালুটযোগ্য। তাদের এই অবদান বাঙালি জাতি যতদিন আছে, ইতিহাসের পাতায় যতদিন বাংলাদেশ স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে টিকে থাকবে, ততোদিন সমুজ্জ্বল থাকবে একথা আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;ফিরে দেখা ৭১ বইটি আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ফিরে দেখতে উদ্বুদ্ধ করেছে একথা নির্দ্ধিধায় বলতে পারি। বস্তুত: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের ভাবনায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যতটা উদাসীনতা দেখা গেছে, অন্যান্য জাতির ক্ষেত্রে তা কখনও হয় নাই। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতেও আমরা যেন ভুলে গেছি। ফিরে দেখা ৭১ বইটির মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ১৯৭১ সালের ঘটনাবলীর প্রতি একটু হলেও ফিরে তাকাবে এটুকু প্রত্যাশা আমরা অনায়াসে করতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বইটি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত বোধ করছি। আসলে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনলাইনে সক্রিয়তার সংখ্যা খুব কম। এর পিছনে রাজনীতির প্রভাবও রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা আজ বাস করছে দরিদ্র সীমানার অনেক নীচে। যারা হয়তো একটু সচ্ছল, তাদেরকে প্রতিদিনের রুটিরোজগারে এতবেশি ব্যস্ত থাকতে হয় যে, অনলাইনে সক্রিয় হওয়া অনেকের পক্ষে হয়ে ওঠে না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী সৌদী আরব তথা আরও কয়েকটি মুসলিম দেশের প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় অর্থ সাহায্যে তাদের প্রচার প্রপাগাণ্ডা চালায়। তারা পেইড ব্লগার দিয়ে অনলাইন ভরিয়ে ফেলেছে। নিয়মিত ট্রেনিং দিয়ে তাদের মেধা ও শক্তিকে করেছে ক্ষুরধার। বিপরীতে মু্ক্তিযোদ্ধারা পেটের ভাতের যোগান নিয়ে এখনও অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরও ব্যস্ত রয়েছে। যার জন্য হয়তো অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কার্যক্রমের পরিমাণ ততোটা আশাব্যঞ্জক নয়। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফিরে দেখা ৭১&lt;/span&gt; বইটি যে প্রকাশিত হয়েছে, তার জন্য আমি প্রকাশক ও লেখকদের নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফিরে দেখা ৭১&lt;/span&gt; &lt;a href="http://nirmanssite.googlepages.com/Phire_Dekha_71.pdf"&gt;ডাউনলোড করুন&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;ফাইল টাইপ: পিডিএফ, সাইজ: 6628 kb&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3147026954818931235?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3147026954818931235/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_24.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3147026954818931235'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3147026954818931235'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_24.html' title='ফিরে দেখুন ৭১'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SVCDrU9d--I/AAAAAAAABS8/vl-hdM_B0Ow/s72-c/pd71.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4547504945202830021</id><published>2008-12-22T21:44:00.000-08:00</published><updated>2008-12-22T21:55:10.715-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রত্যাশা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>ঠাণ্ডা দিন ও ব্যস্ত রাজনীতি</title><content type='html'>বাংলাদেশের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছে জনপদ। সাথে সাথে বোধহয় কাতর হয়ে পড়েছে রাজনীতির অঙ্গন। আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই শুরু হবে রাজনীতির আসল খেলা। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংসদ নির্বাচনে জিতে আসতে জামায়াত শিবির ও বিএনপির গুণ্ডারা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে তাদের নোংরা কার্যকলাপ। জামায়াত শিবির জিন্নাহকে প্রশংসা করা শুরু করেছে, পরিত্যক্ত দ্বিজাতিত্ত্বকে করতে চাচ্ছে মহিমান্বিত। খালেদা জিয়া আবার সবকিছুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। আগাম চালাকি করার একটা বদভ্যাস তিনি ভালই পারেন। আর তা হল সবকিছুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে পাওয়া। আরে গাধা, কে ষড়যন্ত্র করছে তা প্রকাশ করুন। তাহলে জাতি ষড়যন্ত্রকারীদেরকে চিনতে পারবে। সঠিক যুক্তিপ্রমাণ দিয়ে তাদের মুখোশ খুলে দিন। যদি শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্রকারী হন, তাহলে তাও বলুন। নাকি তা বলতে ভয় পান? নাকি মিথ্যা কথার ফুলঝুড়ি ছুটিয়ে সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে রাখতে চান। নাকি আপনারা নিজেরাই ষড়যন্ত্র করছেন। যেন, কাজ শেষে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়া সহজ হয়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;এদিকে খালেদা জিয়ার পুত্র কোকোর অবৈধ অর্থ পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুরে। পাশাপাশি বিখ্যাত সিমেন্স কোম্পানীকে কাজ পাইয়ে দেবার কথা বলে ঘুষ নেয়ার খবর হয়ে পড়েছে প্রকাশিত। কি কান্ড! দেশনেত্রীর সন্তান দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত! খালেদা জিয়া কি লজ্জার মাথা খেয়ে বসে আছে নাকি? এরকম কুলাঙ্গার সন্তান যার ঘরে তার আবার অন্যের দোষ খুজে বের করা কেন? ষড়যন্ত্র কি আর গাছে ধরে নাকি তার নিজের ঘরের ভিতরেই চলছে দেশবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে দেশের মানুষ অশিক্ষিত, অল্পশিক্ষিত বলে তাদেরকে যা বোঝানো হয়, তাই তারা বোঝে। শিক্ষিত না হলে কি আর নিজের ভাল নিজে কি আর বুঝতে পারে? তাহলে আর তাদেরকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারিত করা যেত না। তারা নিজেরাই বুঝতে পারত কে দেশদরদী আর কে দেশবিরোধী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭১ সালে যারা দেশের স্বাধীনতা চায় নাই, সেই জামায়াতে ইসলামীকে সাথে নিয়ে খালেদা জিয়া দেশের কি উন্নয়ন করবেন, তা বোঝার জন্য তো রাজনীতিবিদ হতে হয় না। সাধারণভাবে একটু চোখকান খোলা রাখলেই চলে। বোঝা যায় হিংস্র জামায়াত ও তাদের গোপন (প্রকাশ্য!) প্রেমিকা খালেদা জিয়ার নোংরা স্বরূপ।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4547504945202830021?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4547504945202830021/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4547504945202830021'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4547504945202830021'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_22.html' title='ঠাণ্ডা দিন ও ব্যস্ত রাজনীতি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-7758819761780772589</id><published>2008-12-17T18:25:00.000-08:00</published><updated>2008-12-22T21:59:35.944-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>ডাউনলোড করুন ইসলাম ও শরীয়া</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SUm30GxQSuI/AAAAAAAABS0/b9B1Qk24qZs/s1600-h/ishm.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 113px; height: 183px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SUm30GxQSuI/AAAAAAAABS0/b9B1Qk24qZs/s320/ishm.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5280954143866899170" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;হাসান মাহমুদ ওরফে ফতে মোল্লা'র বিখ্যাত বই 'ইসলাম ও শরীয়া'। ইসলামকে কিভাবে মোল্লারা নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছে, কিভাবে তারা কোরান হাদিসের ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে এই বইতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখক মানবতার প্রতি অসম্ভব মমতা নিয়ে এই বইটি লিখেছেন। তিনি চেয়েছেন, শরীয়া নামক অপব্যাখ্যার দ্বারা আর কোন মানুষকে যেন নির্যাতন নিপীড়নের শিকার না হতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;লেখক দেখেছেন যুগে যুগে দেশে দেশে ইসলামের বিভিন্ন আয়াতের বিভিন্নরকম ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর এই সব ব্যাখ্যা তৈরি করেছেন অল্পশিক্ষিত, গেয়ো, অসংস্কৃত মৌলানারা। এদেরকে ব্যবহার করেছেন ক্ষমতালোভী সন্ত্রাসী ইসলামী শাসকেরা। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে গত সহস্র বৎসরে বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে আরব অঞ্চলের শাসকরা ইসলামকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছেন। সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখতে ইসলামী আইনের করেছেন নানারকম অপব্যবহার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান কালেও চলেছে একই ধারা। তবে এই সময়ে নারীদের উপরই চলছে প্রধান জুলুম। ইসলামের বিভিন্ন আইনের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে মোল্লারা নানারকম ফতোয়া দিয়ে চলেছে। নারীর মানবাধিকারকে অস্বীকার করছে। হাসান মাহমুদ এই সব ভণ্ডামীর মুখোশ খুলে দিয়েছেন। দেখিয়ে দিয়েছেন মোল্লাদের নূরানী মুখাবয়বের আড়ালে কি আছে।&lt;br /&gt;নিজের বই সম্পর্কে দু'কথা বলতে গিয়ে লেখক বলেছেন:-&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১।  এ বই প্রধানতঃ দলিল-নির্ভর, এবং এটা ইসলামে মানবাধিকার-এর ওপরে, মূল ধর্মবিশ্বাসের ওপরে নয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt; ২।   মানবাধিকার রক্ষা না করলে সেটা বৈধ ধর্ম নয়, এবং কোরাণে মানবাধিকার পুরোটাই রক্ষা করা আছে সেটা অতীত-বর্তমানের অনেক মুসলিম বিশেষজ্ঞ দলিল-বিশ্লেষণ দিয়ে দেখিয়েছেন।  আমি তার কিছুটা সংকলন করেছি মাত্র, আমি কোন বিশেষজ্ঞ নই। তাছাড়া এক বইতে সবকিছু দেয়া অসম্ভব।&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৩।  অজস্র সুত্র দেয়া আছে, বারবার সেগুলো দেখে নিয়েছি।  তারপরও কিছু টাইপো থাকতে পারে, প্রায় সব বইতেই থাকে।  তবে ইন্টারনেট-এর সুত্র কখনো কখনো বদলানো হয় বা মুছে দেয়া হয়।  যেমন, বিশ্ব-বিখ্যাত পণ্ডিত ডঃ জামাল বাদাওয়ী ইসলামে নারী-নেত্রীত্বের তাঁর সিদ্ধান্ত ও যুক্তিগুলো পুরোটাই উল্টো করে দিয়েছেন পরে। সহি আবু দাউদ-এর বেশ কিছু হাদিস মুছে দেয়া হয়েছে, মুছে দেয়া হয়েছে অন্য বহু সুত্র। কিন্তু বইটা তো থেকে যায়।  এতে বইয়ের কি মুশকিল হয় তা আপনারা বুঝতেই পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৪।  কোন ধর্মেরই সব প্রশ্নের জবাব কারো পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়, শুধু মানুষের ওপরে অত্যাচারটা না হলেই হল।  সে বিষয়েই এ বই আমার প্রচেষ্টা, এতে মতভেদ থাকবেই।  তবে সেটা দলিল-নির্ভর এবং ভদ্র হওয়া দরকার।  ইসলাম নিয়ে গঠনমূলক এবং সুশীল তর্ক তো দুরের কথা আলাপ-আলোচনার সংস্কৃতি আমাদের এখনো গড়ে ওঠেনি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৫।  দলিল-নির্ভর হলেও আমার আগের কিছু লেখা ব্যঙ্গাত্মক  - ‘‘জামাতের প্ল্যান’’  বা  ‘‘জামাতের মৃত্যুদণ্ড’’ ওরকমের।  এখন আমি আর তা করিনা, সেজন্য আমার এক সমালোচককে ধন্যবাদ।  আমার সমালোচকদের কাছ থেকে অজস্র শিখেছি আমি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৬।  এ বই নিয়ে হুলুস্থুল তর্ক-বিতর্ক করার ইচ্ছে আমার নেই, সে সময়টা অন্য কাজে দিতে হবে।  দলিল-বিশ্লেষণ দেয়া থাকল যাতে অন্যেরা তাঁদের পড়া-র সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন ও আরো বেশী পড়তে পারেন - আমাদের সবাইকে জানাতে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;৭।  এর কোন ভুল বা অসম্পুর্ণতা ধরিয়ে দিলে পরের সংস্করণে কৃতজ্ঞতার সাথে উল্লেখ করব। &lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/blockquote&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইসলাম ও শরীয়া&lt;/span&gt; বইটি ডাউনলোড করুন&lt;a href="http://nirmanssite.googlepages.com/islam-o-sharia.pdf"&gt;এই লিঙ্ক&lt;/a&gt; থেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;বইয়ের আকার 'পিডিএফ', সাইজ: ৬‌১২ কিলোবাইট, পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;তথ্যসূত্র: &lt;a href="http://amarblog.com/fatemolla/29011"&gt;আমারব্লগ.কম&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-7758819761780772589?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/7758819761780772589/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_17.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/7758819761780772589'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/7758819761780772589'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_17.html' title='ডাউনলোড করুন ইসলাম ও শরীয়া'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SUm30GxQSuI/AAAAAAAABS0/b9B1Qk24qZs/s72-c/ishm.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-5087354793339036204</id><published>2008-12-09T08:12:00.000-08:00</published><updated>2008-12-09T08:12:00.572-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><title type='text'>সম্পদের কি অপচয়!!</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST1Jyl5fO1I/AAAAAAAABSE/tC9UBH4M1s0/s1600-h/btajmahal.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 326px; height: 183px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST1Jyl5fO1I/AAAAAAAABSE/tC9UBH4M1s0/s400/btajmahal.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5277455471863610194" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের সোনারগাওতে এক শিল্পপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক আহসান উল্লাহ মনি একটি তাজমহল তৈরি করেছেন। ১২ বিঘা জমির ওপর এই তাজমহল তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। এর নাম দেয়া হয়েছে 'বাংলার তাজমহল'। চলচ্চিত্র পরিচালকরা যে বুদ্ধিগত দিক দিয়ে কেমন মানুষ হয় তার প্রমাণ এই তাজমহলটি। এটা ভারতের তাজমহলের প্রমাণ সাইজের। কোন বিখ্যাত বিল্ডিং বিশেষ করে তা যদি হয় বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ, তার মত একই আকার বা ডিজাইনে কোন বিল্ডিং বানানো অর্থাৎ নকল করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এটা নৈতিকভাবেও অন্যায়। কিন্তু শিল্পপতি এতে কোন অন্যায় দেখতে পাননি। সরাসরি বলে দিয়েছেন 'অনুমতি লাগে না।' অথচ প্রখ্যাত স্থপতিরা সবাই একবাক্যে এ ধরণের কাজকে অপরাধ বলে মনে করেন। দেশের বেশিরভাগ মানুষ যেখানে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। যে দেশে বিদ্যালয়, হাসপাতাল ইত্যাদির অভাব। সেখানে শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য ৪০০ কোটি টাকা খরচ করাকে কি শুধুমাত্র অপচয় বলা যায়? এই টাকা দিয়ে কতগুলো হাসপাতাল বা বিদ্যালয় বানানো যেত, তার হিসাব কে করবে? এই লোক কি দেশকে - দেশের জনগণকে ভালোবাসে?&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলোর খবরে প্রকাশ&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;ভারতের আগ্রার তাজমহলের অনুকরণে সম্পুর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ তাজমহল নির্মাণ করেছেন শিল্পপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক আহসান উল্লাহ মনি। উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাব গ্রামে ১২ বিঘা জমির ওপর প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে "বাংলার তাজমহল"।&lt;br /&gt;বাংলার তাজমহলের মূল ভবনের ভেতরে ও বাইরে স্থাপন করা হয়েছে ইতালি থেকে আনা মূল্যবান পাথর ও টাইলস। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এতে বসানো হয়েছে বেলজিয়াম থেকে আনা ১৭২টি হীরক খন্ড। এ ছাড়া গম্বুজের ওপর চাঁদ-তারা তৈরির জন্য চার মণ ওজনের ব্রোঞ্জ ব্যবহার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;সরেজমিনে দেখা গেছে, টুকিটাকি কিছু কাজ বাদে তাজমহলটির নির্মাণ প্রায় শেষ হয়েছে। এর চত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে পর্যটকদের জন্য আধুনিক মোটেল।&lt;br /&gt;আহসান উল্লাহ মনি জানান, সম্রাট শাহজাহানের অনন্য কীর্তি তাজমহল দেখতে ১৯৮০ সালে তিনি ভারতের আগ্রায় গিয়েছিলেন। তাজের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এর আদলে নিজ দেশে একটি স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, "সম্রাট শাহজাহানের সম্মানে আমি তাজমহল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিই। ২০০৩ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুধু আদলে নয়, আকারেও এটি মূল তাজমহলের সমান।"&lt;br /&gt;প্রমাণ আকারের অনুকৃতি তৈরির জন্য ভারত সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না−এ প্রশ্নের জবাবে আহসান উল্লাহ মনি বলেন, "এ জন্য অনুমতি লাগে না।" তিনি বলেন, "ভারত থেকে কেনা তাজমহলবিষয়ক একটি বই থেকে এর নকশা নেওয়া হয়েছে। স্থপতি হানিফের তত্ত্বাবধানে বাংলার তাজমহল নির্মিত হয়েছে।"&lt;br /&gt;বিশ্ব ঐতিহ্যভুক্ত কোনো স্থাপত্য নিদর্শনের প্রমাণ আকারের নকল করা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এভাবে অনুকৃতি করা নীতিগতভাবে বৈধ নয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগে। তবে কেউ গবেষণার জন্য বা শখের বশে ছোট করে অনুকৃতি তৈরি করতে পারেন। মোবাশ্বের হোসেনের মতো একই মন্তব্য করেন ঢাকার ঐতিহ্য তালিকা প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান স্থপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ।&lt;br /&gt;শিল্পপতি মনি আশা করেন, বাংলার তাজমহলটি সোনারগাঁয়ে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এতে এখানকার অর্থনৈতিক অবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, ১০০ বিঘা জমিজুড়ে গোটা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এখানে থাকবে বিনোদন ও শুটিং স্পট। এ ছাড়া থাকবে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভাস্কর্য।&lt;br /&gt;তাজমহল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। প্রাথমিকভাবে প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৫০ টাকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চিন্তা করুন। শিল্পপতি ব্যবসায়িক দিকটাই শুধু ভেবেছে। নৈতিক দিকটার কথা তার মাথাতেই আসেনি।&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;খবরের &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MjA1MzM="&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-5087354793339036204?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/5087354793339036204/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_09.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5087354793339036204'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5087354793339036204'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_09.html' title='সম্পদের কি অপচয়!!'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST1Jyl5fO1I/AAAAAAAABSE/tC9UBH4M1s0/s72-c/btajmahal.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3958649480302317663</id><published>2008-12-08T05:13:00.000-08:00</published><updated>2008-12-08T05:20:23.163-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্যক্তিগত'/><title type='text'>এই দুটো সলভ করতে হবে</title><content type='html'>দুটো সমস্যা পেলাম। সময় নিয়ে সলভ করতে হবে। আপাতত: দেখে মনে হচ্ছে, কঠিন হবে। কিন্তু তারপরও সমাধান না করে ছাড়ছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দাবার জন্য সব ছাড়তে পারি। কিন্তু ইদানীং আর সময় হচ্ছে না। কিন্তু এই দুটো তো মনে হচ্ছে হেভ্ভী জটিল। না ছাড়া যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST0eFgTCFBI/AAAAAAAABQw/cFHh6YK8eBk/s1600-h/caruana_berg.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST0eFgTCFBI/AAAAAAAABQw/cFHh6YK8eBk/s400/caruana_berg.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5277407418266031122" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST0eFuO4CmI/AAAAAAAABQo/SjLr-ebAFTk/s1600-h/FischerQb3.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST0eFuO4CmI/AAAAAAAABQo/SjLr-ebAFTk/s400/FischerQb3.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5277407422006692450" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3958649480302317663?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3958649480302317663/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_08.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3958649480302317663'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3958649480302317663'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_08.html' title='এই দুটো সলভ করতে হবে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/ST0eFgTCFBI/AAAAAAAABQw/cFHh6YK8eBk/s72-c/caruana_berg.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-873441843363097481</id><published>2008-12-04T03:33:00.000-08:00</published><updated>2008-12-04T03:35:44.962-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>মহাপণ্ডিতদের জন্য ভিডিও</title><content type='html'>যারা ইসলাম ধর্মকে শান্তির ধর্ম মনে করেন, তাদেরকে এই ভিডিওটি দেখার অনুরোধ করছি। ভিডিওটি সম্পূর্ণ ২.৫০ মিনিটের। প্রথম ১.৩০ মিনিট দেখলেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/qUXq77uNg_g&amp;hl=en&amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/qUXq77uNg_g&amp;hl=en&amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-873441843363097481?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/873441843363097481/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_04.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/873441843363097481'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/873441843363097481'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post_04.html' title='মহাপণ্ডিতদের জন্য ভিডিও'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4686792896021294211</id><published>2008-12-02T08:00:00.000-08:00</published><updated>2008-12-02T18:14:33.562-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>মুক্তিসেনা ব্লগের একটি আবেদন</title><content type='html'>মুক্তিসেনা ব্লগে একটি &lt;a href="http://muktisena.blogspot.com/2008/12/blog-post.html"&gt;আবেদন জানানো হয়েছে&lt;/a&gt;। যারা মহান মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেন, তারা তাদের নিজ নিজ ব্লগে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করুন। অন্তত: এই ডিসেম্বর মাসে প্রত্যেকের ব্লগে যদি আমরা বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে পারি, তাহলেও দেশের পতাকাকে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া যায়। আর এর মাধ্যমে রাজাকার, জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে তীব্রভাষায় প্রতিবাদ প্রকাশ করাও হবে। মুক্তিসেনাতে স্বাধীন বলেছেন&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;সাধারণত আমরা বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হয়। এ বিষয়ে আমাদের কারও মধ্যে কোন মতভেদ নেই। সারা বিশ্বেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে অফিসে, বাসা-বাড়িতে, গাড়িতে পতাকা উত্তোলনের রেওয়াজ আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা আমাদের নিজেদের ব্লগগুলোতেও ডিসেম্বর মাসকে সামনের রেখে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারি। ডিসেম্বর মাসে একাধিক দিন আছে যেদিনগুলোতে আমরা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের সামনে সরকারি নিয়ম মতো আমাদের প্রিয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবো। তাহলে ব্লগে কেন পতাকা প্রদর্শন করবো না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাস্তব জীবনের মতো ব্লগেও আমরা পতাকা উত্তোলন করতে পারি। এজন্য সবার জন্য পতাকার একটি লিংক দিয়ে দিলাম। আপনারা নিজেদের ব্লগে এই লিংক ব্যবহার করে পতাকাটি প্রদর্শন করতে পারেন। কিংবা নিজেদের কোন হোস্টিংয়ে পতাকাটিকে আপলোড করেও ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;ডাইরেক্ট লিংক: http://i37.tinypic.com/6h6xhz.jpg&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;মুক্তিসেনা ব্লগের আবেদনকে সথর্থন করে আমিও বলছি, আপনারা যারা ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ব্লগ খুলেছেন, তারা নিজনিজ ব্লগে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করুন। দেশকে তুলে ধরুন অনলাইনের দিগন্তে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4686792896021294211?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4686792896021294211/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4686792896021294211'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4686792896021294211'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/12/blog-post.html' title='মুক্তিসেনা ব্লগের একটি আবেদন'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-6226390475562702588</id><published>2008-11-30T01:03:00.000-08:00</published><updated>2008-11-30T01:24:08.096-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভণ্ডামী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বদমাশী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>শালাদের সাহস কত?</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STJY7O5QL5I/AAAAAAAABP4/5jJX6BwMScY/s1600-h/balaka1.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 137px; height: 200px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STJY7O5QL5I/AAAAAAAABP4/5jJX6BwMScY/s200/balaka1.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5274375888238030738" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;শালা মোল্লাদের সাহস দেখে অবাক হই। এরা নিজেদেরকে কি মনে করে? তারা কি দুনিয়ার সব কিছু জেনে ফেলেছে নাকি? অবশ্য তাদের দোষ দিয়েই বা কি হবে? তাদের ধর্ম তাদেরকে যা শেখাচ্ছে তাই করছে। এত কথা বলছি আজকের একটা খবর পড়ে। কিছুদিন আগে ইসলামপ্রেমী জনগণরা বিমানবন্দরের সামনের 'লালন ভাস্কর্য' ভেঙে ফেলে। সরকার অবশ্য এর একটা সাফাই দিয়েছে। বলা হয়েছে যে ডিজাইন পছন্দ হয়নাই বলে ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এবার কি বলবে সরকার? বিডি নিউজ ২৪ এর খবরে পড়লাম---&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;ঢাকা, নভেম্বর ২৯ (&lt;a href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&amp;amp;id=39293&amp;amp;hb=1"&gt;বিডিনিউজ &lt;/a&gt;টোয়েন্টিফোর ডটকম)- 'বলাকা' ভাস্কর্য শনিবার রাতে ভাংচুর চালিয়েছে উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত নামে ইসলামী একটি সংগঠনের কর্মীরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রত্যক্ষদর্শীরা জানি&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STJYQCZLBCI/AAAAAAAABPw/88q3uIehnbw/s1600-h/Balaka.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 134px; height: 200px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STJYQCZLBCI/AAAAAAAABPw/88q3uIehnbw/s200/Balaka.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5274375146147873826" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;য়েছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকার ভাস্কর্যটির ওপর শাবল, হাতুড়ি, হামানদিস্তা নিয়ে হামলা চালায় শতাধিক আল বাইয়্যিনাত কর্মী। তারা বলাকা ভাস্কর্যের ছয়টি বকের মূর্তির ১২টি পা-এর পলেস্তারা খসিয়ে দেয়। পরে পুলিশি বাধার মুখে তারা পিছু হটে। ........&lt;br /&gt;প্রত্যক্ষদর্শী এলিফ্যান্ট রোডের দোকান কর্মচারী গুলজার হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "পাঞ্জাবি পরা টুপি মাথায় প্রায় শ'খানেক লোক রাত সাড়ে ৯টার দিকে বলাকা ভাস্কর্যের ওপর চড়াও হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন ভাস্কর্যের ওপরে উঠে বকের গলায় দড়ি বাঁধে। বাকিরা সেই দড়ি নিয়ে টানাটানি করতে থাকে। আর কয়েকজন হাতুড়ি, শাবল দিয়ে বকের মূর্তিগুলোর ভিত্তি (পা) ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছিল।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"ওই সময় কয়েকজন পুলিশ গিয়ে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালালে তারা পুলিশের ওপরও চড়াও হয়।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মো. শাওন জানান, হামলার শুরুতে ওই এলাকায় থাকা স্বল্প সংখ্যক পুলিশ সদস্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিপেটা করে ভাংচুরকারীদের হটিয়ে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাঙচুরকারীরা একটি লিফলেটও ছড়িয়ে দেয়। যাতে দেশ থেকে সব ভাস্কর্য, ছবি, মূর্তি ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।  ............&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিনিধি জানান, মতিঝিলে লাঠিপেটায় আহত আল বাইয়িন্যাতের আট কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রাত ১১টার দিকে তাদের পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে নেওয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরা হলেন, মো. হাসিবুর রহমান (২৮), মুফতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০), শাহ নেওয়াজ দীপু (৩০), মোহাম্মদ বিল্লাল (৪০), আব্দুল বারী (৩২), জিয়াউর রহমান (৩২), আরাফাত (২৩) ও মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী (৫১)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মুফতি জাহাঙ্গীর বলে, আল্লাহর হুকুম জারির জন্যই তারা ভাস্কর্যটি ভাঙতে গিয়েছিলেন।&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধন্যবাদ মুফতি জাহাঙ্গীর সত্য কথাটা প্রকাশ করে দেয়ার জন্য। যারা ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলে প্রচারের অপচেষ্টা করে তাদের মুখে তুমি লাথি দিতে পেরেছে। আসলেই তো তোমার কি এমন ঠেকা পড়েছে যে বলাকা ভাঙতে যাবে। বলাকা বা বাউল ভাস্কর্য ভাঙলে তো তার ব্যক্তিগত ক্ষতি নেই।&lt;br /&gt;এছাড়াও সরকার এদেরকে এই মুহূর্তে ঘাটাতে চাচ্ছে না। নির্বাচিত সরকারের উপর এদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার ছেড়ে দিচ্ছে। সেজন্য বাউল ভাস্কর্য নিয়ে সরকার কোন হার্ডলাইনে যায় নাই।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28875972#comments"&gt;ফয়সল নোইয়ের&lt;/a&gt; ব্লগে দেখলাম মোল্লারা শাহবাগ মোড়ের নজরুলের মুর‌্যালটিকেও ভাঙার জন্য রওনা দিয়েছিল। কিন্তু পুলিশের বাধার মুখে সেখানে পর্যন্ত যেতেই পারেনি। এটাই স্বাভাবিক। এটাই হওয়া উচিত। মূর্তি হল কৃত্রিম কাঠামো। আর পূজা হলো ভালবাসা। তা সে যেভাবেই করুক না কেন।&lt;br /&gt;উল্লেখ্য যে মতিঝিল এলাকায় ১৯৮৯ সালে ৪১ ফুট উচ্চতার বলাকা ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-6226390475562702588?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/6226390475562702588/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_30.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6226390475562702588'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6226390475562702588'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_30.html' title='শালাদের সাহস কত?'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STJY7O5QL5I/AAAAAAAABP4/5jJX6BwMScY/s72-c/balaka1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1968503499854627625</id><published>2008-11-28T06:34:00.003-08:00</published><updated>2008-11-28T06:50:15.941-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>মুক্তমনায় রানা ফারুক ঝড় তুলেছে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STACBVuV-6I/AAAAAAAABO4/sTDVgfePGUs/s1600-h/rana_faruk.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 400px; height: 316px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STACBVuV-6I/AAAAAAAABO4/sTDVgfePGUs/s400/rana_faruk.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5273717385685498786" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic; color: rgb(51, 51, 255);"&gt;(রানা ফারুকের চিঠি। মুক্তমনা থেকে নেয়া )&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;মুক্তমনা ওয়েব সাইটে পাবনা থেকে জনৈক রফিক একটা চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে সে বলেছে যে  &lt;a href="http://mukto-mona.com/"&gt;মুক্তমনা ওয়েব সাইটের&lt;/a&gt; বিভিন্ন লেখা পড়ে সে ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ধর্মের অসারতা বুঝতে পেরেছে। সে ইসলাম ধর্মের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে। কিন্তু এতদিন যা শিখেছে তা যে ভুল ছিল সেকথা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পেরেছে একমাত্র মুক্তমনা।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;২০০২ কি ২০০৩ সাল থেকে মুক্তমনা ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। ইতিমধ্যে এই সাইটে কয়েক হাজার লেখা রয়েছে। এর সবগুলো লেখাই যে মুক্তচিন্তা সহায়ক তা নয়। অনেক লেখা আছে যেগুলো উপন্যাস বা গল্প বা কবিতা। আবার সাহিত্য আলোচনা, সমকালীন রাজনীতি ইত্যাদি নিয়েও মুক্তমনা অনেক লেখা প্রকাশ করেছে। তবে এই সাইটের প্রধান চেষ্টা হলো মুক্তচিন্তাকে গতিশীল করা। উদারতা, মানবতা, বিজ্ঞানমনস্কতাকে তুলে ধরা। মানুষের মন থেকে কুসংস্কারের দেয়াল ভেঙ্গে যাক, মানুষ অন্ধতার বেড়াজাল থেকে মুক্ত হোক - মুক্তমনার উদ্দেশ্য এটাই। তারা কতটা সফল হয়েছে, তা ভবিষ্যত থেকে জানা যাবে। কিন্তু এই মুহূর্তে রানা ফারুক যে স্বীকৃতি প্রদান করলো, তার মূল্য অপরিসীম। রানা ফারুকের মতো অসংখ্যজন আছে, যারা নিয়মিত মুক্তমনা সাইট ভিজিট করে। আমিও তার মধ্যে একজন। আমিও মুক্তমনায় প্রকাশিত লেখাগুলি থেকে অনেককিছু জানতে পেরেছি। নানা রকমের বিতর্কগুলো থেকে সঠিক তথ্য বুঝতে পেরেছি। নিজের মনের ভাবনা মিশিয়ে উপলব্ধি করেছি সত্য। রানা ফারুককে অভিনন্দন। বুকের মধ্যে চেপে থাকা ধর্মের বোঝা থেকে তার মুক্তিকে সেলিব্রেট করছি।&lt;br /&gt;মুক্তমনায় রানা ফারুকের &lt;a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=243"&gt;চিঠির লিংক&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মধ্যে অগ্নিভাই রানা ফারুকের চিঠির উত্তরে দেওয়া বইয়ের নামগুলো দিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন। অগ্নিকে ধন্যবাদ। এই বইগুলোর নাম বিক্ষিপ্তভাবে আমরা হয়তো জানি। সবগুলো তো আর জানিনা। তা জানা সম্ভবও নয়। কিন্তু একখানে থাকলে, অনেকের মতের প্রকাশ ঘটলে তথ্যগুলো পাওয়া সহজ হয়। অগ্নিকে বইগুলোর তালিকা একখানে করে প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অগ্নিসেতুতে &lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/2008/11/blog-post_7656.html"&gt;বইয়ের তালিকার লিংক&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1968503499854627625?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1968503499854627625/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_28.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1968503499854627625'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1968503499854627625'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_28.html' title='মুক্তমনায় রানা ফারুক ঝড় তুলেছে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/STACBVuV-6I/AAAAAAAABO4/sTDVgfePGUs/s72-c/rana_faruk.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-5781082239502649030</id><published>2008-11-14T07:50:00.000-08:00</published><updated>2008-11-19T00:42:50.107-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভণ্ডামী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বদমাশী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামী'/><title type='text'>মুরতাদ উদীচী</title><content type='html'>এই লিফলেটটি হস্তগত হইল। পাঠ করিয়া বহুত বিমলানন্দ পাইলাম। পাঠক সাধারণের সুবিধার্থে লিফলেটটি ব্লগস্থ করিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অবমাননাকারী &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-size:170;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;উদীচী মুরতাদ গং&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-style: italic; font-weight: bold;"&gt;নবীজীকে 'কুত্তার বাচ্চা মুহম্মদ' বলে বার বার অশ্লীল গালি প্রদান করেছে রাবিতে মঞ্চস্থ মান্দার নাটকে। দুঃখ প্রকাশ ও প্রকাশ্য তওবা করার পরিবর্তে উল্টো চরম স্পর্ধামূলক ঘোষণা দিয়েছে- মুসলমানদেরকে শহীদ করার ও পুনরায় ঐ মুরতাদী নাটক মঞ্চস্থ করার ও প্রচার করার অতএব, দেশবাদী মুসলমান! ঐ কুখ্যাত উদীচী মুরতাদ গংদের ইসলামী শাস্তি-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt; &lt;span style="font-size:200;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;'মৃত্যুদণ্ড' বাস্তবায়নে একজোট হোন&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ঈমান রক্ষা করুন, মুসলমান থাকুন, দেশ বাঁচান।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুহতারাম দেশবাসী,&lt;/span&gt; আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।&lt;br /&gt;আপনারা অবগত আছেন যে, গত ৩রা নভেম্বর/ ২০০৮ "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী কর্তৃক প্রদর্শিত 'মান্দার' নামক নাটকে একটি ব্যঙ্গ চরিত্রের নাম রাখা হয় 'মোহাম্মদ রাসুল'। নাটকের মধ্যে মোহাম্মাদ রাসুলের চরিত্রকে ব্যঙ্গ করে অধিকাংশ দৃশ্যে 'এই কুত্তার বাচ্চা মোহাম্মদ রসূল' বলে গালি দিয়ে তার চরিত্রটিকে চামচা হিসেবে ব্যবহার করা হেযেছে( নাউযুবিল্লাহ। যা দ্বারা মূলতঃ ইসলাম ধর্মের প্রাণপুরুষ মোহাম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাল্লামকেউ বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;এর দ্বারা দেশের ৯৫ ভাগ মুসলমান অর্থাৎ প্রায় ১৫ কোটি মুসলমানসহ মূলতঃ বিশ্বের ২৫০ কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে। কারণ, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুহব্বতই হলো ঈমান ও ইসলাম এবং মুসলমানের মূল। আমরা 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম' বলেই মুসলমান হয়েছি। আর কাফির মুরতাদরা সে কথা জেনে শুনেই সম্পূর্ণ বিদ্বেষপরায়ণমূলকভাবে তাদের প্রদর্শিত নাটকে ও রচিত সাহিত্যে আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর অবমাননা করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অবমাননা করে ব্রিটিশ আমলে এরকম এক মুরতাদ 'রঙ্গীলা রসূল' নামক বিদ্রুপাত্মক বই লিখেছিলো। তখন একজন মর্দে মুজাহিদ তাকে কতল করে ইসলামে বর্ণিত মুরতাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করেন। কোর্টে উকিল তাকে একটু মিথ্য বলার জন্য অনুরোধ করলে সে জবাব দেয়, "আমি দেখতে পাচ্ছি দয়ার নবীজী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে জান্নাতে আহ্বান করছেন। সুতরাং আমার মিথ্যা বলার দরকার নেই"। (সুবাহানাল্লাহ)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুহতারাম মুসলমান,&lt;/span&gt; কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, "যে ক্বওম মহান আল্লাহ পাক ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে ক্বওম কখনও মুহব্বত করবে না, সম্পর্ক রাখবে না ঐ ব্যক্তিদের সাথে-যারা মহান আল্লাহ পাক-এর পেয়ারা রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, বিরোধিতা করে, মানহানি করার কোশেশ করে। যদিও বিরোধিতাকারীরা ঈমানদারদের পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী, সন্তান-সন্তুতি, নাতী-নাতনী, ভাই-ভাতিজা, আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী যেই হোক না কেন। (বরং তারা অবশ্যই এর বদলা নিবে)। কারণ, তাদের অন্তরে ঈমানকে লিপিবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে।" &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(সুরা মুজাদালা/২২)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরো ইরশাদ হয়েছে, "তোমরা তাদেরকে কতল কর, যারা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর প্রতি ঈমান আনে না।" (সুরা আলে ইমরান)&lt;br /&gt;আরো ইরশাদ করেন, "কাফির-মুশরিকদেরকে কতল করুন, যেখানেই পান তাদেরকে পাকড়াও করুন, আবদ্ধ করুন এবং তাদেরকে কতল করার সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যদি তারা তওবা করে, নামায কায়িম করে, যাকাত আদায় করে তবে তাদেরকে ছেড়ে দিন। আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল, দয়ালু।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুহতারাম মুসলমান,&lt;/span&gt; ইসলামের দৃষ্টিতে মুরতাদদের তওবার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ দিন। অথচ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধূমকেতু নাট্য সংসদের 'মান্দার' নামক নাটকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম মুবারক ব্যঙ্গ চরিত্রে ব্যবহার এবং তাঁর প্রতি বারবার চরম অশ্লীল গালি প্রদানকারীসহ সংশ্লিষ্ট সময়ের নিকৃষ্ট মুরতাদরা কেউ এখনও তওবা করেনি। &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দুঃখ প্রকাশ ও প্রকাশ্য তওবা করার পরিবর্তে উল্টো চরম স্পর্ধামূলক ঘোষণা দিয়েছে মুসলমানদেরকে শহীদ করার এবং পুনরায় ঐ মুরতাদী নাটক মঞ্চস্থ করার ও প্রচার করার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাজেরই এসব মুরতাদদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া বাংলাদেশ সরকারসহ দেশের ১৫ কোটি মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। যদি সরকার এ সকল মুরতাদদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিতে ব্যর্থ হয় তবে মহান আল্লাহ পাক ও তাঁর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর নিকট তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুহতারাম মুসলমান,&lt;/span&gt; হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, "যখন কোন অন্যায় হতে দেখ- হাত দিয়ে বাধা দাও। না হলে মুখে বলো।" কাজেই যাদের হাত দিয়ে বাধা দেয়ার সুযোগ নেই তারা তাহলে ঐ মুরতাদদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানার প্রতিবাদে মামলা করুন। মুরতাদদের বিষদাঁত ও কালো থাবা ভেঙ্গে দিন। ইসলামের উপর আঘাতের জবাব দিন। মুসলমানের ঈমান রক্ষা করুন। 'লা-ইলাহা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম' এই কলেমা বলার হক্ব আদায় করুন। প্রকৃত মুসলমান হোন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্মর্তব্য যে, হাদীছ শরীফ- এ ইরশাদ হয়েছে, রসুলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- "আমি এসেছি মূর্তি এবং বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করতে" অথচ লালনের মূর্তি ভাঙ্গার কারণে উদীচী মুরতাদ গোষ্ঠী যে অশ্লীল এবং অশ্রাব্য নাটক করেছে এতে দেশবাসীর উচিৎ সমস্ত মূর্তি এবং ভাস্কর্য ধ্বংস এবং নিশ্চিহ্ন করে দেয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বিঃ দ্রঃ এ লিফলেটটি ফটোকপি করে বা ছাপিয়ে বেশী বেশী প্রচার করে ছদক্বায়ে জারিয়ার ফযীলত হাছিল করুন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত, বাংলাদেশ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;৫, আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা- ১২১৭।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-5781082239502649030?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/5781082239502649030/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_14.html#comment-form' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5781082239502649030'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/5781082239502649030'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post_14.html' title='মুরতাদ উদীচী'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3184223556581127478</id><published>2008-11-02T07:16:00.000-08:00</published><updated>2008-11-02T07:26:48.523-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বদমাশী'/><title type='text'>আমরা এখন নকল দুধও তৈরি করতে পারি</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQ3EbdofjwI/AAAAAAAABIc/vyXP8Zwl9YM/s1600-h/milk.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 200px; height: 160px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQ3EbdofjwI/AAAAAAAABIc/vyXP8Zwl9YM/s200/milk.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5264079515555958530" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;বাঙালির বুদ্ধির বলিহারি যাই। আসল জিনিসের কোন খোঁজ নাই, কিন্তু নকল জিনিস বানাতে ওস্তাদ। ৩১ অক্টোবর ২০০৮ তারিখের প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/archive/news_details_home.php?dt=2008-10-31&amp;amp;issue_id=1088&amp;amp;nid=MTk3MTk="&gt;&lt;/a&gt; খবরে জানা গেল যে পাবনা, সিরাজগঞ্জ এলাকায় নকল দুধ তৈরি হচ্ছে। সেখানকার দুধ ব্যবসায়ীরা আসল দুধ থেকে ছানা তৈরি করার পর ফেলে দেয়া ছানার পানিতে নানারকম রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি করছেন। কি ভয়ানক, আতঙ্কজনক খবর। দুধ সাধারণত শিশুরাই খায়। শহরাঞ্চলে যাদের গরু পালবার কোনরকম উপায় নাই, তারাই বাজার থেকে দুধ কিনে শিশুকে খাওয়ায়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;কিছুদিন আগে সারা পৃথিবীর সাথে সাথে বাংলাদেশেও মেলামাইন মিশ্রিত গুড়ো দুধ নিয়ে তোলপাড় হয়ে গেল। এই দূষিত গুড়োদুধগুলো আনা হতো বিদেশ থেকে। দেশীয় নকলবাজরা এই খবরে বোধহয় অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই নিজেরাই দুধ নকল করতে আরম্ভ করে দিয়েছেন। আমরা মানুষকে আসল দুধ খাওয়াতে না পারি, ভেজাল ও নকল দুধ যে খাওয়াতে পারছি এতেই আমাদের তৃপ্তি। আমরা কি কম পারি নাকি? আমাদের ঘটে কি যথেষ্ট বুদ্ধি নেই, যে বিদেশ থেকে খারাপ দুধ এনে শিশুদেরকে খাওয়াতে হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই খবরে আমি অবশ্য অতটা দুঃখিত হচ্ছি না। কারণ আমরা ভেজাল ও নকল জিনিষ খেতে অভ্যস্ত। বরং আসল জিনিস খেলেই আমাদের পেট খারাপ হয়। আমরা কার্বাইড মেশানো আম, রাসায়নিক রং মেশানো খাবার, মবিলে ভাজা পিয়াজু, সিঙ্গারা, পাথর বালি মেশানো চাল-ডাল না খেতে পারলে বরং মনঃক্ষুন্ন হই। আমাদের দেশের কর্ণধাররা আমাদেরকে এমন সহনশীল করেই তৈরি করেছেন। আমাদের সন্তানরাও এসব খেয়ে অভ্যস্ত। তাদের জীবনীশক্তি অত দুর্বল নয় যে সামান্য নকল দুধ খেয়ে পটল তুলবে।&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ৩১ অক্টোবর, ২০০৮। &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/archive/news_details_home.php?dt=2008-10-31&amp;amp;issue_id=1088&amp;amp;nid=MTk3MTk="&gt;লিংক&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3184223556581127478?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3184223556581127478/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3184223556581127478'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3184223556581127478'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/11/blog-post.html' title='আমরা এখন নকল দুধও তৈরি করতে পারি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQ3EbdofjwI/AAAAAAAABIc/vyXP8Zwl9YM/s72-c/milk.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-6906570769619353960</id><published>2008-10-31T06:12:00.000-07:00</published><updated>2008-10-31T06:34:46.141-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>মুসলিম দেশের ভাস্কর্য</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsEcI7p0NI/AAAAAAAABHM/BJDsu2eqCHA/s1600-h/muslim_statue.gif"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 241px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsEcI7p0NI/AAAAAAAABHM/BJDsu2eqCHA/s320/muslim_statue.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263305470993092818" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আজকের সমকাল পত্রিকায় &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুসলিম দেশের যত ভাস্কর্য&lt;/span&gt; নামে একটি রচনা প্রকাশিত হয়েছে। এই রচনায় মুসলিমদেশগুলোতেও যে মানুষের মূর্তি বা ভাস্কর্য রয়েছে এই বিষয়ে বলা হয়েছে। এই ভাস্কর্যগুলো বিষয়ে সেইসব দেশের মুসলিম নেতারা যে কোন নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া দেখান না সেই কথাটাই রচনার মূল বিষয়।&lt;br /&gt;রচনাটি সম্পূর্ণ নিম্নরূপ। লিখেছেন: আজাদুর রহমান চন্দন।&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;সম্প্রতি এক ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে গেল বাংলাদেশে। একদল (মাত্র শ’ দেড়েক) সাম্প্রদায়িক উগ্রপন্থির আপত্তির মুখে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে ‘অচিন পাখি’ নামের নির্মাণাধীন বাউল ভাস্কর্য ভেঙে সরিয়ে ফেলেছে সরকার। এ নিয়ে সঙ্গত কারণেই গত দু’সপ্তাহ ধরে দেশের নানা স্থানে নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন অসাম্প্রদায়িক শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী ক্ষুদ্র গোষ্ঠীটি হুঙ্কার ছাড়ছে- তারা ক্ষমতায় গেলে নাকি দেশের সব ভাস্কর্য, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার ভেঙে ফেলবে; নিভিয়ে দেবে ‘শিখা চিরন্তন’ ও ‘শিখা অনির্বাণ’।&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsHhypXboI/AAAAAAAABHU/DtLcAgP71GI/s1600-h/ferdowsi.gif"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 226px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsHhypXboI/AAAAAAAABHU/DtLcAgP71GI/s320/ferdowsi.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263308866624908930" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে স্বার্থান্বেষী ধর্ম ব্যবসায়ী এ চত্রক্রটি বরাবরই মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে আসছে। অথচ স্থাপত্য-ভাস্কর্য এসবের সঙ্গে ধর্মের কোনো বিরোধ দেখা যায় না বাস্তবে; বরং দেশে দেশে স্থাপত্য-ভাস্কর্য নির্মাণে মুসলমানদের অবদানও রয়েছে যথেষ্ট। এ উপমহাদেশের অধিকাংশ খ্যাতনামা স্থাপত্যই মুসলমান শাসকদের সৃষ্টি। শুধু তা-ই নয়, ইরান, ইরাক, মিসর, সিরিয়াসহ অনেক মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য রয়েছে। আফগানিস্তানে তালেবান জঙ্গিরা যখন বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস করে, তখন ইরানের পার্লামেন্ট তার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right; color: rgb(204, 0, 0);"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ইরানে কবি ফেরদৌসী তুসীর ভাস্কর্য&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;যে যুক্তি দিয়ে এ দেশের মৌলবাদীরা ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে, সে যুক্তিতে কিন্তু মানুষের ছবি তোলাটাও ঠিক নয়। অথচ বাস্তবে ওই মৌলবাদীরাও ছবি তুলছেন নিজের স্বার্থে। এমনকি কট্টর রক্ষণশীল মুসলিম দেশ সৌদি আরবে খেলনা পুতুল বিক্রি হয় বৈধভাবেই। ওই পুতুল সে দেশে খুবই জনপ্রিয়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;ইরান, মিসর, ইরাকের জাদুঘরে অসংখ্য ভাস্কর্য এবং প্রাচীন শাসক ও দেব-দেবীর মূর্তি তো রয়েছেই, সেসব দেশে উন্মুক্ত স্থানে রয়েছে অনেক ভাস্কর্য। ইরানে আছে একটি বিশাল স্বাধীনতাস্তম্ভ, যার নাম ‘আজাদী’। এ স্থাপত্যটির ডিজাইনার হোসেন আমানত একজন মুসলমান। কবি ফেরদৌসী, ওমর খৈয়াম, পারস্যের নেপোলিয়ন বলে খ্যাত নাদির শাহ্‌র মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিদের ভাস্কর্য রয়েছে ইরানে। মাশহাদ নগরীতে ভাস্কর্যসংবলিত নাদির শাহ্‌র সমাধিসৌধটি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইরানের রাজধানী তেহরানে দু’বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় সমকালীন ভাস্কর্য প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা। সর্বশেষ ও পঞ্চম দ্বিবার্ষিক প্রদর্শনীটি হয়েছে গত ফেব্রুয়ারি মাসে। এতে ১০৫ জন শিল্কপ্পীর ১১২টি ভাস্কর্য ঠাঁই পায়। তেহরান মিউজিয়াম অব কনটেম্পরারি আর্টসে আয়োজিত এ প্রদর্শনী স্পন্সর করে সে দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইরানের মাজানদারান প্রদেশে প্রতি বছর আয়োজন করা হয় বালির তৈরি ভাস্কর্য প্রদর্শনীর। এটি একটি উৎসব- স্যান্ড স্কাল্পচার ফেষ্টিভ্যাল। ২০০৫ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর মাজানদারান প্রদেশের বাবলসার নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় বালির তৈরি ভাস্কর্যের প্রথম প্রদর্শনী। দ্বিতীয়বার হয় ২০০৬ সালের ৬ থেকে ২১ আগষ্ট বাবলসার, সারি ও রামসার নগরীতে। এতে ২৭৫টি ভাস্কর্য ঠাঁই পায়। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে মাজানদারান প্রদেশে বালির তৈরি ভাস্কর্যের সপ্তাহব্যাপী তৃতীয় জাতীয় প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রভিন্সিয়াল কালচার অ্যান্ড ইসলামিক গাইডেন্স ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পিরামিডের জন্য দুনিয়াজোড়া খ্যাতি মিসরের। বিরাটত্বের দিক থেকে বিখ্যাত হলো জোসার বা স্টেপ (সোপান) পিরামিড ও গিজা পিরামিড। পাথরের তৈরি স্ফিংসের মূর্তিসংবলিত গিজা পিরামিড সারা দুনিয়ার পর্যটকদের অতি প্রিয়। শুধু ইসলামপূর্বই নয়, অনেক অনেককাল আগের তথা খ্রিস্টপূর্ব আড়াই হাজার অব্দের এসব মূর্তি মিসরের মুসলমানরা ধ্বংস করেনি, গর্বের সঙ্গে রক্ষা করে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে যে তালেবানরা বামিয়ানের জগদ্বিখ্যাত বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস করেছে তারা মৌলবাদী, বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের সঙ্গে তাদের মিল নেই। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে মাহমুদ মোখতারের বিখ্যাত ভাস্কর্য ‘মিসরের রেনেসাঁ’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইরাকেও আছে অনেক ভাস্কর্য। বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে ডানার ভাস্কর্যটি সবার নজর কাড়ে। বাগদাদের পাশে আল-মনসুর শহরে আছে মনসুরের একটি বিশাল ভাস্কর্য। আছে অনেক সাধারণ সৈনিকের ভাস্কর্য। সাদ্দাম হোসেনের বিশাল আকারের ভাস্কর্যটি মার্কিন আগ্রাসনের পর ভেঙে ফেলে সাদ্দামের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, যারা মার্কিন বাহিনীর মদদপুষ্ট। এটা ভাঙা হয় রাজনৈতিক কারণে, ধর্মীয় কারণে নয়।&lt;/span&gt;&lt;/blockquote&gt;সমস্ত লেখাটি পড়লে বোঝা যায় লেখকের একপেশে মনোভঙ্গির কারণে কিছুটা একপাক্ষিক হয়ে গেছে। পূর্ববর্তী উদাহরণগুলোর সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণ যতটুকু রয়েছে, তার তুলনায় ধর্মীয় কারণ রয়েছে ঠিক ততোটাই অনুপস্থিত।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমকাল, ৩১ অক্টোবর, ২০০৮&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-6906570769619353960?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/6906570769619353960/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_31.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6906570769619353960'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/6906570769619353960'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_31.html' title='মুসলিম দেশের ভাস্কর্য'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsEcI7p0NI/AAAAAAAABHM/BJDsu2eqCHA/s72-c/muslim_statue.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4422829369862132603</id><published>2008-10-24T07:27:00.000-07:00</published><updated>2008-10-29T00:03:29.352-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভণ্ডামী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বদমাশী'/><title type='text'>'প্রথম আলো ব্লগ'-এর নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQgKeXpyhxI/AAAAAAAABGE/uF_rOcPa0Gs/s1600-h/paloblog.png"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 189px; height: 88px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQgKeXpyhxI/AAAAAAAABGE/uF_rOcPa0Gs/s200/paloblog.png" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5262467681444071186" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;গত ২৩ তারিখে 'প্রথম আলো ব্লগ' অনলাইনে এসেছে। এর ঠিকানা http://prothom-aloblog.com/। প্রথম আলো পত্রিকা এই ব্লগটিকে কেন্দ্র করে তাদের নতুন পাঠকগোষ্ঠী তৈরি করতে চাচ্ছে। এখনও প্রথম আলো ব্লগ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নাই। এখানে রেজিস্ট্রেসন করতে হলে ইনভাইটেশন কোড থাকতে হয়। এটা হল 112121, এই কোড দিয়ে আপনাকে প্রথম আলো ব্লগে রেজিস্ট্রেসন করতে হবে। তাহলে কর্তৃপক্ষ একটি আমন্ত্রণলিপি পাঠাবে। সেখান থেকে আপনি ব্লগে সদস্য হতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইতিমধ্যে বাংলাব্লগদুনিয়ায় 'প্রথম আলো ব্লগ' নিয়ে সাড়া পড়ে গেছে। নতুনত্ব, আধুনিকতা ইত্যাদি নিয়ে এদের রয়েছে নানারকম অঙ্গীকার। কিন্তু নিয়মকানুনগুলো বেশ কড়া। পাঠকের সুবিধার্থে নিয়মকানুন সম্পূর্ণ নিচে তুলে দিলাম:-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'প্রথম আলো ব্লগ'-এ আপনাকে স্বাগত জানাই। 'প্রথম আলো ব্লগ'-এ নিবন্ধন করার সময় এর 'নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি' আপনারা পড়ে নেবেন। কেউ ব্লগে নিবন্ধন করলে ধরে নেওয়া হবে তিনি 'নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি' পড়ে তাতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। ব্লগে প্রকাশিত লেখার বক্তব্য, মত ও স্বত্ব লেখকের নিজস্ব। এ ব্লগে প্রকাশিত লেখার আইনগত বা অন্য কোনো দায়দায়িত্ব প্রথম আলো বহন করে না। 'প্রথম আলো ব্লগ'-এর উদ্দেশ্য মত প্রকাশের পরিসর বাড়ানো, সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহ দেওয়া, লেখক-পাঠক যোগাযোগের মাত্রা প্রসারিত করা। আমরা আশা করি, 'নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি' মেনে ব্লগাররা ইতিবাচকভাবে এসব সুযোগ ব্যবহার করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;ক) বাংলাদেশে প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;খ) কোনো লেখার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত আইন-কানুন লঙ্ঘন করা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;ক) দেশীয় বা দেশের বাইরের কোনো জাতি, গোষ্ঠী, ভাষা ও ধর্মের প্রতি অবমাননামূলক বা কারো অনুভূতিতে আঘাত দিতে পারে এমন কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;খ) বিবদমান দুই বা ততোধিক জাতি, গোষ্ঠী ও ধর্মের মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষের উস্কানি দিতে পারে এমন লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;গ) ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্ম, সংস্কৃতি, আচার, জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস বা ভাষাকে কটাক্ষ বা অবমাননা করে কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) প্রচলিত ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অনুসারে শ্রদ্ধেয় কোনো ব্যক্তিকে হেয় করে কোনো মন্তব্য করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঙ) কোনো জাতি, জনজাতি, গোষ্ঠী, জাতি-উৎস, লিঙ্গপরিচয়, বয়স, শ্রেণীপরিচয়, শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতা নিয়ে ঘৃণা বা অবমাননামূলক কোনো মন্তব্য প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;চ) ধর্মগ্রন্থের বাণী ত্রুটিপূর্ণভাবে উদ্ধৃত করা যাবে না। এমনভাবে ধর্মগ্রন্থের বাণী উদ্ধৃত করা যাবে না, যাতে ধর্ম বা বাণীর অসম্মান হয়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;ক) নারীর প্রতি অবমাননা, আক্রমণ ও নিপীড়নমূলক কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;খ) অশ্লীল ও অশালীন ইঙ্গিতপূর্ণ এমন কোনো শব্দ, বাক্য, ছবি, ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করা যাবে না, যা নারীকে হেয় করতে পারে।&lt;br /&gt;গ) নারী ব্লগারদের সঙ্গে কটাক্ষমূলক আচরণ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) ব্লগে পোস্ট দিয়ে কোনো নারী বা পুরুষকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রেম নিবেদন করা যাবে না। ব্যক্তিগত চিঠি দেয়া যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.&lt;br /&gt;ক) কোনো পর্নোগ্রাফিক ছবি, লেখা, তথ্য বা ভিডিও প্রকাশ করা যাবে না। কোনো পর্নোগ্রাফিক সাইটের লিংক দেওয়া যাবে না।&lt;br /&gt;খ) এমন কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না যা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অশ্লীল বা অশালীন বলে বিবেচিত হতে পারে।&lt;br /&gt;গ) অশালীন ইঙ্গিতপূর্ণ কোনো শব্দ, শব্দবন্ধ বা বাক্য ব্যবহার করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) স্নায়বিক চাপ তৈরি করতে পারে এমন কোনো বীভৎস, ভয়ংকর, অরুচিকর ছবি প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঙ) কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া/গোপনে তোলা কোনো ছবি প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;চ) বিকৃত করে, জোড়া লাগিয়ে পরিপ্রেক্ষিত পরিবর্তন করে কোনো ছবি প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.&lt;br /&gt;ক) কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অবমাননামূলকভাবে কোনো প্রাণীবাচক নাম দেয়া যাবে না।&lt;br /&gt;খ) সহব্লগারদের কিংবা ব্লগের বাইরের কাউকে গালিগালাজ করা যাবে না।&lt;br /&gt;গ) কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) এমন কোনো নাম বা ছদ্মনাম (ইউজার নেম বা নিক) ব্যবহার করা যাবে না যা অন্য ব্লগারের নামকে হেয় করে, সামাজিকভাবে কোনো প্রচলিত নামকে হেয় করে কিংবা সামাজিক-সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অশালীন মনে হয়।&lt;br /&gt;ঙ) হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কারো ব্যক্তিগত তথ্য ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;চ) অন্য কারো জাতীয় পরিচয়পত্র, ক্রেডিট কার্ড, পাসপোর্ট নম্বর প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ছ) অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ঠিকানা বা ফোন-ফ্যাক্স নম্বর ইত্যাদি প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;জ) ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্র ধরে কারো ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের দুর্বল দিক ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঝ) কাউকে হত্যা, আঘাত বা আক্রমণের হুমকি দেয়া যাবে না। কোনো পরিস্থিতিতেই কাউকে ভয় দেখানো যাবে না।&lt;br /&gt;ঞ) ব্লগে বা ব্লগের বাইরে অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে সংগঠিত হওয়া বা সংগঠিত হওয়ার প্রচারণা চালানো যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬.&lt;br /&gt;ক) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে অবমাননা ও কটাক্ষমূলক কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;খ) সমাজে বিতর্ক আছে এমন বিষয়ে মন্তব্য ও লেখা প্রকাশ করতে হলে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তা করতে হবে।&lt;br /&gt;গ) রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দাঙ্গা-পরিস্থিতির বা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণ হতে পারে এমন লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ প্রচার করা যাবে না।&lt;br /&gt;ঙ) সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;চ) প্রচলিত আইনে অপরাধ বলে গণ্য হয় এমন কোনো কাজের সমর্থনে প্রচারণা চালানো যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭.&lt;br /&gt;ক) কোনো ভাইরাস, স্পাইওয়্যার বা ম্যালওয়ারের লিংক দেয়া যাবে না। হ্যাকিং এবং ক্র্যাকিং করার কোনো সূত্র বা এ সম্পর্কিত কোনো সফটওয়ারের লিঙ্ক ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না। হ্যাকিং বা ক্র্যাকিংয়ে উৎসাহ দিয়ে কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;খ) কোনো রাজনৈতিক সংগঠন বা ট্রেড ইউনিয়নের নামে ব্লগ খোলা যাবে না। কোনো সামাজিক বা সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামে ব্লগ খুলতে হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে নিবন্ধনকারীর ন্যায্যতা প্রমাণ করতে হবে।&lt;br /&gt;গ) কোনো ব্র্যান্ডের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে নেতিবাচক লেখা দেওয়া যাবে না।&lt;br /&gt;ঘ) ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন, আলোচনা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পর্কিত কোনো বিজ্ঞপ্তি বাদে বাণিজ্যিক উদ্দেশে বিজ্ঞাপন প্রচারের আগে অবশ্যই ব্লগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।&lt;br /&gt;ঙ) ধূমপান, মাদক ও নেশাকে উৎসাহিত করে কোনো বিজ্ঞাপনমূলক লেখা, ছবি, ভিডিও বা অডিও প্রকাশ করা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮.&lt;br /&gt;ক) একই ব্লগার জরুরি প্রয়োজন ছাড়া প্রথম পাতায় একটির বেশি পোস্ট করতে পারবেন না। এক সঙ্গে একটির বেশি লেখা দিলে প্রয়োজনে অতিরিক্ত লেখা প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে।&lt;br /&gt;খ) একই বিষয়ে একাধিক পোস্ট দেয়া হলে এবং সেগুলোয় বিষয়বৈচিত্র্য না থাকলে একটি রেখে বাকিগুলোকে প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে।&lt;br /&gt;গ) কোনো খবর দিতে হলে প্রাথমিক উৎস থেকে তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে এবং তথ্যের সঙ্গে সে উৎস উল্লেখ করতে হবে। প্রকাশিত খবর মিথ্যা হলে ব্লগারকে বাতিল করা হবে।&lt;br /&gt;ঘ) কারও বিরুদ্ধে একাধিক নাম বা ছদ্মনাম (ইউজার নেম বা নিক) ব্যবহার করে ব্লগে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার সকল ছদ্মনাম বাতিল করা হবে।&lt;br /&gt;ঙ) হ্যাকিং বা প্রতারণার ঘটনা ঘটলে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;চ) অন্য কোথাও থেকে সরাসরি কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ উদ্ধৃতি, রেফারেন্স, আলোচনা, সমালোচনা ইত্যাদি প্রয়োজনে ব্লগে প্রকাশ করতে হলে লেখার উৎস ও লেখকের নাম উল্লেখ করতে হবে। স্বত্ত্ব সংরক্ষিত লেখার ক্ষেত্রে ব্লগে প্রকাশের আগেই প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯.&lt;br /&gt;ক) প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় 'নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি' পরিবর্তনের অধিকার রাখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখার দায় ও স্বত্ব&lt;br /&gt;১. ব্লগে একটি নাম (ইউজার নেম) ও সংকেতমালা (পাসওয়ার্ড) ব্যবহার করে লেখা সকল লেখায় দায় সংশ্লিষ্ট ব্লগারের ওপর বর্তাবে। নাম ও সংকেতমালা সংরক্ষণ করার দায়িত্ব ব্লগারের। প্রকাশিত লেখার মত ও তথ্য ব্লগারের ব্যক্তিগত মত ও তথ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।&lt;br /&gt;২. ব্লগে প্রকাশিত ছবি, তথ্য ও লেখার স্বত্ব ব্লগারের বলে গণ্য হবে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে কোনো ছবি, তথ্য ও লেখা প্রকাশ করা যাবে না। প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ ব্লগে প্রকাশিত লেখার স্বত্ব দাবি করে না। তবে ব্লগে প্রকাশিত পোস্ট প্রয়োজনে প্রথম আলোর অন্য কোনো সংস্করণ বা মাধ্যমে ব্লগারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রকাশ করা হতে পারে। এক্ষেত্রে অন্য কোনো পত্রিকায় প্রকাশের জন্য লেখাটি জমা দেয়া যাবে না। ব্লগার প্রথম আলোর নিয়ম অনুসারে লেখার সম্মানী পাবেন।&lt;br /&gt;৩. ব্লগে প্রকাশিত পোস্ট ও মন্তব্যে রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কোনো আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তার দায় ব্লগারকে ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হবে। আইন লঙ্ঘনের পরবর্তী দায়দায়িত্বও তার ওপরই বর্তাবে।&lt;br /&gt;৪. কোনো পোস্ট দেশীয় বা আন্তর্জাতিক আইন কিংবা সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হলে ব্লগ প্রশাসন ব্লগারকে আগাম বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বা না দিয়ে ব্লগটি অপসারণ করতে পারে।&lt;br /&gt;৫. কোনো ব্লগারের অবৈধ বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের জন্য যদি প্রথম আলো মামলার সম্মুখীন হয় তবে মামলার সম্পূর্ণ খরচ উক্ত ব্লগারকে বহন করতে হবে।&lt;br /&gt;৬. আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক প্রথম আলো যে কোনো সময় কোনো আগাম বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বা না দিয়ে যে কোনো ব্লগারের লেখা অপসারণ করতে পারে।&lt;br /&gt;৭. ব্লগে প্রকাশিত লেখা সংরক্ষণের দায় প্রথম আলো বহন করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগের নীতিমালা লঙ্ঘিত হলে&lt;br /&gt;১. যে কোনো ব্লগার ব্লগের নিয়ম লঙ্ঘন করলে, কেউ কাউকে আক্রমণ করলে বা কেউ আক্রান্ত বোধ করলে ই-মেইলে বা ব্লগের অভিযোগ বাটনের সাহায্যে অভিযোগ জানাতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো পোস্ট না দিয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করাই কার্যকর পদ্ধতি বলে গণ্য হবে। ব্লগ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পর্যালোচনা করে নীতিমালা অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।&lt;br /&gt;২. কেউ ব্লগের নীতিমালা লঙ্ঘন করলে ব্লগ কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শিয়ে বা না দর্শিয়ে নীতিমালা ভঙ্গকারী লেখা প্রয়োজনে প্রথম পাতা থেকে অপসারণ করতে পারে, প্রথম পাতায় ব্লগারের লেখা প্রকাশের অধিকার রুদ্ধ করতে পারে কিংবা বিভিন্ন মেয়াদে ব্লগারকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে।&lt;br /&gt;৩. ব্লগার একই বা ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে তাকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হতে পারে।&lt;br /&gt;৪. কর্তৃপক্ষ যে কোনো ব্লগ ও ব্লগারকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বাতিল করার অধিকার রাখে।&lt;br /&gt;&lt;p&gt;&lt;a href="http://prothom-aloblog.com/tos.html"&gt;সূত্র&lt;/a&gt;, তারিখ, ২৪ অক্টোবর, ২০০৮&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4422829369862132603?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4422829369862132603/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_733.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4422829369862132603'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4422829369862132603'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_733.html' title='&apos;প্রথম আলো ব্লগ&apos;-এর নীতিমালা ও ব্যবহারবিধি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQgKeXpyhxI/AAAAAAAABGE/uF_rOcPa0Gs/s72-c/paloblog.png' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3878436293239523985</id><published>2008-10-24T07:25:00.000-07:00</published><updated>2008-10-24T07:27:07.173-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বদমাশী'/><title type='text'>জোশ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHbGeF03-I/AAAAAAAABEM/a5cIjVIlwD4/s1600-h/banglarchokh.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 306px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHbGeF03-I/AAAAAAAABEM/a5cIjVIlwD4/s320/banglarchokh.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5260726743948648418" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3878436293239523985?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3878436293239523985/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_6229.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3878436293239523985'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3878436293239523985'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_6229.html' title='জোশ'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHbGeF03-I/AAAAAAAABEM/a5cIjVIlwD4/s72-c/banglarchokh.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1900603118881024434</id><published>2008-10-24T07:21:00.000-07:00</published><updated>2008-10-24T07:24:49.498-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভণ্ডামী'/><title type='text'>ইসলামী ভণ্ডামীর আরেকটা নমুনা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHaWzD4h4I/AAAAAAAABEE/J0QaW4W9B1s/s1600-h/muslim-dating.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 270px; height: 320px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHaWzD4h4I/AAAAAAAABEE/J0QaW4W9B1s/s320/muslim-dating.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5260725924943923074" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1900603118881024434?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1900603118881024434/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_24.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1900603118881024434'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1900603118881024434'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_24.html' title='ইসলামী ভণ্ডামীর আরেকটা নমুনা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHaWzD4h4I/AAAAAAAABEE/J0QaW4W9B1s/s72-c/muslim-dating.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3272130775841525699</id><published>2008-10-22T03:29:00.000-07:00</published><updated>2008-10-22T03:32:28.322-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আন্তর্জাতিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>স্বাধীনতা ৭১</title><content type='html'>বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী যতটা প্রচার হওয়া দরকার ছিল, ততটা হয় নাই। এর জন্য সরকারসহ দেশের শিক্ষিত জনগণের দোষও কম নয়। এতসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিদেশীদেরকে জানানো হচ্ছে যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা অন্যান্য যুদ্ধ যেরকম ভয়ানক ছিল, আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধটিও তার চেয়ে কম ছিল না। সম্প্রতি আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালানো প্রচারণা কার্যের ভিডিও :&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/KbBSaLdVbB0&amp;hl=en&amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/KbBSaLdVbB0&amp;hl=en&amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3272130775841525699?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3272130775841525699/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3272130775841525699'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3272130775841525699'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_22.html' title='স্বাধীনতা ৭১'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1563283669035310078</id><published>2008-10-19T03:33:00.000-07:00</published><updated>2008-10-19T03:47:39.535-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কল্পনা'/><title type='text'>ইসলামী অপপ্রচার</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsO49ux_bI/AAAAAAAABAE/EcShuhE-ZrQ/s1600-h/image001.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer;" src="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsO49ux_bI/AAAAAAAABAE/EcShuhE-ZrQ/s320/image001.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5258813361691426226" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;ইসলাম ধর্ম যে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে গেছে, তার আর একটি প্রমাণ হল এই ছবিটি। এই ছবিটি প্রকাশ করে মুসলিম বিশ্বাসীরা বলতে চায় যে কোরাণে বর্ণিত পুরাতন কালের মানুষ সত্যিই ছিল। এই সম্পর্কে তাদের বক্তব্য হল:&lt;br /&gt;&lt;p&gt;সৌদি আরবের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে সম্প্রতি গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে। এই অঞ্চলটি Empty Quarter বা الربع الخالي (রাব-উল-খালি) নামে পরিচিত। সৌদি আরামকো ইক্সপ্লোরেশন দল এই বস্তু খুঁজে পায় বলে ইমেইলটি দাবি করছে। কুরআনে আদ এবং হুদ সম্প্রদায়ের মানুষদের আকারে অনেক বড় এবং শক্তিশালী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তারা এত শক্তিশালী ছিল যে বিশাল বৃক্ষ তারা এক হাত দিয়ে উপরে ফেলতে পারতো। যখন তারা নির্দয় হল এবং মহান আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করা শুরু করল আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের ধ্বংস করে দিলেন। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;সৌদি উলেমাদের বিশ্বাস এই কঙ্কাল সেই সম্প্রদায়ের মানুষের। সৌদি মিলিটারি ঐ জায়গার দখল নিয়ে নিয়েছে এবং &lt;a href="http://www.saudiaramcoworld.com/issue/200805/" target="_blank"&gt;আরামকোর&lt;/a&gt; কোন লোক ছাড়া কাউকে সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। মিলিটারিরা এই ছবিটি তুলেছে হেলিকপ্টার থেকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অথচ পুরো ছবিটাই যে ভাওতাবাজি, তা এই সাইটে (http://www.graphics.cornell.edu/outreach/mastodon/) ভ্রমণ করলেই বোঝা যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আসলে ছবিটি একটি কোলাজ, যা ফান প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিস্তারিত রয়েছে &lt;a href="http://www.worth1000.com/contest.asp?contest_id=447&amp;amp;display=photoshop&amp;amp;page=1#entries"&gt;এই ঠিকানায়&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;মূলত: ছবিটি একটি অতিকায় ম্যাস্টোডনের। ইহা একধরণের তৃণভোজী প্রাণী যা ডাইনোসরের যুগে পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াত। ম্যাস্টোডনের ছবিটাকেই একটি পরিবর্তিত করে ইসলামী অলৌকিকতার নিদর্শণ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1563283669035310078?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1563283669035310078/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_8676.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1563283669035310078'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1563283669035310078'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_8676.html' title='ইসলামী অপপ্রচার'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsO49ux_bI/AAAAAAAABAE/EcShuhE-ZrQ/s72-c/image001.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3691158858126599011</id><published>2008-10-19T03:24:00.000-07:00</published><updated>2008-10-19T03:32:33.071-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কল্পনা'/><title type='text'>মেঘের কীর্তি</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsL7MpTWZI/AAAAAAAAA_8/YRMBEBXQU00/s1600-h/BigErnieSalutes.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsL7MpTWZI/AAAAAAAAA_8/YRMBEBXQU00/s320/BigErnieSalutes.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5258810101519833490" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;কেউ কেউ আছেন, যাহারা আকাশে মেঘ দেখিয়া আল্লাহর অসীম লীলা ভাবিয়া নেন। এই দৃশ্য দেখিয়া তাহারা কি ভাবিবেন তাহাই ভাবিতেছি। আল্লাহ কি আমাদের পশ্চাতদেশে আঙুল প্রবেশ করাইয়া দিতে চাহিতেছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3691158858126599011?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3691158858126599011/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_19.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3691158858126599011'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3691158858126599011'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post_19.html' title='মেঘের কীর্তি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SPsL7MpTWZI/AAAAAAAAA_8/YRMBEBXQU00/s72-c/BigErnieSalutes.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8197077918701257834</id><published>2008-10-03T04:32:00.001-07:00</published><updated>2008-10-03T04:34:50.282-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>সম্প্রতি মুম্মদকে নিয়ে যে সমস্যা তার প্রেক্ষিতে</title><content type='html'>&lt;span id="fullpost"&gt;আমারব্লগ.কম এ মুম্মদ নামক একজন নিকের ফাজলামীর প্রেক্ষিতে কয়েকজন সুখ্যাত ব্লগার ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। তার প্রেক্ষিতে নিচের লেখাটি আজ লিখেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;মুম্মদ যা শুরু করেছিল, তা কিরকম ছিল? আপাতভাবে এই প্রশ্নটা বিশ্লেষণ করলে মনে হয় যে সেটা ছেলেমানুষি ছাড়া কিছুই নয়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ এ ধরণের কাজ করতে পারে না। কিন্তু এই ছেলেমানুষির প্রতিক্রিয়ায় বুড়োখোকারা যা দেখালেন, তাতে বিস্ময়াভিভুত না হয়ে পারলাম না। নানাজনে বিভিন্নরকম মন্তব্য করেছেন। বিভিন্নরকম আচরণ করেছেন। এইসব আচরণের মধ্যে অন্যতম হল, ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়া। কি হাস্যকর! তাহলে বাংলাদেশ খারাপ বলে কি এদেশ ছেড়ে চলে যাব? &lt;p&gt;* কোন একটা ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্নরকম আচরণ করা যায়। কে কোন আচরণ করবে তার প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তির মানসিক অবস্থাটা অনুমান করা কঠিন হয় না। সেটা মানসিক ডাক্তাররা ভাল বোঝেন। কেউ কেউ আবার বলেছেন, ইসলাম ও বাংলাদেশ ছাড়া অন্য সববিষয়ে খারাপ কথা মেনে নিবেন। তার মানে হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টানদের সম্পর্কে খারাপ কথাকে তিনি মেনে নেবেন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* বাংলা ভাষা ইউনিকোড ভার্সন হয়েছে দু/তিন বৎসর হল। এর মাঝে কমিউনিটি ব্লগ বলতে একটা অদ্ভূত ব্যাপার বাংলাভাষীরা শুরু করেছে। এই স্টাইলটাইতো কেমন জানি অদ্ভূত। তার চেয়ে ফোরাম হলে ভাল হত। তাহলে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুনের বেড়াজাল থাকত। কিন্তু ব্লগে কি কোন নীতি চলে? ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেসে যারা ব্লগিং করছেন, তাদের কি কোন নীতি দিয়ে বেঁধেছেদে রাখা হয়েছে?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* বাংলা ব্লগ কারা লিখবে? যারা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, বা বিদেশে থাকে কিংবা আমার মত অর্থ অপচয়কারী- তারাই, নাকি সাধারণ মানুষরাও। কোন দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে বাংলা ব্লগিং ধারণাটা কাজ করবে? বাংলাদেশ নাকি ব্রাজিল? আরে, বাংলাদেশের তো এখনও ৯০%(হয়তো) মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করেনি। যখন অন্তত: ৩০ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করবে, ব্লগ লিখবে তখন কি করবেন? তখন আইন কানুন কোথায় থাকবে?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* কোন উদ্দেশ্য নিয়েই বা মানুষেরা (বিদেশে বিশেষত থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন) ব্লগ লেখে? ব্লগারের &lt;strong&gt;নেক্সট ব্লগ&lt;/strong&gt; বাটন প্রেস করে ঘুরতে থাকুন, দেখবেন অনেকে ব্লগ দিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছে। সেটাই তার ওয়েবসাইট। সেটা কি সামইন, সচল, আমারব্লগে সম্ভব? না হলে কেন সাধারণ কৃষক, মুরগী/ ডিম, সবজি বা কুটির শিল্প ব্যবসায়ী ব্লগ লিখবে? পণ্যের প্রচার কিভাবে হবে?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* ইসলাম ধর্ম নিয়েই যত সমস্যা দেখা যাচ্ছে। আমি ইসলাম ধর্ম নামাঙ্কিত ফ্যামিলিতে জন্ম গ্রহণ করেছি বলেই যে মুসলমান হব, এ ধরণের বাজে কথা কোনদিন আমার বাবা মা শেখান নি। আমার নানা, দাদারাও শিক্ষিত মানুষ ছিলেন, তাদের মধ্যে আমি ধর্ম সম্পর্কে অনেক উদারতা দেখেছি। আমি কোরান হাদীস পড়েছি। কিন্তু কখনই আমার এই ধর্মকে ভালবাসতে বা সামান্যতম শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা করে নাই। (ঈদেও নামাজ পড়িনা) আমার কাছে মনে হয়েছে ধর্ম যদি বিশ্বাস করতে হ্য়, তাহলে স্বদেশী ধর্ম বিশ্বাস করা উচিত। তাহলে দেশপ্রেম, সংস্কৃতি প্রেমটা ভণ্ডামীর দায়মুক্ত থাকে। আমার পিতামাতাও এই মত পোষণ করেন (তারা অবশ্য ইসলামী সমাজের ভয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেন না)। তারা বলেন, পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ বলতে শুধু অর্থনীতি ও গানাবাজনাকেই বোঝানো হয়। কেন? আরব কি পশ্চিমে নয়। ইসলাম কি সাম্রাজ্যবাদী ধর্ম নয়? তাহলে ধর্মীয় সাম্রাজ্যবাদ কথাটা কেন ব্যবহার করা হবে না?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;এমন ভাবনা যে শুধু আমি একাই ভাবি তা নয়। আমি অনেককেই এই যুক্তিটাকে সমর্থন করতে দেখেছি। বাংলাদেশ বা মুসলিম দেশগুলোতে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ বলে কেউ মুখ ফুটে কিছু বলে না। কিন্তু মনে রাখবেন, যখনই একটি সুস্থ, খোলা পরিবেশ পাবে, মানুষ চিৎকার করে এ কথা বলবে। ইরানে কি হচ্ছে? সেখানকার ৮০ ভাগেরও(ধারণা করা হয়) বেশি মানুষ ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়েছে। তারা ইসলামী শাসন ব্যবস্থাকে রীতিমতো ঘৃণা করতে শুরু করেছে। আরবেও গণতন্ত্রের জন্য জোর দাবী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইসলামী শাসন ধ্বংস হওয়ার সাথে সাথে ইরানের বেশিরভাগ মানুষ তাদের স্থানীয় প্রাচীন ধর্মতে ফিরে যাবে। বাংলাদেশেও এটা হবে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* ইন্টারনেটটা সহজলভ্য হোক। মানুষ কথা বলতে শুরু করবে। তখন কিভাবে থামাবেন? কতজনের মুখ বন্ধ করবেন? এখনই দেখুন না। ১০-২০ বৎসর আগে বাংলাভাষায় নাস্তিক, ইসলামে অবিশ্বাস শব্দগুলোকে ভয়ানক বলে মনে করা হত, শুধুমাত্র কমিউনিস্টরা এর দায় পোহাত। অথচ এখন একটু বেশি পড়াশোনা করেছে এমন প্রত্যেকেই গণতন্ত্র, মুক্তমনা, উদারবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ইত্যাদির স্বপক্ষে কথা বলছে। মূল ইসলাম অনুযায়ী এসব কি ইসলামবিরোধী নয়?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;হুজুররা ওয়াজে বলে থাকেন, বিধর্মীদের বুকে ভয় ধরায়া দিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি আসলে ইসলামবাদীদের বুকে ভয় ঢুকে গেছে। সেজন্যই সামান্য এক মুম্মদের ইয়ার্কীতে সবারই নাভিশ্বাস উঠে গেছে। আরবের তেল শেষ হওয়ার সাথে সাথে পৃথিবী থেকে ইসলাম ধর্ম বিলুপ্ত হওয়া শুরু করবে। ১/২ প্রজন্ম পরেই মানুষ বলবে মায়া (মধ্য আমেরিকার, মানুষের হৃদপিন্ড সূর্যদেবতার উদ্দেশ্যে নিবেদন করত) ধর্মের মতো ইসলাম ধর্মও একটি হিংস্র ধর্ম ছিল। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে যেসব ইসলামী চিৎকার শোনা ও দেখা যাচ্ছে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তেল শেষ হওয়ার আগে প্রদীপ যেমন দপ করে জ্বলে ওঠে এসবই তেমনি। ইসলাম আসলে মরণকামড় দিচ্ছে। এতে বিচলিত হবার কিছু নেই। ইসলামী অন্ধকার দূর হবেই।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;* যদি আমারব্লগ.কমে আইন কানুন বানানোর কথা ওঠে, তাহলে বলব, আমি সব ধরণের মডারেশনের বিরুদ্ধে। এটাই গণতন্ত্র। এটা ইসলামী ব্লগ নয়। ইসলামী আইন আমি মানিনা। কেউ ভিন্নমত পোষণ করলেই তার হাত, পা, নাক, কান, চোখ, গলা কেটে ফেলা হবে, এ ধরণের হিংস্র ধারণার আমি চরমতম বিরোধী। কে কোন ব্লগ ছেড়ে চলে গেল, তাতে কি যায় আসে। কারও জন্য কোন কিছু ঠেকে থাকে না। ওয়াইম্যাক্স আসছে, তখন হাজার হাজার বাংলাদেশী ব্লগ লিখবে। তাদের জন্য দরজা খোলা রাখুন। কোন কিছুর নামে, অজুহাতে, কারণে, অছিলায় মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে যাবেন না।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;মুম্মদের পোস্টে কমেন্ট না করা বা কমেন্টের ফ্লাডিং করাটাই যথেষ্ট ছিল (যেমনটা রাজাকারদের সাথে করা হয়)। ফাতরার সাথে ফাতরামি করলেই হত। এর বেশি আর কিছু বলতে ইচ্ছা করছে না। কাল থেকে মাথা ভারী হয়ে আছে। কবি ঠিকই বলেছেন, দোজখে বাঙালিরা যেখানে থাকে সেখানে দারোয়ানের প্রয়োজন হয় না।&lt;br /&gt;ধন্যবাদ সকলকে&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8197077918701257834?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8197077918701257834/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8197077918701257834'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8197077918701257834'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/10/blog-post.html' title='সম্প্রতি মুম্মদকে নিয়ে যে সমস্যা তার প্রেক্ষিতে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-3548615584773808223</id><published>2008-09-28T01:57:00.000-07:00</published><updated>2008-09-28T02:09:54.668-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আন্তর্জাতিক'/><title type='text'>লেবাননের পপ স্টার</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9Hg1k8x7I/AAAAAAAAAvE/BrwVhUXhXl8/s1600-h/tameme.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9Hg1k8x7I/AAAAAAAAAvE/BrwVhUXhXl8/s200/tameme.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5250994320000731058" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;লেবাননের এই পপ স্টার খুন হয়েছে। খুন করেছে মিশরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিশাম তালাত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পপ স্টার সুজানা তামিমের ছবি দেখে মনে প্রশ্ন জাগছে, মিশর, লেবাননের মেয়েরা এ ধরণের বুকখোলা পোষাক পরে কিভাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাহলে মিশর, লেবাননের জীবন যাত্রা বা সামাজিক অবস্থা কিরকম? তাদের মেয়েরা এই ধরণের পোষাক পরার অধিকার কি বিনাবাধাতেই ইউরোপের মত পায়? নাকি শুধু বিশেষ শ্রেণীর জন্য এই অধিকার সংরক্ষিত?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-3548615584773808223?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/3548615584773808223/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_934.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3548615584773808223'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/3548615584773808223'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_934.html' title='লেবাননের পপ স্টার'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9Hg1k8x7I/AAAAAAAAAvE/BrwVhUXhXl8/s72-c/tameme.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-8893284625878473719</id><published>2008-09-28T01:52:00.002-07:00</published><updated>2008-09-28T01:54:22.466-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী এখন জাতে উঠেছে</title><content type='html'>প্রথম আলো, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ তারিখে প্রকাশিত খবর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;    হুজি এবার ‘আইডিপি’ নামে প্রকাশ্য রাজনীতিতে&lt;br /&gt;    ‘ইসলামী ডেমোক্রেটিক পার্টি−আইডিপি’ নামে প্রকাশ্য রাজনীতি শুরু করল হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী−হুজি। গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে ইফতার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করল সাবেক আফগান মুজাহিদদের এই সংগঠন আইডিপি।&lt;br /&gt;    অবশ্য সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা শেখ আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেছেন, “তাঁদের সংগঠন এ দেশে ১৯৯২ সালেই আত্মপ্রকাশ করে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ নামে। এরপর ১৯৯৮ সালে তা বিলুপ্তি ঘোষণার পর ‘ইসলামী গণ-আন্দোলন’ নামে সংগঠন করেছিলাম। সেই সংগঠন থেকে এখন আইডিপি নামে কাজ করছি।”&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;বিস্তারিত &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MTkwNzY="&gt;এই লিংকে&lt;/a&gt; পড়ুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবরটা আপনারা অনেকেই পড়েছেন। জানেনও। তারপরও উল্লেখ করছি এ জন্য যে এর ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কেমন হবে? ১০ জুলাই তারিখে লসএঞ্জেলস টাইম পত্রিকাতে ‘বাংলাদেশকে ধর’ টাইপের একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে(লিংকটা খুজে পাচ্ছিনা)। এই খবরও অনেকের পড়া। এখন কথা হল যে আমেরিকা সোভিয়েতকে ঠেকানোর জন্য যে তালেবানের জন্ম দিয়েছিল, তার ফলাফল তো এখন ভালভাবেই পাচ্ছে। নাকি তালেবান এখনও আমেরিকার হাতের ক্রীড়নক হয়ে আছে? আমেরিকা যে দেশের তেলগ্যাস দখল করতে চায় সেখানে তালেবানদেরকে পাঠানো হয়। তালেবানরা গণ্ডগোল বাজিয়ে পরিস্থিতি খারাপ করে তোলে, আর আমেরিকা তখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে সেই দেশে হামলা চালায়, তেলগ্যাস পাচার করতে থাকে। আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ভাল বুঝিনা। কেউ কি বিষয়টি ভাল করে বুঝিয়ে দেবেন?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-8893284625878473719?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/8893284625878473719/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_5115.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8893284625878473719'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/8893284625878473719'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_5115.html' title='হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী এখন জাতে উঠেছে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4112240501312039809</id><published>2008-09-28T01:51:00.001-07:00</published><updated>2008-09-28T01:51:54.704-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><title type='text'>বাংলাদেশী স্প্যাম</title><content type='html'>আমি লক্ষ্য করছি, ইদানীং আমার মেইলবক্সে প্রায়ই bdHotJobs থেকে নানারকম অফারযুক্ত মেইল আসে। কথা হচ্ছে, আমি তাদের সাইটে নাম রেজিস্ট্রেশন করি নাই। তারপরও কিভাবে যে আমার ইমেইল আইডি পেয়েছে কে জানে। এদের কি লজ্জা নাই নাকি। এরা কি মনে করছে এর ফলে তাদের পণ্যের খুব প্রচার হচ্ছে। নাকি bdHotJobs নামটি বাংলাদেশি স্প্যামার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাচ্ছে?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4112240501312039809?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4112240501312039809/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_6665.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4112240501312039809'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4112240501312039809'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_6665.html' title='বাংলাদেশী স্প্যাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4088322758899421716</id><published>2008-09-28T01:46:00.000-07:00</published><updated>2008-09-28T01:50:52.997-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><title type='text'>অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশী ধর্ষক</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9FGAHKJ-I/AAAAAAAAAu8/badi1SPtto8/s1600-h/0,,6255621,00.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9FGAHKJ-I/AAAAAAAAAu8/badi1SPtto8/s200/0,,6255621,00.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5250991659948845026" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর তারিখে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে মো: কাউছার আলী নামক এক বাংলাদেশী ছাত্র ‘জে’ নামক এক অস্ট্রেলিয়ান মেয়েকে ধর্ষণ করেছে। সেদিন তার ১৪ বৎসরের জেল হয়ে গেল। কাউছার বলেছিল যে সমস্ত ব্যাপারটাই নাকি ঘটেছে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে। অর্থাৎ সে মেয়েটির সাথে যে মৈথুন করেছিল তা সে স্বীকার করেছে। বিপরীতে মেয়েটি কাজ শেষের সাথে সাথে ০০০ নম্বরে ফোন করে পুলিশে খবর দিয়েছে। কাউছার আল্লাহর কসম করে বলেছে যে ঘটনাটা ধর্ষন ছিল না। সত্যি ঘটনা যাই হোক আদালতের দৃষ্টিতে সে দোষী এবং তাকে ১৪ বৎসরের জেল দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ছেলেটির উপর খুব রাগ লাগছে। ছেলেটিকে নিয়ে তার বাবা-মা কতই না স্বপ্ন দেখতো। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তাকে বিদেশে পাঠিয়েছিল ভবিষ্যতের সুখস্বপ্নের আশায়। সব শেষ হয়ে গেল।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.news.com.au/dailytelegraph/story/0,22049,24362264-5006009,00.html" target="_blank"&gt;খবরের লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4088322758899421716?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4088322758899421716/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_28.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4088322758899421716'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4088322758899421716'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_28.html' title='অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশী ধর্ষক'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SN9FGAHKJ-I/AAAAAAAAAu8/badi1SPtto8/s72-c/0,,6255621,00.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1307983814374264481</id><published>2008-09-19T01:52:00.000-07:00</published><updated>2008-09-28T01:57:14.330-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><title type='text'>লাখ টাকার শাড়ি</title><content type='html'>১৯ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার গুলশানের এক মার্কেটে লাখ টাকা দামের শাড়ি লেহেঙ্গা বিক্রি হচ্ছে। খবরটা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। অবশ্য প্রত্যেক ঈদেই এমন খবর প্রকাশিত হয়, আর প্রত্যেকবারই মন খারাপ হয়ে যায়। নিজের জন্য কিছু কেনার ইচ্ছাটাই নষ্ট হয়ে যায়। নিজের মনেই প্রশ্ন করি, এরা কারা? কত টাকা তারা আয় করে। মাসিক ব্যয় তাদের কত টাকা। এদের জীবন যাপন কি ধরণের? এরা কি বাংলাদেশি, বাঙালি। বাংলাদেশের রাস্তায় কি এরা চলাচল করে?&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;১ লাখ টাকা হলে কয়েকটা স্কুলের সমস্ত ছাত্রদের বই খাতা, দুপুরে পেট ভরে খাওয়ানো যায়। অসংখ্য গরীব মানুষকে চিকিৎসা সুবিধা দেয়া হয়।কোন কোন পত্রিকায় দরিদ্র চিকিৎসাপ্রার্থীদের জন্য টাকা দান চাওয়ার খবর প্রকাশ করে। লাখ টাকার শাড়ি কেনাওয়ালারা কি সেইসব আবেদনে সাড়া দেয়? এদের মধ্যে কি মানবতা বলতে সত্যিই কিছু আছে?&lt;br /&gt;ইত্তেফাকের খবরের লিংক&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1307983814374264481?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1307983814374264481/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_1276.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1307983814374264481'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1307983814374264481'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post_1276.html' title='লাখ টাকার শাড়ি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1051588764061265476</id><published>2008-09-15T10:38:00.000-07:00</published><updated>2008-09-15T10:42:42.429-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><title type='text'>আমারব্লগ.কম এ লোকালটক এর চলে যাওয়া প্রসঙ্গে</title><content type='html'>&lt;span id="fullpost"&gt;লোকালটক এর&lt;/span&gt;&lt;span id="fullpost"&gt; &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শেষ পোস্টে কিছু বিষয় নিয়ে আমার সামান্য প্রতিক্রিয়া&lt;/span&gt; নামক লেখার &lt;a href="http://amarblog.com/localtalk/9331"&gt;লিংক&lt;/a&gt; যার উত্তরে আমি নিচের মন্তব্যটি করেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক বুঝলাম না।&lt;br /&gt;আজকে আমারব্লগের এই দারুণ ফিচারটা দেখতে পেলাম (কমেন্টবক্স), আর আজকেই লোকালটক চলে যাচ্ছেন। কি ব্যাপার? কেন? শুধুমাত্র আমারব্লগ জমবে না সেই কারণেই কি? তাহলে কি তিনি যেখানে যাচ্ছেন, সেটা আরও বেশি জমজমাট? অর্থাৎ বেশি মানুষের হাততালির লোভ? নাকি পাঠক তৃষ্ণা? জনপ্রিয়তার লোভ? সে তো এখানেও আছে। না তাও হল না। ঠিক বুঝতে পারছি না। তিনি ঠিক নির্দিষ্ট কি কারণে চলে গেলেন?&lt;br /&gt;আমারব্লগের যে কয়েকটি বিষয় ভাল লাগে, সেটা নিয়ে একটা লেখা মনের ভিতর দাঁড় করাচ্ছি। তার মধ্যে অন্যতম হল এর পরিবেশ। অনেকে বলেন এখানে শ্ল্যাং বেশি ব্যবহার হয় এটা খারাপ। কিন্তু আমার কাছে এটাকেই সত্যিকারের বাঙালি বা বাংলাদেশি পরিবেশ বলে মনে হয়। আমরা জার্মানদের মত ফ্রেঞ্চদের মত উচ্চশিক্ষিত জাতি নই। জীবনের প্রাত্যাহিক প্রয়োজনে আমরা নানারকম শ্লীল অশ্লীল বাক্য উচ্চারণ করি। এই শব্দগুলো আমাদের জীবনের অঙ্গ। শিক্ষিত দিয়ে কি? যে কোন ভাষার তথাকথিত অশ্লীল শব্দগুলোই সেই ভাষাভাষী সমাজের প্রাণকে তুলে ধরে।&lt;br /&gt;সাহিত্যের বা লেখালেখির ভাষা নিয়ে রুচিবাগিশতা রবীন্দ্রযুগের পূর্বেও ছিল। ভারতচন্দ্র বলেছিলেন- অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল। আলালের ঘরের দুলালের ভাষা সম্পূর্ণরূপে মানুষের নিজের মুখের ভাষা। গৌতম বুদ্ধের পালি ভাষাটাও কোন পণ্ডিতি ভাষা নয়। অতএব এ ধরণের নোংরা(?) ভাষার জন্য ব্লগকে দোষ দেয়া সম্ভব নয়। বন্ধুদের সাথে যখন আড্ডায় বসি, তখন কি এইসব শব্দ ব্যবহার করি না? অবশ্য সেমিনারে বসলে সেটা আলাদা কথা। সেটা সচলে হয়। তারা অভিজাত, রুচিমান, সুসংস্কৃত, উন্নাসিক, প্রতিভাবান মানুষ। আমাদের মত (Mass people) জলে-কাদায় মাখামাখি জীবন তাদের নয়। কার্পেটে মোড়ানো, ধোঁয়া ওঠা কফির কাপ (বা ওয়াইনের বোতল), উচ্চমার্গীয় সঙ্গীত লহরী আমাদের বন্যাক্রান্ত, সার-পানি-বিদ্যুত-খাদ্যদ্রব্যহীন জীবনে বাতুলতা মাত্র। আমাদের জনগনের সত্যিকারের সুশিক্ষিত লোকের সংখ্যা ১০-১৫%। বাকীরা পরীক্ষার্থী জীবন পার করে এখন চাকুরিপ্রার্থী বা চাকুরিরত। আমাদের কাছে অন্যরা কি যে চান, তা নিজেই বুঝিনা। আরে আমরা ক্ষুধার্ত। পূর্ণিমার চাদকে শুধু নয় বাংলাদেশের মানচিত্রকেও খেয়ে ফেলতে চাই। আমাদের কাছে মার্জিত, সুশোভন, ইত্যাদি ইত্যাদি প্রত্যাশা করবেন না।&lt;br /&gt;আমরা এমনই শিক্ষিত যে আমাদের বেশিরভাগ শিক্ষিত জনগণ না পারে পড়তে (পত্রিকা ছাড়া) না পারে লিখতে (ইদানীং চিঠিও লেখে না)। আমাদের কাছে সাহিত্যবোধ, নন্দনতত্ত্ব কেন আশা করবেন?&lt;br /&gt;উপর্যুক্ত বহুবিধ কারণে আমারব্লগকে আমার সত্যিকারের বাঙালি কমিউনিটি বলে মনে হয়। আমাদের মধ্যে আলীগ, বিএনপি, জামাত, সবাই আছে। শুধু মাত্র আলী,বিএন,জামা দিয়ে কোন দেশ হয় না। যেটা অন্যদের মধ্যে আছে। আমারব্লগ বাংলাদেশের সত্যিকারের প্রতিচ্ছবি।&lt;br /&gt;জনপ্রিয়তার কথা বলা হয়েছে। হুমায়ুন আহমেদীয় জনপ্রিয়তা..... আর বলতে ইচ্ছা করছে না।&lt;br /&gt;তবে ব্লগের জনপ্রিয়তা নিয়ে বলা যায় যে, ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস.কম এরা কিন্তু বহু আগে থেকেই ব্লগিং প্লাটফরমের সুবিধাটুকু দিয়ে যাচ্ছে। কোনটা জনপ্রিয় সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সেটা হয় গঠনমূলক দিক দিয়ে। যেমন ব্লগার এখন এমবেডেড কমেন্টবক্স করেছে। এভাবে ভাবলে আমারব্লগ জনপ্রিয় হবে কি হবে না, সেটা সময়ের ব্যাপার। এটা নিয়ে এখন না ভাবলেও চলবে। আরও দু'য়েক বৎসর যাক। বাংলাদেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌছাক, মানুষ অনলাইনে আসুক, তারপর না হয় বিবেচনা করা যাবে।&lt;br /&gt;প্রথম আলো পত্রিকার পাঠক সংখ্যার কারণ কি খবর নাকি পত্রিকার গেটআপ সেটা কিন্তু বিবেচনা করা দরকার। অন্তত: আমার পরিচিত আলো পাঠক সকলেই বিজ্ঞাপন ও সৌন্দর্যের কারণে প্রথম আলো কেনে। কেউ সত্যিকার অর্থে প্রথম আলোকে পছন্দ করে না। প্রথম আলো যে বন্ধুসভা করেছে, সেটাও এনজিও'র মত। অর্থাৎ পত্রিকা অফিস থেকে সংগঠন চালানোর জন্য পে করা হয়। অতএব ওদের ব্লগ প্লাটফরম যে পেইড ব্লগারদেরই মাইকিং হবে সেকথা বলাই বাহুল্য।&lt;br /&gt;যাক সে কথা, আমি অন্য অনেকের মত ভাল লেখক নই। বহুবিবেচনা করে অন্যদেরকে দেখে, নানাদিক বিচার করে আমারব্লগকে পছন্দ করি। এর কোনরকম ক্ষতি আমি চাইনা।&lt;br /&gt;লোকালটককে নিয়ে বেশি কিছু বলতে ইচ্ছা করল না। তার জন্য আমি দু:খিত। কেউ ব্লগ না লিখলে কিইবা করা যেতে পারে। কিছুদিন পর আমিও হয়ত লিখব না। সেটা টাকার অভাব হবে সেজন্য।পরে আবার যদি আয়রোজগার বাড়ে তখন না হয় ব্লগ লেখা শুরু করব। তাই বলে কি সবাইকে সেটা জানাতে হবে নাকি? তখনকি অন্যদের কাছ থেকে ইন্টারনেট বিল নিয়ে আমাকে ব্লগ লিখতে হবে? না! এসব আলোচনা করতেও লজ্জা বোধ হচ্ছে। আমার সমস্যা আমার ব্যক্তিগতই থাক না কেন।&lt;br /&gt;ধন্যবাদ সকলকে&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-1051588764061265476?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/1051588764061265476/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1051588764061265476'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/1051588764061265476'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/09/blog-post.html' title='আমারব্লগ.কম এ লোকালটক এর চলে যাওয়া প্রসঙ্গে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-4210863332095431717</id><published>2008-08-31T10:14:00.000-07:00</published><updated>2008-08-31T10:39:29.313-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>জয় নয়, অভীষ্ট চাহিয়াছি</title><content type='html'>সচলের মডারেটরদের আচরণের আরেকটি প্রতিবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;http://www.muktopran.org/faruk_wasif/17933&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জয় নয়, অভীষ্ট চাহিয়াছি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;লিখেছেন &lt;a href="http://www.muktopran.org/faruk_wasif"&gt;ফারুক ওয়াসিফ&lt;/a&gt; (তারিখ: রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ১৮:৩৪)&lt;br /&gt;ক্যাটেগরী: ব্লগরব্লগর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমবারেরটা হারিয়ে গেল কোথায়। আবার দিলাম ভুলভালসহ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. বৃষ্টি হলে কিছু জল মাটি পায় কিছু গড়িয়ে যায় নদীতে-জলাশয়ে। দুটোই পরিবেশের কাজে লাগে, দীর্ঘমেয়াদে প্রকৃতি তাতে শুশ্রুষা পায়। কোনোটাই অপচয় নয় যদি তা বৃষ্টি হয়। সচলে একটা বৃষ্টিপাত হয়েছে, কিছু মেঘ-বাষ্প বেশি ভারি হওয়ায় শিলা হয়েও পড়েছে, তাতে সামান্য অনিষ্টও হয়েছে। তা বৃষ্টিরও দোষ নয়, প্রকৃতিরও ব্যাঘাত নয়। এটাই জগতের নিয়ম। সেই নিয়মে প্রমাণ হয়েছে, সচল কমিউনিটি ঘাতসহ ও সক্ষম। এর ওপর ভরসা রাখলে চিন্তা ও বিতর্কের প্রসারণে আর দ্বিধা থাকবার কারণ থাকে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. মনজুরাউল ভাই-য়ের কথা সূত্রে কথার চালাচালি এমন জায়গায় গিয়েছে, যা যাওয়া উচিত হতো না। তার জন্যই সি-২/৭ পোস্টের ৩৩ নং মন্তব্যে আমি নৈর্ব্যক্তিক ভাবে একটা ব্যাখ্যা ও মত দেবার চেষ্টা করেছি। ওতেই কাল হলো। আমি মনে করি না, ওখানে এমন কিছু লেখা ছিল যার জন্য গুরুতর বিতর্কের প্রয়োজন পড়ে। বরং ইঙ্গিতে মঞ্জু ভাইয়ের আহত মনকে কিছুটা ছাড় দিয়ে পরিস্থিতি সমাপ্ত করার একটা আমন্ত্রণ ছিল। তা করতে গিয়েছিলাম বিশেষত হিমুর ২৩ নং কমেন্টের উপক্ষার সুর দেখে। উপেক্ষা কে পারে? যার ক্ষমতা থাকে। আমি ওই মন্তব্যে মডারেটরের ক্ষমতার প্রকাশ ঘটতে দেখেছি। আবারো বলছি, মঞ্জু ভাইয়ের সদস্যপদ পাওয়ায় বিলম্বের কারণ হিসেবে প্রকারান্তরে তাঁকে ‘কলহপ্রিয়’ বলা হয়, তাঁরও ‘মানসিক বিষফোঁড়া’ আবিষ্কার করে সেখানে খোঁচানো হয়। ওই পয়েন্টেই আমার আপত্তি অনড়। কারণ এভাবে সত্যিসত্যি কারো মনে বিষফোঁড়া জন্ম নিতে পারে। ৯ নং কমেন্টে এসে এম মাহবুব মোর্শেদের সচলের নীতি ও কৌশল নিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা যৌক্তিক ও বিবেচক লেগেছে। সবার শেষে কনফুসিয়াস এক কথায় বিজ্ঞোচিত হলেন। ততক্ষণে পর্বতের ঢাল বেয়ে পাথর গড়াতে শুরু করেছে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মঞ্জুরুল হয়তো একটা ভুল বোঝা বুঝে নিয়েছিলেন যে, জনপ্রিয়তা একটা মাপকাঠি হতে পারে। তাই তিনি হিট-মন্তব্য ইত্যাদির প্রসঙ্গ টেনেছেন। তাঁকে সেটা বুঝিয়ে দিলেই চলে। আর তিনি যখন অভিযোগ করবার কারণ পেয়েছেন বলে মনে করছেন, তখন তুলনাটা দেয়া তাঁর জন্য ফরজ হয়ে, নইলে অনুযোগ জানানোর প্রয়োজনই তো থাকে না। এই লজিকটা বোঝা দরকার ছিল। বিষয়টা অপ্রীতিকর বিধায় এটা তিনি ব্যক্তিগত ভাবে জানালেই পারতেন। (বিভিন্ন সময়ে আমিও তা-ই করেছি) বাকিটা তাঁর সিদ্ধান্ত। সেটা নিয়ে বলবার কিছু নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. গোড়া থেকেই আমি হিমুর কমেন্টের সুর ও স্বর নিয়ে কিছুটা চাপ বোধ করছিলাম। কারণ এমন সুর মানুষকে উস্কে দেয়। যার ক্ষোভ আছে (সঙ্গত অসঙ্গত যা-ই হোক) সে এতে দাঁড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। ব্যক্তি হিমুর লেখা ও রসিকতা আমার খুব প্রিয়। কিন্তু মডারেটর হিসেবে তাঁর আরো নৈর্ব্যক্তিক ও বিবেচক হবার দরকার ছিল। পাবলিক প্রাইভেটের ভেদ এতে লঙ্ঘিত হয়েছে। এবং সেটা হওয়ায় আমার মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে এমন চূড়ান্ত কথা পর্যন্ত বলা হয়েছে, ব্লগোষ্ফিয়ার না হলে তা চিত্তচাঞ্চল্যকে সীমাছাড়া করার জন্য যথেষ্ঠ ছিল। খেয়াল করবার অনুরোধ করি, অরূপও আমাকে এই অভিযোগ করেছিল। উভয়ক্ষেত্রেই মনে হয়েছে এর জবাব দেয়া যায় না। দিচ্ছিও না। কিন্তু এই অ্যাপ্রোচ ধ্বংসাত্মক। কাউকে বিরোধী মনে হলেই সেটা তার মানসিক সমস্যার লক্ষণ মনে করাটা অবশ্য দার্শনিক। দার্শনিক ক্রোচে মনে করতেন, ইতিহাস আসলে মনের ইতিহাস। আমি মনে করি, ইতিহাস বাস্তব কর্মকাণ্ডের ইতিহাস। মনের মধ্যে নয়, এর সূত্র সন্ধান করা উচিত প্র্যাক্টিসের জগতে। সেখানে আমারো সমস্যা থাকতে পারে বৈকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. প্রসেস অবশ্যই মানতে হবে। এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তার সৃজনশীল ব্যবহারই কাম্য। কিন্তু জগতে যেহেতু বিশুদ্ধ নৈর্ব্যক্তিকতা সম্ভব নয়, সেহেতু প্রসেসের মধ্যে ব্যক্তি মনের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, মতাদর্শ, ক্ষমতা-চর্চার প্ররোচনা ঢুকে পড়তেই পারে। সেটা সমস্যা নয়, সেজন্য প্রসেসের প্রহরী ও চালকদের কিছুটা রক্ষণাত্মক ও বিবেচক থাকাই শ্রেয়। এর অপর নাম জবাবদিহি। ক্ষমতার সঙ্গে জবাবদিহি যুক্ত না হলে তা কী মারাÍক হয়, বিশুদ্ধ বিপ্লবী স্ট্যালিনই তার প্রমাণ। যে কোনো এককেন্দ্রিক ক্ষমতার বেলাতেও এটা সত্য। মডারেশন তেমনই এক ক্ষমতা। যার কারণেও স্ট্যাবিলিটি ব্যাহত হতে পারে। এটা যেহেতু ন্যস্ত মাত্র কয়েকজনের হাতে, ফলে তাদের আরো সতর্কতা কাম্য। আবার আমাদের মতো লোকের জন্যও স্ট্যাবিলিটি ব্যাহত হয় এবং হয়েছে, তাও দক্ষ হাতে হ্যান্ডেল করা চাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. এর বাইরেও অনেক কথা বলা হয়েছে, সেসবের উত্তরে যাচ্ছি না। আমি এখনও মনে করি আমার ৩৩ নং কমেন্টের বক্তব্য যৌক্তিক। আগ্রহীদের সেটা আবার পড়ে দেখার অনুরোধ করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. এবার আমার নিজের তরফে একটা ব্যাখা দেয়া জরুরি মনে করছি। আপনাদের অনেকেরই মনে থেকে থাকবে, বন্ধু সুবিনয়ের সঙ্গে একটা বিতর্কে আমাকে চরমভাবে অপমানিত হতে হয়েছিল অরূপ, আদিত্য প্রমুখ সেখানে ভূমিকা পালন করেছেন। এই আদিত্য খুবই ইন্টারেস্টিং এক চরিত্র, কেবল কাউকে ধোলাই দেবার দরকার হলেই তাঁর আবির্ভাব ঘটে। বাকি সময় তিনি স্বর্গে বিরাজ করেন। তারপরও দ্রুত আমি সামলে নিয়ে আপস করে ফেলি। কিন্তু কেউই এর জন্য দুঃখপ্রকাশ করেনি। দ্বিতীয়ত নুশেরার বিদায় পোস্টে আমি মন্তব্যে বলি যে, সচলে যদি মাত্র ১ শতাংশও ভেজাল থাকে, তাহলে তো চিন্তার কিছু নাই এবং সেটা সামাল দেয়া কোনো সমস্যাই নয়। মন্তব্যটা রেস্ট্রিক্টেড করা হয়, এবং ব্যাখ্যা চাইলেও দেয়া হয় না। এরকম ছোটো খাটো ব্যাপার আরো ঘটেছে। মনে রাখিনি, কিন্তু কোনোবারই কারো তরফেই দুঃখপ্রকাশ না করাটা আমার মনে ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হিমু এবং অরূপ উভয়ই এক বিষয়ে একমত যে,&lt;br /&gt;‘‘আপনি কি মানসিকভাবে অসুস্থ? নাকি স্মৃতিভ্রষ্ট? সচল যখন ব্যান হলো, আপনার সাথে প্রহরে প্রহরে আমি নিজে যোগাযোগ করেছি। আপনার, ব্যক্তি ফারুক ওয়াসিফের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন দশটা দিন কাটিয়েছি। এই উদ্বেগের কারণও ছিলো, সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। আর আপনি এখন বলছেন আপনাকে ষড়যন্ত্রকারী ভেবেছি আমরা!&lt;br /&gt;আমার ধারণা আপনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং মৃদু পারসিকিউশন ম্যানিয়ার রোগী। এবং আমাদের বিরুদ্ধপক্ষ ভেবে আপনি রীতিমতো পুলকিত হন। এই ভুল ধারণাগুলো থেকে বেরিয়ে আসুন, নিজেও সুখে থাকবেন, আমাদেরও স্বস্তিতে রাখতে পারবেন।’’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এ মন্তব্যকে বিচলিত মানুষের প্রলাপ হিসেবেই দেখতে পারতাম। কিন্তু এর মধ্যে যে অভিমান ও অভিযোগ আছে তাকে সম্মান করে কিছু কথা বলা দরকার মনে করছি। আমি আমার ভুল বোঝার সম্ভাবনা বাতিল করছি না, কেবল আমার মনে কী আছে, তা তুলে ধরছি।&lt;br /&gt;...................................................................&lt;br /&gt;সচল ব্যান হলে আমি অন্যদের মতোই যারপরনাই তৎপর হয়ে উঠি। মনে করি সেটাই আমার কর্তব্য। খোঁজ নিই এবং নিশ্চিত হয়ে সচল কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষ ব্যানের সংবাদটি নিউজ হিসেবে ছাড়ি। এমনভাবে ছাড়ি যাতে সচলের কোনো সমস্যা না হয়। আমরা ঢাকার যারা একত্র হয়েছিলাম তাদের কারো কারো মনে হয়েছে আমাদের ঠিকমতো ইনফর্ম করা হচ্ছে না যে, কী পরিস্থিতি, কী করণীয়। আমরা বৈঠক করে কাজের সিদ্ধান্ত নিই। সেটাও আবার কর্তৃপক্ষের অনুরোধে স্থগিত করে দিই। ওদিকে সচল কর্তৃপক্ষ ৪/৫ দিনের মাথায়ও এমন বক্তব্য দিতে থাকেন যে, সচল ব্যান নাও হতে পারে। জিমেইল-এর গ্রুপ আলোচনাতেও সেই সুর দেখতে পাই। এদিকে আমাকে পরিহাস করে সামইনে লেখা আসতে থাকে। আমি চুপই থাকি। কারণ সচল কী করবে বুঝতে পারি নাই বলে। নোংরাদের জবাবে নোংরা স্টাইলে যুদ্ধ চলে ‘আমার ব্লগে’। দেখে আরো দমে যাই। আরো কিছু জিনিষ জানতে পাই (সেগুলো আমার পক্ষে ডিসক্লোজ করা সম্ভব না) তা থেকে ধারণা করি, আমাদের লাইন অব অ্যাকশন আর প্রবাসী সরকারের লাইন অব অ্যাকশন এক হচ্ছে না। অতএব চূড়ান্ত ভাবে খ্যামা দিই। সেই ঘটনায় যা হওয়ার কথা ছিল সচলের জন্য গৌরবময় অধ্যায়, তা হয়ে তাকলো বিব্রতকর ধোঁয়াশা একটা অধ্যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মধ্যে সচল গ্রুপে অরূপ লেখেন,&lt;br /&gt;‘‘এই মুহুর্তে আপনাদের দায়িত্ব লালসার্ট"গ্রুপকে কন্ট্রোলে রাখা। এরা আমাদের ঝামেলার বলি বানিয়ে স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত। অলরেডি ই-বাঙলাদেশের রিপোর্ট দেখেছেন। সচলায়তনের ব্যানে যদি অন্যরা ফায়দা নিতে যায়, আমি সাথে সাথে সাইট ডাউন করে দেব। যা করতে হবে গুছিয়ে করতে হবে। ধৈর্য্য ধরেন, আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।’’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই গুরুত্ব চিহ্নিত করা অংশ খেয়াল করুন। অরূপের সঙ্গে আমার আগের বিতর্ক, ব্যান নিয়ে নানান সন্দেহপূর্ণ বক্তব্য (সেসময়ের ঘোষণা, কমেন্ট, জিগ্রুপের কথোপকথন) এবং নানান পারিপার্শ্বিক কারণে আমার মনে হয় লাল শার্ট গ্রুপ আমাদেরই বলা হচ্ছে। কারণ আমরা বিষয়টা নিয়ে প্রেস কনফারেন্স, বিবৃতি ইত্যাদির দিকে যাচ্ছিলাম। ওই সময়ে কিছু বিভ্রান্তিকর ঘটনাও ঘটে। বিডি নিউজের সংবাদ, বিবিসি নিয়ে গুজব ইত্যাকার ঘটনায় ঢাকা ও বিদেশের মধ্যে আসলেই অস্পষ্টতা তৈরি হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মধ্যে সবজান্তার পোস্টে আমার কমেন্টের ধারাবাহিকতায় অরূপ লেখে,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একবার কাকে যেন বল্লাম দেব একটা চড়, কোথা থেকে চলে এলেন মধ্যবিত্ত প্রসঙ্গ। সচলে কাউকে ব্যান করা হল, বলা হল মধ্যবিত্ত মানসিকতা! পাশের বাসার কুকুর ঘেউ করলো, লাফ দিলো পুঁজিবাদ, আকাশে মেঘ করলো, শুরু হল শ্রেণী সংঘাত। এই তোতাপাখিদের নিয়ে বড় যন্ত্রনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতে আহত হওয়ার সঙ্গত কারণ আছে। একজন লিখলো মধ্যবিত্ত নিয়ে আমি নিজেও সাড়া দিয়ে সহযোগী পোস্ট দিলাম, আর উনি এসে লাফ দিয়ে নামলেন। বউকে বোঝাতে কবে ঝি-কে মেরেছেন তার নমুনা দিলেন। পুঁজিবাদ, মধ্যবিত্ত, শ্রেণী সংঘাত নিয়ে আমি নিয়মিতই লিখে থাকি, আরো কেউ কেউ লেখেন। ফলে বিষয়টাকে যেভাবে ট্রিট করা হয়, তাতে আক্রান্ত না হওয়াই অস্বাভাবিক। উনি ধরে নিয়েছেন, ওনার এই কমেন্ট পড়েই আমি মধ্যবিত্ত নিয়ে লিখেছি। অথচ অন্তত পোস্টিংয়ের সময় দেখলেই বোঝা যাওয়ার কথা, আমি সবজান্তার পোস্টের সম্প্রসারণ হিসেবেই লিখেছি। অরূপের কমেন্ট দেখেছি পরে। তাই হিমুর এই উত্তর মানা যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘‘আপনি হয়তো সচলায়তনের আগে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে আমাদের সক্রিয়তা সম্পর্কে অবগত নন। চড়ের প্রসঙ্গটা একসময় ঝড় তুলেছিলো, এবং অরূপ যে কথা উল্লেখ করেছে, তার সাথে জড়িত ব্লগাররা ছিলেন ব্রাত্য রাইসু, জামাল ভাস্কর ও আস্তমেয়ে। এতে আপনি কোনভাবে জড়িত নন, কিন্তু অযথাই নিজের গায়ে কথা টেনে নিয়ে একটা তিক্ত তর্কের সূত্রপাত করলেন। কেন? আপনি সব কিছুর মধ্যে আপনাকে উদ্দিষ্ট করে চালিত আক্রমণের গন্ধ কেন খুঁজে পান? আপনার কি মনে হয় না, কোন কিছু বুঝতে না পারলে সেটি আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলা কোন কিছু না-ও হতে পারে? সচলায়তনের সবাই কি আপনাকে ঠ্যাঙানোর জন্যে বসে আছে?''&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবং,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘‘আমি বারবার দেখছি আপনি আগ বাড়িয়ে লাগতে আসেন। ঘোড়া সামলান। পায়ে পা দেওয়াটা অশোভন। সচল কাউকে আটকে রাখে না। সবাই মুক্ত। জোর-জবরদস্তির কিছু নাই। এখানে যন্ত্রনা হলে, যেখানে উপশম হয় সেখানে আড্ডা গাড়াই ভালো। সচলের নিয়মের পিছে না লাগাই ভালো, নিয়মহীনতার একাধিক ত্রে আছে, ঠিকানা প্রয়োজন হলে জানাবেন।&lt;br /&gt;দয়া করে অপ্রয়োজনে না পিছে লাগলে সুখী হই। প্যারানয়া থেকে বের হয়ে আসুন, আগ বাড়িয়ে ক্যাচাল করাটা হজম করা সম্ভব না।&lt;br /&gt;শুভেচ্ছায়&lt;br /&gt;অরূপ’’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই হলো সচলে বিতর্ক করবার ফল। আমি এই মনোভাবকে মানসিক সমস্যা বলব না, বলবো একচেটিয়া ক্ষমতাবানের আচরণ। দোষ কেবল স্ট্যালিনেরই, তাই না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পিছে এসে আদিত্য লিখলেন, (১০.১.১.১.২.১ । আদিত্য (যাচাই করা হয়নি) । মঙ্গল, ২০০৮-০৮-১২ ০৭:০৬ )&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘‘হা হা হা...অরুপের মন্তব্য 'বিপ্লব’, আপনি জানেন না চরমেরা প্যারানয়েড ? সুলন বিলন কিছুনা, আসল লন হইলো কার্য সম্পাদন করিতে হইবে যে করেই হোক! তা না হলে কি তারা সবার জিনিষ এক দৈর্ঘ্যের হওয়া উচিত এমন খোয়াব দেখেন? নন্দীগ্রামে যা প্রোডাকশন দিয়েছে তারা, তা কোন অভদ্দর লোক অন্দর বাড়ীর ঝি'র পেটেও দেয় না।’’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইনি অন্যত্রও আমাকে এই ভাবে সম্বোধন করেছিলেন। প্রতিক্রিয়ার এই ধরনটা কী বিষ্ময়করভাবে তিনজনের বেলাতেই এক???&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। তারপরও সাতদিনের মতো এই অপমানের প্রদর্শনী চললো। অবশেষে অরূপ সরিয়ে নিলেন, আর আদিত্য এখনো সেখানে আপনমূর্তিতে ঝুলছেন। মডারেশন নির্বিকার।&lt;br /&gt;হাওয়ার ওপর তাওয়া আমি ভাজিনি। ব্যক্তিগত ভাবে না হোক, কমেন্টের জবাবে এরকম কমেন্ট দিলে তা যে অপরকে হেয় করা হয় এই মিনিমাম স্ট্যান্ডটাও এই এখনকার বিতর্কেও স্বীকার করতে দেখলাম না। এতে করে আমার অবিশ্বাস আরো বদ্ধমূলই হলো বরং।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পরে প্রিভিলেজড ইত্যাদি অভিযোগ আমি তুলেছি। এটার বিস্তারিত বলা আমার পক্ষে সম্ভব না। তাতে বন্ধুকেও অভিযোগ করা হয়। কিন্তু কারো পোস্ট রিপোস্ট হতে পারে, কারোটা পারে না। চমস্কির একটা অনুবাদ দিয়েছিলাম, সেটা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। কারণ পোস্টের ৬/৭ ঘন্টা পরে ওটা প্রথম আলোর ওয়েবে আসে, এবং ১২ ঘন্টা পরে ছাপা হয়। নিয়ম মেনে সরিয়ে নিলাম। কিন্তু দুই বছর আগের প্রথম আলোয় ছাপা লেখা কিন্তু ঠিকই প্রথম পাতায় চলে আসে। এরকম আরো আছে, আমার এবং অপর কারো কারো বেলায়।&lt;br /&gt;মনজুরাউল অ্যান্টি গল্প লিখতেন, তা থেকে শুরু হলো অ্যান্টিছড়ার চরম মশকরা। এবং তা সমাদর পেতে লাগলো। মঞ্জু ভাইয়ের আক্রান্ত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল, তা তিনি হয়েওছেন। তবুও মডারেশন নির্বিকার। এখন বেচারা জুলিয়ান ভাইও কী বলতে এসে কী শুনে গেলেন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব আমি মনে রাখিনি, সেটা উচিতও নয়। কয়টা উদাহরণ দেয়া দরকার ছিল, কারণ আমার মানসিক রোগটা আজকে একটু বেড়ে গিয়েছে কি না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এগুলো আসলেই বড় ব্যাপার নয়, কিন্তু সব কিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে এবং মঞ্জুর সামান্য প্রতিবাদ (হোক তা ভূল) ছাড় না পাওয়ায় এবং তারপরে আমাকে নিয়ে যা হলো, তার পরে এগুলো আত্মপক্ষ সমর্থনে নয়, আমাদের কোথায় কীভাবে ত্রুটি হয়ে যায়, তা ধরিয়ে দেয়ার বাধ্যতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেভাবে বলতে এসেছিলাম, সেভাবে বলা হলো না, কিছুটা তর্ক হয়ে গেল। সচলে আমি তুমুল বিতর্ক করতে রাজি আছি, কিন্তু এখানে কারো সঙ্গে যুদ্ধ করা আমার পক্ষে সম্ভব না, এ আমি বুঝে গেছি। আমার কলমও তা পারবে না। কারণ কৃতজ্ঞতা, কারণ ভালবাসা। কারণ একটি অভিসারের মধুর স্মৃতি। তাতে অরূপ ও হিমুর মতো প্রতিভাবান তরুণদের প্রতি ভালো লাগার রেশ থেকেই যাবে। আমি ওদের রুদ্র মূর্তির প্রতিক্রিয়া করলাম, ওদের সদয় মনের প্রতি প্রণতি জানালাম। বর্তমান একদিন সেই ভবিষ্যতে পোঁছাবে, তাইরেসিয়াসের মতো তাই-ই ভাবতে চাইছি। আর অর্জুনের মতো করে বলবার সাধ হচ্ছে, জয় নয় অভীষ্ট চাহিয়াছি। সেই অভীষ্টের নাম মুক্তপ্রাণ সচলায়তন।&lt;br /&gt;সচলের চিরবন্ধু,&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গড় রেটিং&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(৪ ভোট)&lt;br /&gt;Trackback URL for this post:&lt;br /&gt;http://www.muktopran.org/trackback/17933&lt;br /&gt;লিখেছেন ফারুক ওয়াসিফ (তারিখ: রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ১৮:৩৪)&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | ফারুক ওয়াসিফ এর ব্লগ | ৪টি মন্তব্য | ১৬১বার পঠিত&lt;br /&gt;Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, ফারুক ওয়াসিফ. Sachalayatan.com can not be held responsible.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;১ | হিমু | রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ২০:২৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"ফারুকের মন,&lt;br /&gt;সহস্র বর্ষের সখা সাধনার ধন।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রিয় ফারুক ভাই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছোট্ট একটা নুড়ি যদি পাহাড়ের ঢাল দিয়ে গড়ায়, অনেক বড় শৈলপতন ঘটতে পারে বৈকি। তেমনটিই বোধ করছি আপনার এই পোস্টটি পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  তা করতে গিয়েছিলাম বিশেষত হিমুর ২৩ নং কমেন্টের উপক্ষার সুর দেখে। উপেক্ষা কে পারে? যার ক্ষমতা থাকে। আমি ওই মন্তব্যে মডারেটরের ক্ষমতার প্রকাশ ঘটতে দেখেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ছিলো আমার ২৩ নং কমেন্ট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  যাঁরা সম্প্রতি সচল হলেন, তাঁদের চেয়ে আপনি লেখক হিসেবে ঊনতর কি না, সে রায় দেবে তাঁদের এবং আপনার পাঠকেরা। তবে সচলায়তনের পরিবেশের সাথে তারা নিজেদের অভিযোজিত করতে পেরেছেন। আপনি এখনও পারেননি, এই মন্তব্যে আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  দীর্ঘদিন ধরে সচলায়তনে যাঁদের আমরা অতিথি হিসেবে লিখতে অনুরোধ করে যাই, তাঁদেরকে লেখক হিসেবে অস্বীকার করা হচ্ছে না, বরং প্রকারান্তরে লেখক সমাবেশের সাথে একাত্ম হওয়ার জন্যে সময় নিতে বলা হয়। এতে দোষণীয় কিছু আছে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনার আত্মসম্মান বা আত্মবিশ্বাসে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন তো সচলায়তনের নেই। সেগুলি অটুট ও অক্ষুণ্ন থাকুক। কোন কারণে যদি আপনি আহত হয়ে লেখা থেকে বিরত থাকতে চান, সেটি আপনার সিদ্ধান্ত। যেভাবে আপনি লেখার আনন্দ পান, সেভাবেই লিখে যান। আমাদের শুভেচ্ছা থাকবে আপনার জন্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে আপনি উপেক্ষার সুর খুঁজে পেলেন? এখানে ক্ষমতার প্রকাশ দেখলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আবারো বলছি, মঞ্জু ভাইয়ের সদস্যপদ পাওয়ায় বিলম্বের কারণ হিসেবে প্রকারান্তরে তাঁকে ‘কলহপ্রিয়’ বলা হয়, তাঁরও ‘মানসিক বিষফোঁড়া’ আবিষ্কার করে সেখানে খোঁচানো হয়। ওই পয়েন্টেই আমার আপত্তি অনড়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজু ভাইকে কোথায় কলহপ্রিয় বলা হয়েছে, অনুগ্রহ করে দেখান। তাঁর "মানসিক বিষফোঁড়া"র ব্যাখ্যা তাঁর পোস্টেই পাবেন। একজন উদ্বেগাকূল পিতা সন্তানের অসুস্থতা কাটিয়ে ওঠার পর এসে জমে থাকা সব ক্লান্তি আর টেনশন ঝেড়ে দিয়েছেন সচলের ওপর, কেন তাকে সচল করা হলো না অন্য তিনজনের সাথে বা তাদের আগে। এই অভিমানে তিনি বিদায় নিচ্ছেন। এতেই আপনার আপত্তি। আপনি "মানসিক বিষফোঁড়া" কথাটিতে অনড় আপত্তি জানান, অথচ এই একই আপনি পোস্ট লেখেন, "পুঁজির মূত্রস্রোতে মানবতার অলীক ফুল।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  গোড়া থেকেই আমি হিমুর কমেন্টের সুর ও স্বর নিয়ে কিছুটা চাপ বোধ করছিলাম। কারণ এমন সুর মানুষকে উস্কে দেয়। যার ক্ষোভ আছে (সঙ্গত অসঙ্গত যা-ই হোক) সে এতে দাঁড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মনে হয় ব্যাপারটি উল্টো। আপনি ক্ষুব্ধ, সেই ক্ষোভ প্রকাশের একটা সুযোগ খুঁজছিলেন, তাই আমার সুর আর স্বরকে উপলক্ষ্য করে মনজু ভাইয়ের পোস্টে প্রসঙ্গ থেকে সরে গিয়ে নিজের ক্ষোভ ঝাড়া শুরু করলেন। কী ছিলো শুরু থেকে আমার সুর আর স্বরে? আসুন দেখি আবার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্তব্য ৫:&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  শ্রুতি সুস্থ হয়েছে জেনে আনন্দিত হলাম। আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেবেন ওকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্তব্য ১৯.৩.১.১&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  প্রিয় মেটালিফেরাস,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনার কাছে অবিশ্বাস্য কী ঠেকলো, বুঝতে পারলাম না। সচলায়তন কমিউনিটির স্ট্যাবিলিটির স্বার্থকে সচলায়তন বড় করে দেখবে, সেটার মধ্যে এতো বিস্ময়ের কি আছে, একটু স্পষ্ট করে বলবেন কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  টার্মস হিসেবে যা উদ্ধৃত করলেন, সেটা সচলের কোন "টার্মস" নয়, অতিথি লেখকদের জন্যে একটি মেসেজ। সেখানেও কী পরিবর্তন প্রয়োজনীয়, বুঝিয়ে বলুন। প্রয়োজনবোধে পরিবর্তন করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্তব্য ২০.১&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনি অতিথি লেখকের কথা সচলায়তনের মুখে গুঁজে দিচ্ছেন কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনার পা যদি জুতোর তুলনায় মহত্তর হয়, প্লিজ, সেটা নিজের পায়ের সমস্যা বলেই চিনে নিন, জুতোর ঘাড়ে দোষ চাপাবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্তব্য ২১.১&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  কারো অনুযোগের উত্তরে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করাকে যদি আপনার "উদ্ধত আচরণ" বলে মনে হয়, তাহলে করার কী থাকতে পারে, দয়া করে জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  "এর আগেও আরো অনেকের বেলায় চোখে লাগা"র কথা শুনে মনে হচ্ছে, আপনি সচলায়তন দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেন। এর আগে আরো অনেকের বেলায় আমাদের অত্যাচার-অনাচার মুখ বুঁজে সহ্য করে গেছেন, কিন্তু আজ আপনার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আপনি গোপন রাখতে পারছেন না। তাই আপনি গর্জে উঠেছেন। বেশ, উত্তম। কে জানে, হয়তো মেটালিফেরাস নামের আড়ালে আপনি আমার পরিচিত কেউ। হয়তো হেথা নয়, অন্য কোনখানে আপনি পাঠক নন, লেখক হিসেবেই সক্রিয় আছেন। বিশেষ করে বাংলা টাইপ করার দক্ষতা দেখে তো তা-ই মনে হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  তবে আপনি যে পরামর্শটি দিলেন, সেটি আমরা মানতে পারছি না বলে দুঃখিত। ওটা আপনার ইন্টারপ্রিটেশন, আমাদের বক্তব্য নয়। আমাদের "জুতোয় পা রাখা"র ব্যাপারটাও স্পষ্ট, যেটাকে আপনি উদ্ধত আচরণ বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন। যদিও জুতোর মাপে পা বা পায়ের মাপের জুতোর উপমাটি আমাদের নয়, মনজু ভাই, এবং মেটালিফেরাস, আপনার পছন্দের উপমা, তারপরও বলি, সচলায়তনে সদস্য হবার ব্যাপারটি সরল। আমরা ভালো লেখা, নিয়মিত লেখা, এবং সংসর্গবৎসল নির্বিবাদী সদস্য চাই। আপনি বুঝতে গিয়ে পেঁচিয়ে ফেলে যদি আমাদের ঘাড়ে তার দোষ চাপাতে চান, বা চাপিয়ে আনন্দিত হতে চান, আপনাকে বিরত করার কোন পদ্ধতি দেখছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  সচলায়তনের নিয়মগুলি যদি কারো পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে তিনি সাধারণত সচলায়তনে থাকেন না। এই ফ্যাক্টটিতে আপনি ব্যথিত হলে আপনার ব্যথামোচনের জন্যে আমাদের পক্ষ থেকে কী করা জরুরি বলে আপনি মনে করেন? জানাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  সবশেষে নজরুলের একটা গানের কথা স্মরণ করাই। আমার দেয়া ব্যথা ভোলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  ভালো থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পরপরই আপনি এলেন। আপনার দীর্ঘ কমেন্টের একটি অংশ উদ্ধৃত করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  কিন্তু তা হয়নি। বুধবার ২৩-১০ এ ছাড়া পোস্ট পরদিন ৩-২১ এ একজন মডারেটরের সাড়া পেল নবম মন্তব্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে আপনার অনুচ্চারিত দাবি, কেন মডারেটরের কমেন্ট প্রথম মন্তব্য হবে না। আপনি কি ব্লগকাঠামোর ফিজিক্যাল লিমিটেশনের সাথে পরিচিত নন? একজন মডারেটর কি প্রতিটি পোস্ট পড়ে প্রথমে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন? এটা কি সম্ভব?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি প্রশ্ন করছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  সচলে বিচ‌্যুতি, ব্যত্যয় যে কারোরই হতেই পারে, কোথাও কোথাও কেউ আঘাত পেতেই পারেন; এটা মেনে নিতে অসুবিধা কোথায়? যিনি অভিযোগ করছেন, এবং যিনি তা খণ্ডন করছেন, তিনিও ভাবতে পারেন, সমস্যাটা দৃষ্টিভঙ্গির এবং বিবেচনা বোধের। আলোচনায় এর নিরসন সম্ভব। খারাপ দৃষ্ঠান্ত তৈরি হওয়ার আগেই তা করা যেত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কী বলবো এ কথার উত্তরে? আপনার কথা কি ফিরিয়ে দেবো আপনাকে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এর উত্তরে বলেছি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনি আলোচনার কথা বলেছেন, মনজু ভাই তো আলোচনার পথে এগোননি। তিনি বিনা আলোচনায়, নিজস্ব ধারণার ভিত্তিতে (মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না) একটি সিদ্ধান্ত জানিয়ে সরাসরি পোস্ট দিয়েছেন। এর দায় কি মডারেটর বহন করবে? মনজু ভাই সরাসরি বলে দিয়েছেন, জুতোর মাপে তিনি পা তৈরি করতে পারবেন না। জুতোর মাপ এর অর্থ যদি হয় সচলের নিয়মগুলি সাথে অভিযোজন, তাহলে আমি বিনীতভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এখানে আমরা সবাই জুতোর মাপে পা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ওনার একার সমস্যা হলে তার সমাধানের দায়ও ওনার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি বলছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  সচলের পরিচালনা রীতির সামান্য অনুযোগ করলেই যেরকম স্পর্শকাতরতা দেখান, সেটা ঠিক নয়। মনজু ভাইয়ের অপেক্ষা করাই উচিত ছিল, সেটা আমি ওপরে বলেছি। কিন্তু অনুযোগ জানিয়ে উনি কোনো অন্যায় করেছেন, তা আমি মনে করি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তরে আমি বলছি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  স্পর্শকাতরতার কিছু নেই। আপনি লক্ষ্য করে দেখুন, কোথাও আমরা বলিনি যে মনজু ভাই অনুযোগ করে অন্যায় করেছেন, বরং তাঁর অনুযোগের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছি। এই ব্যাখ্যাটি তাঁর বা আপনার বা আরো অনেকের অপছন্দ হতে পারে, কিন্তু ব্যাখ্যাটি এমনই। মনজু ভাইয়ের অনুযোগ একটি অন্যায়, এই বাক্য এসে প্রথম ব্যবহার করলেন আপনি। কারণ কী?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোন সদুত্তর পাইনি। লক্ষ্য করুন, আপনি এসে আপনার ধারণাটি প্রকাশ করছেন যে, মডারেশনের পক্ষ থেকে ভাবা হচ্ছে, মনজু ভাই অনুযোগ জানিয়ে অন্যায় করেছেন। এমনটি আপনার মনে হবার কারণ কি আমি জানি না। আপনি ব্যাখ্যাও করেননি। তবে আবারও সম্ভবত সুর আর স্বরের ওপর দোষ দেবেন। আমি বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানাই, দয়া করে একটা উদাহরণ দেখান, যেখানে আমি আগ বাড়িয়ে গিয়ে সুর ও স্বরের সাহায্য কোন সচলকে আক্রমণ করেছি। আমি বরাবরই আক্রান্ত হলে কথা বলি। মনজু ভাই তীব্রভাবে তাঁর আবেগ প্রকাশ করেছেন, তিনজন সদ্যসচলের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর সুর আর স্বর নিয়ে আপনি বলেছেন, তাঁর লেখায় নাকি যুক্তি আর আবেগের ভারসাম্য অটুট ছিলো। এর উত্তরে কী বলবো, বলুন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না, কিন্তু "আপনাদের" কপাল সীতার কপাল কথাটা শুনে বিস্মিত হচ্ছি। এই "আপনারা" কারা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর আসেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি বলছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনারা যে আহত হন না, লোকে যে অকারণে আপনাদের জ্বালাতে আসে না, তা নয়। আসে। কিন্তু মডারেটর হিসেবে সেটার সঙ্গে একজন সদস্য বা হবু সদস্যের আহত হওয়াকে এক নিক্তিতে মাপা যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি বুঝতে পারছি, আপনি কী বলতে চাইছেন। মডারেটরের আহত হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ তাঁকে থাকতে হবে আক্রমণের মুখে, অভিযোগের মুখে। কিন্তু কোন সচল আহত হতে পারবেন না। আমি সম্মত এই প্রস্তাবে। এর উদাহরণ আপনি পাবেন, যখন সচলদের মধ্যে তীব্র কোন বিবাদে মডারেটররা কাজ, ঘুম এবং আহার ফেলে এসে দাঁড়িয়ে তা মিটমাট করার চেষ্টা করছেন। সচলে সদস্যর সংখ্যা পৌনে দু'শো, নিয়মিত সচলদের কাছ থেকে একের পর এক অনুরোধ, জিজ্ঞাসা, অনুযোগ আসতেই থাকে। এমন দিনের সংখ্যা কম নয়, যেদিন রাত জেগে কাটিয়েছি সদস্যদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সমাধানের জন্যে। বিনিময়ে যে তিরস্কার, ভর্ৎসনা, কটূবাক্য পেয়েছি কয়েকজনের কাছ থেকে, তা নিয়ে কখনও সচলে পোস্ট বা মন্তব্য দিই না। কারো ব্যক্তিগত মেসেজ থেকেও কোট করে সেই ক্ষোভ ঝাড়ার চেষ্টা করি না। তারপরও আপনি একই নিক্তিতে চাপাবেন না আমাদের। এই যে মানসিক আর শারীরিক ক্লান্তিটুকুর ভেতর দিয়ে আমরা চলি, কেবল সচলায়তন সুস্থ থাকবে এই আশায়, এর মূল্য কি মেলে, যখন আপনি বলেন, একই নিক্তিতে মাপা যায় না? আমরা তো সুপারম্যান নই, মানুষই তো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুব গর্ব নিয়ে বলি, আমাদের এই কষ্টের ফল আমরা পেয়েছি। সচলায়তনের দিকে তাকিয়ে দেখুন। এর নেপথ্যে কি আমাদের এই পরিশ্রমটুকুর কোন ভূমিকা নেই, কোন মূল্য নেই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি বলছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আমার অভিযোগ ছিল পক্ষপাতিত্ব নিয়ে, সচলের ভেতরে একটা প্রিভিলেজড ক্লাস নিয়ে। অন্যদের মতো অনেক নিয়মই তাদের বেলায় খাটতে দেখা যায় নাই। ছোটো খাটো ম্যানিপুলেশন না হয় বাদই দিলাম। আজ এত কিছুর পর ওসব ভোলা যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি অভিযুক্ত করছেন আপনার সহসচলদের। তাঁদের কয়েকজন আপনার চেয়ে বেশি সুবিধাভোগী। এটি কতটুকু সুবিবেচনার পরিচয় দেয়, বলুন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি বলছি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  গত ১৩ মাস ধরে আমরা সবাই মিলে সচলায়তনকে একটু একটু করে গড়ে তুলছি। কলহ, বিবাদ, কাদা-ছোঁড়াছুঁড়ি থামানোর জন্যে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা যা কিছু করা সম্ভব, করছি। সচলায়তনের সদস্যদের প্রশ্ন করে দেখুন, কেন তাঁরা এই কমিউনিটিকে ঘিরে আছেন। এই পরিবেশটুকুর জন্যে। কারো ব্যক্তিগত কলহপ্রিয়তার বিলাসকে উৎসাহিত করার জন্যে আমরা সচলের নিয়মে ছাড় দিতে প্রস্তুত ছিলাম না, এখনো নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই পোস্টে আপনি এই কলহপ্রিয় শব্দটির সাথে যোগরেখা টেনেছেন মনজু ভাইয়ের সাথে। আমার মন্তব্যের কোথাও কি মনজু ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে? যদিও তিনি বহুবার তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন সচলদের, বিভিন্ন পোস্টে তাঁর মন্তব্যগুলি দ্রষ্টব্য। হুমায়ূনভক্তদের খাটো করতে গিয়ে তিনি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন একবার, তা দেখবেন দয়া করে। দয়া করে তাঁর সাথে আমরা কী ভাষায় কেমন আচরণ করেছি, তা-ও দেখবেন। তুলনা করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পর আপনি যা করলেন, একটি ব্যক্তিগত মেসেজ তুলে দিয়ে নিজের ক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা শুরু করলেন। আজও আপনি সচল ইমার্জেন্সির একটি মেসেজ তুলে দিয়েছেন পাঠকের জন্যে। আপনার সাথে ইমেইল চালাচালির সময় আপনি নিজে লেখেন সেইসব মেইল মুছে দিতে। বিশ্বস্ততার সাথে তা করেছি। অথচ আপনি নিজে ব্যক্তিগত মেসেজ প্রকাশ করতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠা বোধ করেন না। এ প্রসঙ্গে কিছু বলবেন, আপনার বক্তব্য শোনা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবশেষে বলেছি,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আরেকটা কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;  সচল ব্যানের সময়ও ভাবা হয়েছিল যে, আমি ষড়যন্ত্র করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনি কি মানসিকভাবে অসুস্থ? নাকি স্মৃতিভ্রষ্ট? সচল যখন ব্যান হলো, আপনার সাথে প্রহরে প্রহরে আমি নিজে যোগাযোগ করেছি। আপনার, ব্যক্তি ফারুক ওয়াসিফের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন দশটা দিন কাটিয়েছি। এই উদ্বেগের কারণও ছিলো, সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। আর আপনি এখন বলছেন আপনাকে ষড়যন্ত্রকারী ভেবেছি আমরা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আমার ধারণা আপনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং মৃদু পারসিকিউশন ম্যানিয়ার রোগী। এবং আমাদের বিরুদ্ধপক্ষ ভেবে আপনি রীতিমতো পুলকিত হন। এই ভুল ধারণাগুলো থেকে বেরিয়ে আসুন, নিজেও সুখে থাকবেন, আমাদেরও স্বস্তিতে রাখতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আপনার পেছনে লেগে থাকার কারণ, উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন সচলের নেই। যদি একই ভাবে এই ফেভারটা রেসিপ্রোকেট করতে পারেন, কৃতার্থ হই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি উদ্ধৃতও করেছেন এটি। কিন্তু এড়িয়ে গেছেন নিচে সুবিনয়ের তিরস্কারের জবাবে আমার উত্তর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  হ্যাঁ। বলাটা অনুচিত হয়ে গেছে। সম্ভবত সন্দেহবাতিকগ্রস্ত বলতে চেয়েছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  জাস্টিফিকেশন নয়, কার্যকারণ পাবেন এর আগের প্যারায়। ফারুক ওয়াসিফ অবগত আছেন, সেই সময় কী উদ্বেগের মধ্যে আমরা ছিলাম। তারপরও তিনি যে সন্দেহ পোষণ ও প্রকাশ করেছেন, তা আমাকে রীতিমতো আহত ও অপমানিত করেছে। আমি ব্যথিত, ক্ষুব্ধ এবং আস্থাহত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  তারপরও এ কথা সত্যি, তাঁকে পার্সিকিউশন ম্যানিয়ার রোগী (হোক তা মৃদু) বলা আমার সাজে না। ফারুক ভাই, আন্তরিকভাবে দুঃখিত এ জন্যে। আপনার সন্দেহবাতিক দূর হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি আরও বলছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  মনজুরাউল অ্যান্টি গল্প লিখতেন, তা থেকে শুরু হলো অ্যান্টিছড়ার চরম মশকরা। এবং তা সমাদর পেতে লাগলো। মঞ্জু ভাইয়ের আক্রান্ত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল, তা তিনি হয়েওছেন। তবুও মডারেশন নির্বিকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজু ভাইয়ের পক্ষ থেকে কি আপত্তি জানানো হয়েছিলো মডারেশনের কাছে? হয়নি। "অ্যান্টিছড়ার চরম মশকরা" নিয়ে কি মনজু ভাই বা আপনি সংশ্লিষ্ট লেখকের কাছে প্রতিবাদ করেছিলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলে দীর্ঘদিন মূলধারায় প্রকাশিত লেখাকেও প্রকাশে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। সম্ভবত সেই সময়ে আপনার লেখাটিকে সরানো হয়েছে। খুব বেশিদিন হয়নি, সে ধরনের লেখাকে আমরা প্রকাশ করছি। আপনি নিজের লেখার প্রতি "অবিচার" এর কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু টাইমফ্রেমের কথা ভাবেননি। দু'টি ঘটনা কি একই সময়ে ঘটেছিলো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি বলছেন,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  এগুলো আসলেই বড় ব্যাপার নয়, কিন্তু সব কিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে এবং মঞ্জুর সামান্য প্রতিবাদ (হোক তা ভূল) ছাড় না পাওয়ায় এবং তারপরে আমাকে নিয়ে যা হলো, তার পরে এগুলো আত্মপক্ষ সমর্থনে নয়, আমাদের কোথায় কীভাবে ত্রুটি হয়ে যায়, তা ধরিয়ে দেয়ার বাধ্যতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজু ভাইয়ের প্রতিবাদ সামান্য কি না সে বিষয়ে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু "ছাড় না পাওয়া"র ব্যাপারে আপনি কী বোঝাতে চাইলেন, বুঝতে পারিনি। প্রতিবাদের উত্তরে যদি মডারেশনের পক্ষ থেকে বক্তব্য না আসতো, তাহলেই কি ঠিক হতো? আমরা চুপ থাকলে আপনি প্রশ্ন তুলতেন মডারেশন চুপ কেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিশেষে অনুরোধ, আপনি নিজের ত্রুটির কথাও ভাবুন। আমরা আমাদের ত্রুটি সংশোধনের জন্যে সর্বদা সচেষ্ট আছি। কিন্তু যেভাবে আমরা আক্রান্ত হই সামান্য কারণে, তা চলতে থাকলে অযথা তিক্তবাক্যবিনিময় বাড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গভীর বিষাদ নিয়ে অনুভব করছি, সচলায়তনের পেছনে আমাদের কষ্টটুকুর কোন মূল্য আপনি দিলেন না। সচলায়তন এমনি এমনি হয়নি, হাওয়া ফুঁড়ে বেরোয়নি, আমাদের ঘাম আর অশ্রু গায়ে মেখে বড় হয়েছে। একে অস্বীকার করে আমাদের গালি দেয়া সহজ, কষ্টটুকু উপলব্ধি করা সহজ নয়। মাঝে মাঝে অনুশোচনা হয়, কেন একটা নিরিবিলি লেখার জায়গা গড়তে গেলাম আমরা? থাকতাম কাদায় গড়াগড়ি দিয়ে, খিস্তি আর জামাতি প্রোপাগান্ডার সাথে মাখামাখি হয়ে। অভুক্ত অবস্থায় রাত জেগে গালিও খেতে হতো না, এই বাড়তি উদ্বেগের মুখোমুখিও হতে হতো না। ক্যারিয়ারের পেছনে মন দিতাম, ঝাঁকের কই ঝাঁকে মিশে যেতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ এই প্রথমবারের মতো বিবেচনা করতে ইচ্ছে করছে, সচলায়তন বন্ধ করে দিলে কেমন হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২&lt;br /&gt;স্নিগ্ধা এর ছবি&lt;br /&gt;২ | স্নিগ্ধা | রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ২০:৪৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রিয় হিমু - 'লেখক হিমু'র প্রতি যে শ্রদ্ধা ছিলো, আপনার এই বক্তব্য পড়ে 'ব্যক্তি হিমু'ও তাতে অন্তর্গত হলো! এটাকে দয়া করে নিছক স্তুতিবাক্য হিসেবে নেবেন না - একদম মন থেকেই বলছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলায়তন আমার একটা বিশ্রাম নেয়ার জায়গা, একটা বন্ধু পাবার জায়গা। এতগুলো সমমানসিকতার মানুষ একজায়গায় সহজে কি আর মেলে?!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে দূরদৃষ্টি, প্রগতিশীল চিন্তা, সময় আর পরিশ্রম দিয়ে আপনারা কয়েকজন এটা গড়ে তুলেছেন - তাদের জন্য সবসময় আমার কৃতজ্ঞতা এবং অভিনন্দন থাকবে!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধন্যবাদ - অশেষ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩&lt;br /&gt;প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি&lt;br /&gt;৩ | প্রকৃতিপ্রেমিক | রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ২১:০৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা যারা জানি এধরনের একটা সাইট তৈরী করতে আর পরিচালনা করতে কত ম্যান-আওয়ার দিতে হয় তারা আপনাদের ভার বুঝতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ পাঠক-লেখকের পক্ষে সেটা অনুধাবন করাও সম্ভব নয়। এই সত্যটুকু মেনে নিয়েই আপনাদের সচল চালনা করতে হবে, চালু রাখতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর তাই আমি অনুরোধ করছি যুক্তি পাল্টা যুক্তি আপনারা যতই দেন না কেন এর সমাপ্তি হবে তখনই যখন একজন ক্ষ্যান্ত হবে। লিখে আর যাই হোক একজন মানুষের মনের অবস্থার প্রকৃত প্রকাশ সম্ভব নয়। সেজন্যই ইমোটিকনের জন্ম হয়েছে। সেটাও কি ভাব প্রকাশে শতভাগ সক্ষম? কখোনোই না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফারুক ভাই মনে হচ্ছে বেশ অভিমান করেছেন। আপনার লেখায় তো সবসময় ভীষণ যুক্তি কাজ করে। অভিমান করে বিদায় নেয়াটা একদম মানা যায়না। আপনার আর সুবিনয় মুস্তফির সেই পোস্টটাতে মন্তব্যের যে যুদ্ধ দেখেছি সেটাকে কখোনই আমার বিবাদ মনে হয়নি। আমার কাছে তা মনে হয়েছে খুবই সুস্থ একটি বিতর্কের মত। অথচ আপনি বা অনেকেই হয়তো সেটাকে তেমনভাবে দেখেননি। তার অর্থ হলো একটা লেখা কে কিভাবে গ্রহণ করলো সেটা পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, লেখক কি মনে করে লিখেছে সেটা লেখকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্তত আমার তাই মনে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষ কথা হলো সবাই বুঝলাম। শুধু দুইটা বিষয় মানতে পারছিনা:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। ফারুক ওয়াসিফের চলে যাওয়া&lt;br /&gt;২। হিমুর মনে সচলায়তন বন্ধ করে দেয়ার ভাবনার উদয় হওয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলায়তনে শুধু সময় কাটাতেই আসি না, এখানে আসলে অনেক নতুন কিছু শেখাও হয়। আর তাই আপনাদের দুজনের প্রতি দাবি: দুই জনই উপরের দুইটা পয়েন্ট ভুলে যান। তার পর যা খুশি বলেন, লেখেন, মন্তব্য করেন, সুস্থ বিতর্ক করেন-- সবাই তাতে খুশী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফারুক ভাই তো লেখার শুরুতেই বলেছেন&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  প্রথমবারেরটা হারিয়ে গেল কোথায়। আবার দিলাম ভুলভালসহ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অর্থাৎ আপনি যা লিখেছেন সেখানে কিছু ভুলভাল আছে। তাই আমি ধরে নিব আপনি সচলায়তনে ছেড়ে যাচ্ছেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর হিমুকে সচলায়তন বন্ধ করতে দিচ্ছে কে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪&lt;br /&gt;সৌরভ এর ছবি&lt;br /&gt;৪ | সৌরভ | রবি, ২০০৮-০৮-৩১ ২১:১৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো লাগছে না এইসব আর। খরগোশ হয়ে গর্তে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেকদিন আগে শোনা এক শ্রদ্ধেয়ের বাণী মনে পড়ছে - তুমি যদি মনে করো, তুমি পার্ফেক্ট, আমি নিশ্চিত তুমি মিথ্যাবাদী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মডারেটরেরা ঈশ্বর নন, আমি নিজে পার্ফেক্ট নই। এইটুকুই আমার উপলব্ধি।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3176258131740295778-4210863332095431717?l=drishtipat.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://drishtipat.blogspot.com/feeds/4210863332095431717/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/08/blog-post_7206.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4210863332095431717'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3176258131740295778/posts/default/4210863332095431717'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://drishtipat.blogspot.com/2008/08/blog-post_7206.html' title='জয় নয়, অভীষ্ট চাহিয়াছি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3176258131740295778.post-1672246075149419941</id><published>2008-08-31T09:59:00.000-07:00</published><updated>2008-08-31T10:14:43.894-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তচিন্তা'/><title type='text'>সচলায়তনের আচরণের কিছু নমুনা</title><content type='html'>সচলায়তনের আচরণের কিছু নমুনা এখানে মূল পোস্টের লিংক সহ রেখে দিচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;http://www.muktopran.org/monjuraul/17873&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;C-2/7&lt;br /&gt;লিখেছেন &lt;a href="http://www.muktopran.org/monjuraul"&gt;মনজুরাউল&lt;/a&gt; (তারিখ: বুধ, ২০০৮-০৮-২৭ ২৩:১০)&lt;br /&gt;ক্যাটেগরী: দিনপঞ্জি | মুমু'র পোস্ট।শ্রুতি।হাসপাতাল।বিদায় | সববয়সী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা কোন বৈজ্ঞানিক সিম্বল বা কোড নম্বর&lt;br /&gt;নয়।হাসপাতালের বেড নম্বর।হলি ফ্যামিলি হাসপতালে দোতলার ওই বেডে ১৯আগষ্ট রাতে একটি ছোট্ট মেয়ে জীবন-মরণ শংকা নিয়ে ভর্তি হয়েছিল।প্রায় ৪৮ঘন্টা ধরে থেমে থেমে বমি করার পর হাসপাতাল।ডাক্তার,নার্স, আত্মিয়ের উদ্বিগ্ন মুখ,স্যালাইন, আরো আরো মেজার।২০ তারিখ সন্ধ্যেয় একটু ধাতস্থ হওয়ার পর নতুন করে নানাবিধ পরীক্ষা। জানা গেল ডেঙ্গুজ্বর।টানা ১৩দিন টাইফয়েডে ভুগে ৪দিন গ্যাপ দিয়েই আবার জ্বর, এবং ডেঙ্গু!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হু হু করে রক্তের প্লাটিলেট নেমে যাচ্ছে..৩লাখ থেকে এক ধাক্কায় ৭৪হাজার।পরদিন ২৩হাজার! বয়ষ্ক আত্মিয়রা পরাজয় মেনে সৃষ্টিকর্তার হাতে সপে দিতে বললেন।বাস্তববাদীরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টার কথা বললেন।বাবা-মা নিরেট পাথর।হুড়মুড় করে কত স্মৃতি কত কথা ভিড় করে আসে!দশ বছরের স্মৃতি!এর পর কী,তার পর কী..কত না বলা কথা...কত অনুচ্চারিত কথা!এক একটা মুহূর্ত যেন জমাট পাথর, নড়ে না! নির্ঘুম কেটে যায় রাত-দিন,আবার রাত।তিন দিন পর একটু একটু করে প্লাটিলেট বাড়তে শুরু করল।ডাক্তার-নার্সদের অকান্ত চেষ্টায় ৪ দিনের মাথায় মলিন হাসি আর একটু একটু নড়ে বসা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেয়েটি বরাবরই কম কথা বলে। এসময় তা একেবারেই কমে গেল। সচল ফারুক ওয়াসিফ ডজনখানেক কথা বলে শুধু শুনতে পেল-’একটু ভাল লাগছে ’! প্রায় আট মাসের মাপের আটদিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধীক্ষণে পেন্ডুলামের মত দুলে দুলে অবশেষে গতকাল হাসপাতাল ছেড়েছে মেয়েটি।বাংলাদেশের চিকিত্সাব্যবস্থার তুঘলকি কারবার দেখেশুনেও অসহায় বাবা-মা যেন দম আটকে ছিল আট আটটা দিন। ইতিমধ্যেই অনেকে চিনতে পেরেছেন, হ্যাঁ এই মেয়েটির নাম শ্রুতি শ্রাবন্তী। যার মঙ্গলাকাঙ্খায়’শ্রুতির জন্য’শিরোনামে পোস্ট লিখেছিলেন মুমু। সেই পোস্টে অনেক সচল ব্যাকুলতা,ভালবাসা,মমতা প্রকাশ করেছিলেন।তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুনশ্চ:৮দিন পর পিসি খুলে দেখলাম সচলের বন্ধদশা।আজ দুপুরে সচল আবার ’সচল’ হওয়ায় মেয়ে সুস্থ্য হওয়ার মতই আনন্দ পেলাম। সেই অনাবিল আনন্দের দোলাচালে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম-সচলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার এখনই সময়। কোন অভিমান-কষ্ট নয়। স্রেফ রিয়েলিটি থেকেই বোধে এসেছে। রিয়ার ভিউ মিরর ভাঙলে জোড়া লাগে ঠিকই,কিন্তু প্রোফাইল দেখায় বাঁকাচোরা! যে প্রোফাইলে ২৩ টি ব্লগ,গড়ে ১৯ টি মন্তব্য,এক পক্ষে অতিথি হিসেবে সেরা পাঁচে থাকার পরও ’অতিথি’ খেতাব ঘোচে না। দেখলাম কোন কোন বন্ধু সচল হয়েছেন। তাদের জন্য শুভকামনা। আমার জাত,ধরণ,কাস,ষ্টাইল কোনটাই সচলের মাপকাঠিতে মেনে নেওয়ার মত নয়,এটা বুঝতে খুব বেশি সময় দরকার করেনা। করেনিও। আমার পক্ষে স্রোতের অনুকুলে ভাঁজ হয়ে যাওয়া কিংবা জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়। সম্ভব নয় কোনকিছুর জন্য অনুরোধ-উপরোধ করাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুতরাং বিদায় বেলা-সাঙ্গ হলো খেলা। ভাল থাকুন সকলে। সচল দীর্ঘজীবী হোক।&lt;br /&gt;শুভরাত্রী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গড় রেটিং&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(৭ ভোট)&lt;br /&gt;Trackback URL for this post:&lt;br /&gt;http://www.muktopran.org/trackback/17873&lt;br /&gt;লিখেছেন মনজুরাউল (তারিখ: বুধ, ২০০৮-০৮-২৭ ২৩:১০)&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | মনজুরাউল এর ব্লগ | ৬৬টি মন্তব্য | ৬২৯বার পঠিত&lt;br /&gt;Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, মনজুরাউল. Sachalayatan.com can not be held responsible.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১&lt;br /&gt;ইমরুলকায়েস এর ছবি&lt;br /&gt;১ | ইমরুলকায়েস [অতিথি] | বুধ, ২০০৮-০৮-২৭ ২৩:৩৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  রিয়ার ভিউ মিরর ভাঙলে জোড়া লাগে ঠিকই,কিন্তু প্রোফাইল দেখায় বাঁকাচোরা! যে প্রোফাইলে ২৩ টি ব্লগ,গড়ে ১৯ টি মন্তব্য,এক পক্ষে অতিথি হিসেবে সেরা পাঁচে থাকার পরও ’অতিথি’ খেতাব ঘোচে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাইন্ড কইরেন না ভাই । এই লিংকে যান&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপরেও তো আছি ।&lt;br /&gt;----------------------------&lt;br /&gt;কেউ একজন অপেক্ষা করে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২&lt;br /&gt;প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি&lt;br /&gt;২ | প্রকৃতিপ্রেমিক | বুধ, ২০০৮-০৮-২৭ ২৩:৪৯&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরে ভাই, অভিমান থেকে এসব বলছেন নাকি সত্যি সত্যিই? সচলও তো আপনার পরিবারের মতই একের পর এক একটা বিপদ পাড়ি দিয়ে যাচ্ছে। তাই বলে পরিবারকে তো আপনি ফেলে দিতে পারেননি-- সচলকে হঠাত করে বিদায় জানানোটাও কি ঠিক হচ্ছে? মড়ুরা যে সচল সামলাতেই ব্যস্ত অতিথির দিকে নজর দেয়ার সময় লাগবে তো। আর যারা সচল চালায় তাদের অবস্থাটা দেখেন- পড়তে পড়তে গ্রাফ করতে করতেই তাদের জান শেষ হয়ে যাচ্ছে। ধরে নেন আপনাকে সচল করতে তারা হয়তো ভুলেই গেছে। আর&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  আমার জাত,ধরণ,কাস,ষ্টাইল কোনটাই সচলের মাপকাঠিতে মেনে নেওয়ার মত নয়,এটা বুঝতে খুব বেশি সময় দরকার করেনা। করেনিও। আমার পক্ষে স্রোতের অনুকুলে ভাঁজ হয়ে যাওয়া কিংবা জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি আপনার মনের কথা হয় তাহলে তো আর কিছু বলার থাকে না।&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩&lt;br /&gt;খেকশিয়াল এর ছবি&lt;br /&gt;৩ | খেকশিয়াল | বুধ, ২০০৮-০৮-২৭ ২৩:৫৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতি সুস্থ হয়ে উঠেছে শুনে খুবই ভাল লাগল !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু মনজুরাউল ভাই আপনি কোথায় যাচ্ছেন ? এইটা তো রাগের ব্যাপার হয়ে গেল । নিশ্চয়ই আপনি বিবেচনাধীন আছেন, অবশ্যই সচল হবেন । আরে ভাই আমি তো অতিথি থেকে কত-ও-ও পরে সচল হলাম ! আর আমার সময় অতিথিদের জন্য নিজস্ব অ্যাকাউন্টও ছিল না, সেখানে এখন কত সুন্দর ব্যবস্থা । জাত পাত এগুলো কি বললেন, ধুর ! এইগুলা ঠিক না । অনুরোধ রইল চলে যাবেন না ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;------------------------------&lt;br /&gt;'এই ঘুম চেয়েছিলে বুঝি ?'&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪&lt;br /&gt;সবজান্তা এর ছবি&lt;br /&gt;৪ | সবজান্তা | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০০:০১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কপাল ভালো, অনেক কম সময়েই সচল হয়েছিলাম। কারণ সচলায়তনের একদম শুরুতে অতিথি লেখক হিসেবে লেখা দেওয়ার নিয়মই ছিলো না, শুধু মাত্র মন্তব্য আর আলোচনা করেই সদস্য হওয়া যেত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু এখন যদি গোটা পঁচিশ-ত্রিশেক লেখা দিয়েও সচল না হতাম, তাহলে রাগ আমারও হত নিশ্চিত। কিন্তু কি জানেন, জীবনে সচলায়তনের মাপের বড় না হোক, মাঝারি মাপের কিছু ফোরামে গায়ে গতরে খেটেছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো বেশ কঠিণ, বিশেষত সচলের স্বেচ্ছাসেবক মডুবাহিনীদের যারা সবাই ব্যস্ত জীবনে ঢুকে গিয়েছেন। সারাদিন এত অতিথি মন্তব্য, সেই সাথে সব লেখা পড়া - সবার উপরে নিজেদের দৈনন্দিন কাজ - সব মিলিয়ে কাজটা আসলেই সহজ হওয়ার কথা না। যদিও পুরো কথাটাই বললাম আমার সাধারণ যুক্তি দিয়ে - তবে আমার ধারণা এতটুকু আপনি নিজেও বুঝেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আপনার লেখার ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই পছন্দ করি। চেষ্টা করি মন্তব্য করতেও। শুধু কি আমার মত পাঠকের কথা বিবেচনা করে আর ক'টা দিন থাকা যায় না ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অলমিতি বিস্তারেণ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;৫ | হিমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০০:৩৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতি সুস্থ হয়েছে জেনে আনন্দিত হলাম। আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেবেন ওকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬&lt;br /&gt;রায়হান আবীর এর ছবি&lt;br /&gt;৬ | রায়হান আবীর | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০১:৩৩&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতির জন্য শুভকামনা রইলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার গল্পগুলা ভাল লাগতো। মিস কর্বো। বিদায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;=============================&lt;br /&gt;তু লাল পাহাড়ীর দেশে যা!&lt;br /&gt;রাঙ্গা মাটির দেশে যা!&lt;br /&gt;ইতাক তুরে মানাইছে না গ!&lt;br /&gt;ইক্কেবারে মানাইসে না গ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭&lt;br /&gt;জিফরান খালেদ এর ছবি&lt;br /&gt;৭ | জিফরান খালেদ | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০১:৩৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজুরাউল ভাই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইটা ঠিক হইলো না তো। কামলার চোটে সচলে আসতে পারি না। লগড ইন হইয়া আসি, কিন্তু লিখা পড়া হইতেসে না। এর উপর আপনি এমন সব দুঃসংবাদ একসাথে দিলে তো খারাপ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতি ভাল হয়েছে জেনে স্বস্তি... আর, সদস্যের ব্যাপারটা আমার মনে হয় গত কয়েকদিনে খোঁজ নিলে দেখা যাবে কাউকেই করা হয়নি অনেক গ্যাঞ্জামের ডামাডোলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাকে কিন্তু কখনোই সচল ছাড়া অন্য কিছু ভাবিনি... সুতরাং, এমন করবেন না দয়া করে। ভাল থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮&lt;br /&gt;স্নিগ্ধা এর ছবি&lt;br /&gt;৮ | স্নিগ্ধা | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০২:৩৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতির সুস্থতায় আনন্দিত হলাম! ওর জন্য শুভকামনা রইলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯&lt;br /&gt;এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি&lt;br /&gt;৯ | এস এম মাহবুব মুর্শেদ | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০৩:২১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতির জন্য 'ওয়েলকাম ব্যাক হোম' শুভেচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার অভিমানের জায়গাটা ধরতে পারছি। আমিও যদি আবার নতুন করে অতিথি হয়ে ঢুকতে চাই তাহলে হয়তো কখনোই সচল হতে পারব না। তবু প্রসেসটাকে মানতেই হবে। এতদিন পর্যন্ত এটা ইফেক্টিভ বলেই মনে হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০&lt;br /&gt;মনজুরাউল এর ছবি&lt;br /&gt;৯.১ | মনজুরাউল | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৩:৩১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাদের প্রসেস বিষয়ে দ্বিমত করার অধিকার আমার নেই। নিশ্চই অনেক ভেবেচিন্তোই ওটা করা হয়েছে।আমি যখন নিশ্চিত হয়েছি যে,আমার পোস্ট ১শ'হোক বা গড় কমেন্ট ৪০এর ওপরে উঠুক কোনভাবেই ওই 'প্রসেস'অতিক্রম আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তখন সিদ্ধান্তটা নিতে কোন কষ্ট হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;.......................................................................................&lt;br /&gt;আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে&lt;br /&gt;চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর&lt;br /&gt;তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা&lt;br /&gt;হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১১&lt;br /&gt;নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি&lt;br /&gt;৯.২ | নুরুজ্জামান মানিক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৬:৩৩&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতির জন্য 'ওয়েলকাম ব্যাক হোম' শুভেচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;@ এস এম মাহবুব মুর্শেদ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক কাজ করলে কেমন হয় -প্রাথমিক পর্যায়ের অনেক সচল আর সচল নেই ত' তাদের জায়গায় অতিথীদের রিপ্লেস করা যায় না ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;@ মনজুরাইল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাই !&lt;br /&gt;আপনার আবেগ এর কদর করি&lt;br /&gt;সে সাথে আপনার লেখাগুলি পড়ে এও বুঝেছি যে নিছক আবেগই&lt;br /&gt;আপনার সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেনি&lt;br /&gt;নিশ্চয় কোন যুক্তি ক্রিয়াশীল ছিল&lt;br /&gt;তবুও&lt;br /&gt;বলছি&lt;br /&gt;আমাদের (মানে সচলায়তন) ছাইড়া যাইয়েন না&lt;br /&gt;আমরা আপনার লেখা পড়তে চাই&lt;br /&gt;আমাদের সে হক মাইরেন না বস ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;@ মডুদের প্রতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশেষ ব্যবস্থায় আজ থেকেই মনজু ভাইকে "সচল করা যায় কিনা একটু ভেবে দেখবেন "।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নুরুজ্জামান মানিক&lt;br /&gt;************************************&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে এক আর করে আর এক যারা&lt;br /&gt;তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে&lt;br /&gt;এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১২&lt;br /&gt;মুশফিকা মুমু এর ছবি&lt;br /&gt;১০ | মুশফিকা মুমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০৭:২৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায় হায় বলেন কি! ইয়ে, মানে... এই কয়েকদিনে এত কিছু হয়ে গেল? আমিতো নিশ্চিন্ত ছিলাম শ্রুতি সুস্থ হয়ে গেছে, তারপর এত কিছু ঘটল ইয়ে, মানে... , আল্লাহর রহমত ও এখন ভাল আছে। ওর জন্য অনেক অনেক আদর আর দোয়া রইল।&lt;br /&gt;আর আপনি কি বলছেন এসব, যাবেন কেন? আপনি এখানে অনেক অনেক ভাল লিখেন। আপনার লেখার স্ট্যাটস ই বলে দেয় আপনার লেখা কত জনপ্রিয়। আপনি কোথাও যাবেন না আর এমন চলে যাওয়া কথাও বলবেন না কখনও। আরো বেশি বেশি লিখুন। আমি সিওর আপনি শিঘ্রই সচল হবেন।&lt;br /&gt;------------------------------&lt;br /&gt;পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৩&lt;br /&gt;অমিত আহমেদ এর ছবি&lt;br /&gt;১১ | অমিত আহমেদ | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০৮:১১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতি ভালো হয়ে উঠেছে জেনে খুব ভালো লাগলো। এমন একটি ভালো খবর বাকি সব কিছু ম্লান করে দেয়। মেয়েকে আমার স্নেহ জানাবেন।&lt;br /&gt;ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৪&lt;br /&gt;প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি&lt;br /&gt;১২ | প্রকৃতিপ্রেমিক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ০৯:২৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সত্যি বলতে কি আপনি যে অতিথি সচল তা আজ এই পোস্ট পড়ে খেয়াল করেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৫&lt;br /&gt;ভবঘুরে [অতিথি] এর ছবি&lt;br /&gt;১৩ | ভবঘুরে [অতিথি] (যাচাই করা হয়নি) | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১২:০৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার মেয়ের জন্য শুভকামনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাম.ইনে আপনার লেখা পড়েই বুঝেছিলাম কিছু একটা ঘটেছে। এখন বুঝলাম - আপনি একটু বেশী অভিমানী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কে অতিথি আর কে নয় সেটা নিয়ে যদিও মাথা ঘামাইনি কখনো তবে যখন বিপুল উতসাহে মন্তব্য করার পর দেখি 'আপনার মন্তব্য যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে...." তখন নিজের যোগ্যতা সম্পর্কেই সন্দিহান হয়ে পড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাই হোক, যার ঘরে ঢুকবেন তার নিয়মকানুনতো মানতেই হবে তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাল থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৬&lt;br /&gt;পলাশ দত্ত এর ছবি&lt;br /&gt;১৪ | পলাশ দত্ত | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৩:১৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রকৃতিপ্রেমিক যে-কথাটা বলেছে আমিও সেটার পুনরাবৃত্তি করছি: আপনি যে অতিথি সচল তা আজ এই পোস্ট পড়ে জেনেছি ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর একটু ভাববনে প্লিজ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৭&lt;br /&gt;অতিথি লেখক এর ছবি&lt;br /&gt;১৫ | অতিথি লেখক [অতিথি] | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৩:৩৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাওয়া পাওয়ার ব্যাপার টা কি খুব important? শুধু মনের আনন্দে লিখে যান না, যেমন লিখছেন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধূসর মানব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৮&lt;br /&gt;কীর্তিনাশা এর ছবি&lt;br /&gt;১৬ | কীর্তিনাশা | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৪:২৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতি সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;...........আর আপনার গল্প খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। চলে গেলে মিস করবো। যাই হোক আপনিও ভালো থাকুন।&lt;br /&gt;-------------------------------&lt;br /&gt;আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯&lt;br /&gt;অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি&lt;br /&gt;১৭ | অতন্দ্র প্রহরী | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৪:৩৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রুতির সুস্থতার কথা জেনে ভালো লাগল খুব। ওর জন্য শুভকামনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর আপনি এখুনি এভাবে বিদায় নেবার কথা ভাবছেন কেন! প্লীজ এভাবে চিন্তা করবেন না। যদি কখনো দেখেন আপনার কোন পোস্ট কেউ পড়ছে না, কোন মন্তব্য করছে না, তখন বিদায় নেবার কথা ভাবলেও ভাবতে পারেন। বাট দিস ইজ নট দা রাইট টাইম টু থিন্ক অ্যাবাউট ইট! এটা আমার ব্যক্তিগত মত। আশা করি ভেবে দেখবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;_________________________________________&lt;br /&gt;বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০&lt;br /&gt;অতিথি লেখক এর ছবি&lt;br /&gt;১৮ | অতিথি লেখক [অতিথি] | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৪:৫৯&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাহাবুব ভাই এর মত “আমিও যদি আবার নতুন করে অতিথি হয়ে ঢুকতে চাই তাহলে হয়তো কখনোই সচল হতে পারব না।“ আমাদের মত নতুনদের জন্য হতাশাজনক&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধূসর মানব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২১&lt;br /&gt;মনজুরাউল এর ছবি&lt;br /&gt;১৯ | মনজুরাউল | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ১৬:৫২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যক্তিগত ভাবে সবার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার মত মনের অবস্থা নেই এমুহূর্তে। তাই এই মন্তব্যে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেউ কেউ চলে যাওয়ার ব্যাপারটা ধরতে পেরেছেন,কেউ কেউ পারেননি। যদিও কারণটা বলেই দিয়েছি,তবুও কিছু বিষয় পরিষ্কার করা দরকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পূর্ণ সচল হওয়ার ব্যাপারে আমার কোন তাগিদ ছিল না। ছিল না কোন চেষ্টাও।আগামী এক বছরেও যদি আমাকে সচল না করা হতো তাতেও কোন কিছু আসত-যেত না।লেখা আমার নেশা এবং পেশাও। লিখেই যেতাম।কিন্তু যখন দেখলাম সচলের ’প্রসেস’অনুযায়ী প্রায় একই সময়ে আগমন ঘটা কয়েক জন সচল হয়েছেন,তখন একটু অবাক হলাম।মডুরা আমাকে ঠিক মেনে নিতে পারছেন না,এটা কিছু দিন ধরেই টের পাচ্ছিলাম।ঠিক করেছিলাম ও নিয়ে মাথা ঘামাবো না।তার পর পরই ’প্রসেস’বলে দিল “যারা সচল হয়েছেন প্রসেস অনুযায়ী,সেই প্রসেস বা মানদন্ডে আপনি পাশ করেননি!”&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজেকে কখনই পূর্ণ লেখক মনে করি না,বড় মাপের তো নয়ই।গতরখাটা চাষাভুষা মানুষ। কিন্তু সচলের 'মাপকাঠি’ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমি রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের নিচে অবস্থান করছি!প্রকারান্তরে এদের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক! আর এটা করা হয়েছে সুচিন্তিত ভাবেই। আমি অপমানিত বোধ করলাম। আত্মমর্যাদা ছাড়া লেখকদের তো আর কিছুই নেই,তাই ওই অবশিষ্ট মর্যাদাটুকু খোয়া যাওয়ার আগেই সরে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভুল না ঠিক সে বিচারের কথা এখানে অবান্তর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেক অতিথি আছেন অনেক মাস ধরে ,তারা কেউইতো হলেন না।আমি চেষ্টা করেছি তাদের পাশে থাকার।অনেক অতিথির লেখা কেউ যখন ছুঁয়েও দেখছে না,সেখানে আমি হিট করেছি। চেষ্টা করেছি তার রেটটা যেন বাড়ে। তারা যেটা মেনে নিতে পেরেছেন আমি তা পারিনি। জীবনে অনেক কিছুর সাথেই আপোষ করতে পারিনি বলে অনেক কিছুই হারিয়েছি।ভূ-বিশ্বের কিই বা যায় আসে তাতে !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারো সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত মনমালিণ্য নেই। চেষ্টা করব আগামীতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখার।ভাল থাকুন সকলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;....................................&lt;br /&gt;আমাদরে মাতৃর্গভগুলি এই নষ্ট দশেে&lt;br /&gt;চারদকিরে নষিধে আর কাঁটাতাররে ভতির&lt;br /&gt;তবু প্রতদিনি রক্তরে সমুদ্রে সাঁতার জানা&lt;br /&gt;হাজার শশিুর জন্ম দয়ে যারা মানুষ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২২&lt;br /&gt;কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ২০:৪০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চলুক&lt;br /&gt;................................................................................&lt;br /&gt;objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৩&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.২ | হিমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৮-২৮ ২২:৩৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাঁরা সম্প্রতি সচল হলেন, তাঁদের চেয়ে আপনি লেখক হিসেবে ঊনতর কি না, সে রায় দেবে তাঁদের এবং আপনার পাঠকেরা। তবে সচলায়তনের পরিবেশের সাথে তারা নিজেদের অভিযোজিত করতে পেরেছেন। আপনি এখনও পারেননি, এই মন্তব্যে আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দীর্ঘদিন ধরে সচলায়তনে যাঁদের আমরা অতিথি হিসেবে লিখতে অনুরোধ করে যাই, তাঁদেরকে লেখক হিসেবে অস্বীকার করা হচ্ছে না, বরং প্রকারান্তরে লেখক সমাবেশের সাথে একাত্ম হওয়ার জন্যে সময় নিতে বলা হয়। এতে দোষণীয় কিছু আছে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার আত্মসম্মান বা আত্মবিশ্বাসে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য বা প্রয়োজন তো সচলায়তনের নেই। সেগুলি অটুট ও অক্ষুণ্ন থাকুক। কোন কারণে যদি আপনি আহত হয়ে লেখা থেকে বিরত থাকতে চান, সেটি আপনার সিদ্ধান্ত। যেভাবে আপনি লেখার আনন্দ পান, সেভাবেই লিখে যান। আমাদের শুভেচ্ছা থাকবে আপনার জন্যে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৪&lt;br /&gt;এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.৩ | এস এম মাহবুব মুর্শেদ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০০:২২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে। ঠিক এই বিষয়টাই প্রতিষ্ঠিত লেখকরা বুঝতে চান না। আপনার লেখার কতবড় ফ্যান আমি সেটা বোঝাতে পারব না। কিন্তু এইযে অভিমান বা "অমুক সচল হয়েছে আমি কেন না" টাইপের অভিযোগ, কিংবা অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা এই ব্যাপারগুলো আমরা ওয়েব কমিউনিটির ক্ষেত্রে প্রমানিত নিগেটিভ প্যারামিটার হিসেবে কনসিডার করি। এটাই আমরা একটু দেখে শুনে নেই অতিথি হবার সময়টাতে। একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৫&lt;br /&gt;মেটালিফেরাস এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.৩.১ | মেটালিফেরাস (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০১:৩০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবিশ্বাস্য!!!&lt;br /&gt;তাহলে সচলেচ্ছুদের জন্য আপনাদের নীচের টার্মস গুলো আরেকটু আপডেট করা দরকার ব্রাদার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা লেখিনা, পড়তেই আসি। আপনাদের সাইট অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ কনজাম্পশনের জন্য কিছুটা হলেও দায়ী। এরকম উত্তর দেয়া চলতে থাকলে পাঠকগুলোও হারাবেন নিশ্চিত। অবশ্য আপনারা বড় বড় অনলাইন রাইটার, আমাদের মতো ধুনপুন পাঠকের থোড়াই কেয়ার করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো থাকবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রিয় সচলেচ্ছুবৃন্দ,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাদের অনেকেই নিবন্ধন করছেন নিয়মিত। কিন্তু কারও সদস্যপদই সক্রিয় হচ্ছে না। তাদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, দয়া করে অতিথি লেখক হিসেবে পোস্ট ও মন্তব্য করতে থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখায় অবশ্যই নিজের নাম আর ইমেইল ঠিকানা জানাবেন। নাহলে লেখা প্রকাশের যোগ্যতা হারাবে। মডারেশনের পরেই লেখা প্রকাশিত হবে। নিয়মিত ও সুলেখকদের দ্রুত সচল করা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৬&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.৩.১.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০২:০৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রিয় মেটালিফেরাস,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার কাছে অবিশ্বাস্য কী ঠেকলো, বুঝতে পারলাম না। সচলায়তন কমিউনিটির স্ট্যাবিলিটির স্বার্থকে সচলায়তন বড় করে দেখবে, সেটার মধ্যে এতো বিস্ময়ের কি আছে, একটু স্পষ্ট করে বলবেন কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টার্মস হিসেবে যা উদ্ধৃত করলেন, সেটা সচলের কোন "টার্মস" নয়, অতিথি লেখকদের জন্যে একটি মেসেজ। সেখানেও কী পরিবর্তন প্রয়োজনীয়, বুঝিয়ে বলুন। প্রয়োজনবোধে পরিবর্তন করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৭&lt;br /&gt;এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি&lt;br /&gt;১৯.৩.১.২ | এস এম মাহবুব মুর্শেদ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০২:১০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেটা উদ্ধৃত করলেন সেটা একটা মেসেজ। আমাদের কোথাও বলা হয়নি "লেখায় দশে আট পেলে আমরা নিতে বাধ্য থাকিব"। তবে মানছি এই পোস্টে কমিউনিটির ব্যাপারটা উল্ল্যেখ করা দরকার ছিল। দুঃখিত সেজন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  অবশ্য আপনারা বড় বড় অনলাইন রাইটার, আমাদের মতো ধুনপুন পাঠকের থোড়াই কেয়ার করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুধু প্রতিবাদ করলাম কথাটার। কথা বাড়ালাম না একে কেন্দ্র করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৮&lt;br /&gt;মনজুরাউল এর ছবি&lt;br /&gt;২০ | মনজুরাউল | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০১:৪২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  তবে সচলায়তনের পরিবেশের সাথে তারা নিজেদের অভিযোজিত করতে পেরেছেন। আপনি এখনও পারেননি, এই মন্তব্যে আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  লেখার মানদন্ড একমাত্র প্যারামিটার নয় সচল হবার ক্ষেত্রে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  কিন্তু এইযে অভিমান বা "অমুক সচল হয়েছে আমি কেন না" টাইপের অভিযোগ, কিংবা অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা এই ব্যাপারগুলো আমরা ওয়েব কমিউনিটির ক্ষেত্রে প্রমানিত নিগেটিভ প্যারামিটার হিসেবে কনসিডার করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  একটা ভালো লেখকের চেয়ে একটা ভালো কমিউনিটির গুরুত্ব অনেক বেশী আমাদের কাছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক এই কথাগুলি আপনাদের'নীতিমালায়'লেখা থাকলে অনেক কিছু খোলাসা হতো।কোনটা নেগেটিভ প্যারামিটার,কোনটা পজেটিভ প্যারামিটার সেই তর্কে আর যাওয়ার ইচ্ছা নেই। প্রসঙ্গত:জুলিয়ান সিদ্দিকী নামের ভদ্রলোকটির প্যারামিটার আমার মত 'নেগেঠিভ'নয়।তিনি কেন প্যারামিটারে পড়লেন না? ইমরুল তো আরো বেশি ওয়েভ কম্যুনিটিঅন্তপ্রাণ,সে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  অন্যের পোস্টে মন্তব্যের টর্নেডো তোলা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে লেখকের পোস্ট বাদে তার কাছে সবইতো'অন্যের পোস্ট'। অন্যেরা লিখলে 'মন্তব্য',আর একজন লিখলেই 'টর্নেডো'? যাগ্গে। আগেই বলেছি তর্ক করার ইচ্ছা নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাদের দুজনের মন্তব্যে যে বিষয়টা পরিষ্কার হলো সেটা এক অতিথি সচল বলে দিয়েছেন...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  যাই হোক, যার ঘরে ঢুকবেন তার নিয়মকানুনতো মানতেই হবে তাইনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই 'ঘরে ঢুকেছি' কথাটাতে আমার আপত্তি ছিল। ভেবেছিলাম 'আমার','আমাদের' এই ধরণের ক্ষুদেমালিকানা চিন্তাগুলো অন্তত ওয়েভ কম্যুনিটিতে থাকবে না।এরা অন্তত কোটিপতি কাগজ মালিকের মত বলবে না-'আমার পত্রিকা'। আমার ধারণা ভুল ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  জুতোর মাপে পা সাইজ করে নেওয়া সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই কথাটা বলে ভেবেছিলাম-ঠিক বললাম না।&lt;br /&gt;এখন মনে হচ্ছে ঠিকই বলেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;.......................................................................................&lt;br /&gt;আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে&lt;br /&gt;চারদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর&lt;br /&gt;তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা&lt;br /&gt;হাজার শিশুর জন্ম দেয় যারা মানুষ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৯&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২০.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০১:৫৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি অতিথি লেখকের কথা সচলায়তনের মুখে গুঁজে দিচ্ছেন কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার পা যদি জুতোর তুলনায় মহত্তর হয়, প্লিজ, সেটা নিজের পায়ের সমস্যা বলেই চিনে নিন, জুতোর ঘাড়ে দোষ চাপাবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩০&lt;br /&gt;মেটালিফেরাস এর ছবি&lt;br /&gt;২১ | মেটালিফেরাস (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০৩:০১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবিশ্বাস্য ঠেকেছে সচল করা নিয়ে কারো অনুযোগে আপনাদের উদ্ধত আচরণ। এটা এর আগেও আরো অনেকের বেলাতে চোখে লেগেছে। কি করলে যে আপনাদের সাইজের জুতোয় একজন তার পা টা রাখতে পারবেন সেটা সবসময়ই কেমন যেনো প্যাচিয়ে ফেলছেন। বোধহয় বুঝিয়ে বলতে পারছিনা। পারার কথাও না, আমি নগন্য পাঠক, লিখে কোনো কিছু বুঝানোর ক্ষমতা নেই। কিন্তু পড়ে হলেও কিছুটা বুঝি বা মজা পাই বা চিন্তায় পড়ি, কিছু একটাতো হয়ই। কিন্তু ভাই আপনারা যারা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছেন তাদের উদ্ধত এবং "থাকতে না চাইলে চলে যাও" টাইপের উত্তর গুলো বড্ড বেশি ব্যথিত করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীতিমালা, মেসেজ যাই বলুন সেটাতে এই " মানলে ঢুকতে পারবা, নাইলে রাস্তা মাপতে পারো " টাইপের সাবধানবাণী গুলো ঝুলিয়ে দিলে বোধহয় আমরা আর এই সমস্ত অভিযোগ করার সুযোগ পাবোনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এতদিনতো শুধু লিখতে ইচ্ছুকদের বলেছেন, এখন হয়তো আমরা যারা ফ্রি ফ্রি পড়তে আসি তাদেরকেও বলবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো থাকবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩১&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২১.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০৩:১৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারো অনুযোগের উত্তরে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করাকে যদি আপনার "উদ্ধত আচরণ" বলে মনে হয়, তাহলে করার কী থাকতে পারে, দয়া করে জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"এর আগেও আরো অনেকের বেলায় চোখে লাগা"র কথা শুনে মনে হচ্ছে, আপনি সচলায়তন দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেন। এর আগে আরো অনেকের বেলায় আমাদের অত্যাচার-অনাচার মুখ বুঁজে সহ্য করে গেছেন, কিন্তু আজ আপনার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আপনি গোপন রাখতে পারছেন না। তাই আপনি গর্জে উঠেছেন। বেশ, উত্তম। কে জানে, হয়তো মেটালিফেরাস নামের আড়ালে আপনি আমার পরিচিত কেউ। হয়তো হেথা নয়, অন্য কোনখানে আপনি পাঠক নন, লেখক হিসেবেই সক্রিয় আছেন। বিশেষ করে বাংলা টাইপ করার দক্ষতা দেখে তো তা-ই মনে হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে আপনি যে পরামর্শটি দিলেন, সেটি আমরা মানতে পারছি না বলে দুঃখিত। ওটা আপনার ইন্টারপ্রিটেশন, আমাদের বক্তব্য নয়। আমাদের "জুতোয় পা রাখা"র ব্যাপারটাও স্পষ্ট, যেটাকে আপনি উদ্ধত আচরণ বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন। যদিও জুতোর মাপে পা বা পায়ের মাপের জুতোর উপমাটি আমাদের নয়, মনজু ভাই, এবং মেটালিফেরাস, আপনার পছন্দের উপমা, তারপরও বলি, সচলায়তনে সদস্য হবার ব্যাপারটি সরল। আমরা ভালো লেখা, নিয়মিত লেখা, এবং সংসর্গবৎসল নির্বিবাদী সদস্য চাই। আপনি বুঝতে গিয়ে পেঁচিয়ে ফেলে যদি আমাদের ঘাড়ে তার দোষ চাপাতে চান, বা চাপিয়ে আনন্দিত হতে চান, আপনাকে বিরত করার কোন পদ্ধতি দেখছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলায়তনের নিয়মগুলি যদি কারো পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে তিনি সাধারণত সচলায়তনে থাকেন না। এই ফ্যাক্টটিতে আপনি ব্যথিত হলে আপনার ব্যথামোচনের জন্যে আমাদের পক্ষ থেকে কী করা জরুরি বলে আপনি মনে করেন? জানাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবশেষে নজরুলের একটা গানের কথা স্মরণ করাই। আমার দেয়া ব্যথা ভোলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩২&lt;br /&gt;এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি&lt;br /&gt;২১.২ | এস এম মাহবুব মুর্শেদ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ০৩:২২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি বুঝলাম না হঠাৎ করে পাঠক প্রসঙ্গ কিভাবে চলে আসল? পরিষ্কার ভাবেই আপনি মূল প্রসঙ্গকে (সচল হওয়া বা না হওয়া) ভিন্ন খাতে বইয়ে দিতে চাইছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরো পোস্টের কোথাও পাঠক নিয়ে একটা কথাও হয়নি, যতক্ষণনা আপনি এসে নিজের পাতে ঝোল টেনেছেন। আগের সচল হবার কোন বিক্ষোভ প্রকাশ করছেন নাতো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৩&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি&lt;br /&gt;২২ | ফারুক ওয়াসিফ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৭:৫২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনাটা আগে খেয়াল করিনি। বিলম্বে হলেও খেয়াল করা গেল এবং উদ্বিগ্নও হওয়া গেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজু ভাই, সরল ভাবে বলেছেন যে, অন্যদের সঙ্গে সঙ্গে তাঁকেও সদস্যপদ দেয়া উচিত ছিল। রেওয়ার্ড হিসেবে নয়, লেখার স্বীকৃতি এবং গণতন্ত্র ও সম অধিকারের দাবিতে। তাঁর কথায় যুক্তি বা আবেগের ভারসাম্য অটুট ছিল। আর যেখানে সংসর্গবাৎসল্যকে উৎসাহিত করা হয় সেখানে একজন কমিউনিটির সুহৃদ আন্তরিক ভাবে দাবি বা অভিমান জানাতেই পারেন। এ পর্যন্ত কোনো সমস্যা ছিল না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি এবং আরো কেউ কেউ মনে করেন, সদস্যপদ তিনি পেতেই পারেন। কিন্তু ধরে নিচ্ছি, মডারেটরগণ বিষয়গুলো ভাল বোঝেন, জানেন এবং দূরদর্শী। তাঁদের যদি আপাতত কোনো রিজার্ভেশন থেকে থাকে, তাহলে বলতেই পারতেন, 'ভাই কিঞ্চিতাধিক কাল অপেক্ষা করে দেখেন, আমরা কারো প্রতিই বিরূপ নই'। নিমরাজি হলেও এটা মেনে নেয়ার মতো কথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু তা হয়নি। বুধবার ২৩-১০ এ ছাড়া পোস্ট পরদিন ৩-২১ এ একজন মডারেটরের সাড়া পেল নবম মন্তব্যে। আমি যখন লিখছি, তখন দু'দিন গড়িয়ে গেছে, মন্তব্য ৩২ এর ঘর পেরিয়েছে। এবং যা হওয়ার কোনো কারণই ছিল না, তা হয়েছে। কথার পিঠে কথা উঠে শেষে বিপরীত মত দুটি এ জায়গায় এসে দাঁড়ালো: ফরিয়াদিদের কাছে সচলকে ‌নিয়ন্ত্রিত, হায়ারার্কিকাল এবং পক্ষপাতমূল মনে হয়েছে।&lt;br /&gt;আর মডারেটরদের কারো কারো ভাষ্যে মনজুরাউলকে মনে হয়েছে : ‌স্ট্যাবিলিটির স্বার্থে এখনও অনুপুযুক্ত, অ-অভিযোজনশীল, সংসর্গবৎসল নির্বিবাদী নন অর্থাত একরোখা ও বিবাদপ্রিয় ইত্যাদি (হিমুর কমেন্ট)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফলত দুটো চরম অবস্থা তৈরি হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার বিনীত জিজ্ঞাসা বিষয়টা কি আদতেই ততটা গুরুতর। সচলে বিচ‌্যুতি, ব্যত্যয় যে কারোরই হতেই পারে, কোথাও কোথাও কেউ আঘাত পেতেই পারেন; এটা মেনে নিতে অসুবিধা কোথায়? যিনি অভিযোগ করছেন, এবং যিনি তা খণ্ডন করছেন, তিনিও ভাবতে পারেন, সমস্যাটা দৃষ্টিভঙ্গির এবং বিবেচনা বোধের। আলোচনায় এর নিরসন সম্ভব। খারাপ দৃষ্ঠান্ত তৈরি হওয়ার আগেই তা করা যেত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষ যে বিষয়টা সেটা এই যে, 'কারো যদি নিয়ম পছন্দ না হয় তাহলে তিনি কী করবেন'? চলে যাওয়াই কি কাঙ্ক্ষিত সমাধান? তিনি বা তাঁরা কি এতদিন একে আপন করে নেননি, একে ঘিরে অনুভূতির হৃদ খনন করেননি?তিনি যথাযথভাবে প্রশ্ন তুলতে পারেন, আলোচনা করতে পারেন। তার সুযোগ না থাকলে দিনে দিনে এটা অচলায়তনে পরিণত হবে। নতুন নতুন লোক আসবে ঠিক, কিন্তু ভেতর থেকে এটা হয়ে দাঁড়াবে রেলস্টেশনের মতো_যেখানে কেউ থাকতে আসে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর এ সুযোগে দুষ্টের দল থালি বাজাবে, অন্য অন্য ব্লগে হৈ হৈ রব তুলবে। সামান্য ঘটনা হয়ে উঠবে অসামান্য। তার কী কোনো দরকার আছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি নিজেও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন করেছি, মত দিয়েছি। গুরুতরগুলো মেইলে আর সামান্য বিষয়গুলো কমেন্টে এনেছি। বলা দরকার, বেশিরভাগেরই উত্তর পাইনি কিংবা যা পেয়েছি তা একধরনের ভর্তসনা। তবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচল আমাদের সবারই ভালবাসার স্থান। এবং সত্য যে, মডারেটর থেকে কর্ণধার, তাঁরাই এর যোগ্য ও যথাযথ অভিভাবক। সঙ্গত কারণেই তাঁদের চাপে থাকতে হয়, এবং অনেক কিছুর দেখভাল করতে করতে পেরেশান হতে হয়। সমস্যা সেখানে নয়, সমস্যাটা এ্যাপ্রোচে। এটা আমাকে বলতেই হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাঁদের সেই অভিভাবকের অবস্থান মান্য করেই বিষয়গুলো নিয়ে কথা হতে পারে। এবং সেখানে একটা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বজায় থাকা দরকার। কাউকে তকমা লাগিয়ে দেয়ায় কোনো সমাধান নাই। সচলের যেকোনো ক্ষতি, এর সদস্যদেরই ক্ষতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা কেউ না থাকি, এর ক্ষতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। এবং ক্ষতিটা ভালবাসার অত্যাচারেও হতে পারে।&lt;br /&gt;..................................................................................&lt;br /&gt;হাঁটাপথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে। হে সভ্যতা! আমরা সাতভাই হাঁটার নীচে চোখ ফেলে ফেলে খুঁজতে এসেছি চম্পাকে। মাতৃকাচিহ্ন কপালে নিয়ে আমরা এসেছি এই বিপাকে_পরিণামে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৪&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২২.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৮:১৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করছি সঙ্গত কারণে। প্রথমত, মনজু ভাই তাঁর তর্ক শুরুই করেছেন নিজস্ব মানসিক বিষফোঁড়ার প্রেক্ষিতে। তাঁর কন্যাটি অসুস্থ ছিলো, তিনি টেনশনে ছিলেন, সেই ঝাল তিনি ঝেড়েছেন সচলের ওপরে। তিনি একাধিকবার জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ধারণার ভিত্তি কী আমি জানি না, কিন্তু তিনি কলহ করছেন এই ধারণার আলখাল্লা মডারেটরদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের সাথে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি আমার একটা মন্তব্যের ব্যাখ্যা বার করে কিছু বিশেষণ মনজু ভাইয়ের গায়ে চড়িয়ে দিয়ে কলহটাকে আরো ফেনিয়ে তোলার একটা দুর্যোগ করে দিলেন। পরিষ্কার তাকিয়ে দেখুন, কার কোন মন্তব্যের জবাবে সেটা বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনজু ভাইকে এখনও সচল করা হয়নি, তার মানে এই নয় যে তিনি অনুপযুক্ত। তার মানে এ-ই দাঁড়ায়, তিনি অপ্রস্তুত। তাঁর লেখার মান নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা হয়নি, শুধু ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সচলে যোগদানের আগে ব্লগোস্ফিয়ারে আরও কিছু সময় তাঁর কাটানো প্রয়োজন। এটি তিনি নিজেও উপলব্ধি করবেন বৈকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;""ভাই কিঞ্চিতাধিক কাল অপেক্ষা করে দেখেন, আমরা কারো প্রতিই বিরূপ নই", এই কথাটা ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার তো কোন অর্থ হয় না। এটি অনুচ্চারিত, স্বতসিদ্ধ। মনজু ভাই নিজেই বরং গর্জন করে জানাচ্ছেন যে তিনি অপমানিত এবং ক্ষুব্ধ, এবং অপেক্ষা করার মতো সহনশীল আর তিনি থাকতে পারছেন না। তাঁকে আপনার পরামর্শমতো এই মিহিবাক্য না শুনিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সেটা কি খুব দোষের কাজ হয়ে গেছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খারাপ দৃষ্টান্তের কথা বলছেন, খারাপ দৃষ্টান্ত কী তৈরি হলো, একটু বোঝান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রেলস্টেশনের উপমাটা আমার কাছে চরম আপত্তিকর এবং উস্কানিমূলক বলে মনে হলো। তবে আবারও পরিষ্কার করে বলি, সচলের নিয়মগুলি খুব সামান্য এবং সরল। প্রায় দুইশোর কাছাকাছি সদস্য আমরা এই নিয়মগুলি মেনে চলি, আমাদের সমস্যা হয় না। যদি একক কারো সমস্যা হয়, আমরা সেগুলি সমাধানের জন্যে সময় ও চেষ্টা ক্ষয় করি আন্তরিকভাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি আলোচনার কথা বলেছেন, মনজু ভাই তো আলোচনার পথে এগোননি। তিনি বিনা আলোচনায়, নিজস্ব ধারণার ভিত্তিতে (মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না) একটি সিদ্ধান্ত জানিয়ে সরাসরি পোস্ট দিয়েছেন। এর দায় কি মডারেটর বহন করবে? মনজু ভাই সরাসরি বলে দিয়েছেন, জুতোর মাপে তিনি পা তৈরি করতে পারবেন না। জুতোর মাপ এর অর্থ যদি হয় সচলের নিয়মগুলি সাথে অভিযোজন, তাহলে আমি বিনীতভাবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এখানে আমরা সবাই জুতোর মাপে পা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ওনার একার সমস্যা হলে তার সমাধানের দায়ও ওনার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার গুরুতর অভিযোগগুলির প্রসঙ্গে আপনি তিরস্কৃত হয়েছেন, এই কথা শুনে আমি বিস্মিত হচ্ছি। আপনার একটি বদভ্যাস হচ্ছে আপনি যে কোন কথাই নিজের গায়ে টেনে নিয়ে হইচই শুরু করেন, এমন সব কথা, যা আপনাকে বলা হয়নি, এমনকি যা আপনার জানার কথাও নয়। আপনি সেগুলোকে আপনাকে উদ্দিষ্ট আক্রমণ ধরে নিয়ে হাওয়ায় তলোয়ার ঘোরান। কয়েকবার আপনাকে বিভিন্ন প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করাকে যদি আপনি ভর্ৎসনা বলে ইন্টারপ্রেট করেন, তাহলে আমি দুঃখিত চিত্তে বলছি, আপনার সাথে যোগাযোগ খুব দুরূহ, আপনি কথা বোঝেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুব বিরক্তি নিয়ে মন্তব্য শেষ করছি। ভালো থাকবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৫&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি&lt;br /&gt;২৩ | ফারুক ওয়াসিফ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৮:৩৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাল করে খেয়াল করে দেখুন, আমি শেষপর্যন্ত আপনাদের নেসেসিটি নিয়ে নয়, অ্যাপ্রোচ নিয়ে কথা তুলেছি। এই কথা অনেক আগেই তুলবার ছিল। কিন্তু অপেক্ষা করেছি, যেন বুঝতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলের পরিচালনা রীতির সামান্য অনুযোগ করলেই যেরকম স্পর্শকাতরতা দেখান, সেটা ঠিক নয়। মনজু ভাইয়ের অপেক্ষা করাই উচিত ছিল, সেটা আমি ওপরে বলেছি। কিন্তু অনুযোগ জানিয়ে উনি কোনো অন্যায় করেছেন, তা আমি মনে করি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর যার কথার পরেই বলে থাকেন, ওটা একটা স্টেটমেন্ট। আমি সেটা ধরেই কথা বলেছি। তবে মানি, আপনার বিরক্তি আমার থেকে বেশি, কারণ অনেকেই আপনাদের বিরক্ত করে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আপনারা জানতেও পারেন না, কতজন আপনাদের অজ্ঞাতে আহত হয়ে বসে যায়। এ কথা বলায় নিশ্চয়ই আমার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। আমার ধারণা, সময়ে সময়ে আমি তার প্রমাণ রেখেছি। আমাদের কপাল সীতার কপাল। বারবারই আমাদের অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। আবারো নাহয় করা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিশ্চয়ই আমি কিছু গুরুতর কথা বলেছি, কারণ তার প্রয়োজন হয়েছিল। আপনিও অনেক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। সেটার উত্তর নিশ্চয়ই দেব, ব্যাখ্যাও দেব। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, এখন আমাকে কাজে বেরুতে হবে। আশা করি ততক্ষণের বিলম্ব ক্ষমা করবেন। তার আগে বলে রাখি, আমাকে করা আপনার অভিযোগগুলো ঠিক নয়। আমার কাছে প্রমাণ আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার আর বিরক্তির কিছু নাই, আছে আশাভঙ্গের বেদনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৬&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২৩.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৮:৪৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্পর্শকাতরতার কিছু নেই। আপনি লক্ষ্য করে দেখুন, কোথাও আমরা বলিনি যে মনজু ভাই অনুযোগ করে অন্যায় করেছেন, বরং তাঁর অনুযোগের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছি। এই ব্যাখ্যাটি তাঁর বা আপনার বা আরো অনেকের অপছন্দ হতে পারে, কিন্তু ব্যাখ্যাটি এমনই। মনজু ভাইয়ের অনুযোগ একটি অন্যায়, এই বাক্য এসে প্রথম ব্যবহার করলেন আপনি। কারণ কী?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি আমাদের অ্যাপ্রোচ নিয়ে অনেক মাণিক্যখচিত বাক্যব্যয় করলেও মনজু ভাইয়ের অ্যাপ্রোচটিকে সরল বলেই চালিয়ে দিয়েছেন। আমিও তো আপনাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করতে পারতাম। করেছি কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার ইন্টেগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছি না, কিন্তু "আপনাদের" কপাল সীতার কপাল কথাটা শুনে বিস্মিত হচ্ছি। এই "আপনারা" কারা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের অজ্ঞাতে আহত হয়ে যারা বসে যান, তাঁরা যে আমাদের কতটা আহত করেন, তা নিয়ে পা ছড়িয়ে কাঁদি না বলে আমাদের সমস্যাগুলি কেউ বুঝতে চান না। কিংবা না বুঝলেই ব্যাপারটা সহজ হয়, গালি দেয়ার, ঝাড়ি মারার, চোখ রাঙানোর জন্যে কাউকে পাওয়া যায়। সেইসমস্ত কাজ শেষ করে নিজের জরুরি কাজে বেরিয়ে পড়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার জরুরি কাজ সফল হোক। আমিও খুব জরুরি কাজ ফেলে আপনার অকারণ অভিমানজর্জর পোস্টের একপেশে তিরস্কারবাক্যের জবাব দিয়ে যাচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৭&lt;br /&gt;মেটালিফেরাস এর ছবি&lt;br /&gt;২৪ | মেটালিফেরাস (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৯:৩৩&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সমস্যাটা যে শুধুই অ্যাপ্রোচে সেটা বোঝার জন্য যে কোনো ধরনের অনুযোগ অভিযোগে আপনাদের রিএকশন দেখলেই হয়। ভাই এখানে তো কেউ প্রতিপক্ষ নয় আপনাদের তাইনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর আমাদের কমেন্টগুলো দয়া করে প্রকাশ করুন। সুন্দর সাবলীল ভাষায় হয়তো লিখতে পারিনা, কিন্তু এই কমেন্টগুলোতে অশ্রাব্য বা অভব্য কিছুতো নেই, তাইনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভালো থাকবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ও হ্যা, এই সুযোগে মনজুরাউল সাহেবের কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি " এর আগে আরো অনেকের বেলায় আমাদের অত্যাচার-অনাচার মুখ বুঁজে সহ্য করে গেছেন, কিন্তু আজ আপনার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আপনি গোপন রাখতে পারছেন না। তাই আপনি গর্জে উঠেছেন। বেশ, উত্তম " এই হঠাৎই গর্জে উঠে কারো কারো চোখে সন্দেহে ফেলার জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৮&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২৪.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৯:৪৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হ্যাঁ ভাই, আমাদের অ্যাপ্রোচ বড় খারাপ। আমরা খুব দুষ্ট লোক। এইবার আপনি খুশি হাসি ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলায়তন তো অনুযোগ অভিযোগের মধ্যেই বেড়ে উঠেছে। একদম শুরু থেকেই অভিযোগ শুনছি, আমরা এলিটদের বৈঠকখানা, আমরা বাকস্বাধীনতার শত্রু, আমরা হ্যান, আমরা ত্যান। আর আমাদের প্রতিক্রিয়াও কিছুতেই অনুযোগ বা অভিযোগকারীর মনমতো হয় না। ভাই মেটালিফেরাস, আপনি কী ধরনের প্রতিক্রিয়া পেলে খুশি হন আমাদের কাছ থেকে? আপনি এসে ধমক দিবেন, আর আমরা কেঁদে ফেলবো? সেটাই কি যোগ্য রিয়্যাকশন হবে? জানাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিক্ততায় তিক্ততা বাড়ে, তাই না? আমরা চেষ্টা করি যতদূর সম্ভব এই তিক্ততা এড়িয়ে চলতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর গত এক বছর এক মাসে সচলের কোথাও আপনার সাড়াশব্দ পেলাম না, আপনি এখন গোলমালের গন্ধ পেয়ে এসে ক্রমাগত বিভিন্ন কথা ভিন্ন খাতে বইয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন, আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ হওয়াটাও কি খারাপ রিঅ্যাকশনের মধ্যে পড়ে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩৯&lt;br /&gt;মেটালিফেরাস এর ছবি&lt;br /&gt;২৫ | মেটালিফেরাস (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ১৯:৫৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিকাছে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪০&lt;br /&gt;কানন আহসান এর ছবি&lt;br /&gt;২৬ | কানন আহসান (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:০৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলায়তনের শুরুর দিকের একজন পাঠক আমি । নিজে লেখালেখি করিনা বলে রেজিষ্ট্রেশন করিনি তাই সচল হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সচলায়তনের নীতিমালা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই ।&lt;br /&gt;সচলায়তনের সব লেখার গুনগত মান যে খুব আহামরি তা নয় কিন্তু যে জায়গায় সচলায়তন অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে তাহলো এর সুস্থির পরিবেশ । আলোচনা-সমালোচনা,তর্ক-বিতর্ক করা মানেই যে যে কাছা খুলে নেমে পড়া নয় কিংবা নিজের কথা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করা নয়-সেটা এখানে এলে টের পাওয়া যায় ।&lt;br /&gt;এই পোষ্টের সব মন্তব্যগুলো পড়লাম । মনজুরাউল এর ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটেছে মনে হল । কিন্তু তিনি তার ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে সদ্য সচল হওয়া কয়েকজনের নাম উচ্চারন করলেন । এটা বেশ দৃষ্টিকটু ঠেকলো ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  কিন্তু সচলের 'মাপকাঠি’ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমি রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের নিচে অবস্থান করছি!প্রকারান্তরে এদের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক! আর এটা করা হয়েছে সুচিন্তিত ভাবেই। আমি অপমানিত বোধ করলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পালটা প্রশ্ন তোলা যেতে পারতো- কোন মানদন্ডে তিনি নিজেকে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত এদের চেয়ে 'আপার রেটের' লেখক মনে করেন ? তার অভিযোগ সুচিন্তিত ভাবে সচলায়তন তাকে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের চেয়ে ন্যারো রেটের লেখক বানিয়েছে । তার মানে সচলায়তন স্বজন প্রীতি করে রাফি,ষষ্ঠপান্ডব,পলাশদত্ত দের আপার রেটেড বানিয়েছে যদিও আসলে তারা মনজুরাউল এর চেয়ে 'ন্যারো রেটেড'&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অতীতে ও দেখেছি কোন কোন অধিক পরিচিত লেখক (এই রাজনীতি নির্ভর দেশে লেখক পরিচিতি নানাভাবেই গড়ে উঠে) ওপেন ফোরামে এসে নিজেদের হামবড়া ভাব গোপন রাখতে পারেননা । নিজেকে তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের ছোট করেন, অন্যদের নবিশ ভাবেন ।&lt;br /&gt;সচলায়তন এবং সচলেরা এইসব থেকে মুক্ত থাকুক ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪১&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি&lt;br /&gt;২৭ | ফারুক ওয়াসিফ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:২৪&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;@ হিমু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  মনজু ভাই তাঁর তর্ক শুরুই করেছেন নিজস্ব মানসিক বিষফোঁড়ার প্রেক্ষিতে। তাঁর কন্যাটি অসুস্থ ছিলো, তিনি টেনশনে ছিলেন, সেই ঝাল তিনি ঝেড়েছেন সচলের ওপরে। তিনি একাধিকবার জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা মডারেটররা তাঁকে পছন্দ করছে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ধারণার ভিত্তি কী আমি জানি না, কিন্তু তিনি কলহ করছেন এই ধারণার আলখাল্লা মডারেটরদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের সাথে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি যে অ্যাপ্রোচের কথা বলেছিলাম, সেটার একটা নমুনা ওপরে দেয়া গেল। নিজেই ভেবে দেখেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবসময়ই কি আপনারা সকল সদস্যের সহানুভূতি, সৌহার্দ্য পেয়ে আসেননি? আমি একটি কথাই বলতে চাইছি হাজারবার। আপনারা যে আহত হন না, লোকে যে অকারণে আপনাদের জ্বালাতে আসে না, তা নয়। আসে। কিন্তু মডারেটর হিসেবে সেটার সঙ্গে একজন সদস্য বা হবু সদস্যের আহত হওয়াকে এক নিক্তিতে মাপা যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার অভিযোগ ছিল পক্ষপাতিত্ব নিয়ে, সচলের ভেতরে একটা প্রিভিলেজড ক্লাস নিয়ে। অন্যদের মতো অনেক নিয়মই তাদের বেলায় খাটতে দেখা যায় নাই। ছোটো খাটো ম্যানিপুলেশন না হয় বাদই দিলাম। আজ এত কিছুর পর ওসব ভোলা যাচ্ছে না। এসব বলে হয়তো, নিজেকে ও সচলকে নিয়ে জমা ভার খালাস করতে চাইছি। যাতে হারানো সুর ফিরে পেতে পারি।&lt;br /&gt;যাহোক, এসব বলতে বাধ্য হয়েছি অনেক কিছুর পর। আপনি আমার বোঝা না বোঝা বা অকারণ অভিমান ইত্যাদি যা বলেছেন, তার ব্যাখ্যা আমি দেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, এখন সেই উপায় আমার নাই। এখন অফিসে। আগের কমেন্টটা করে নীচে গিয়েছিরাম পাতা পেস্ট করতে। আর এখন যাব একজনের ইন্টারভিউ করতে। কাল অফিসে আসবো না। সেজন্য আজ দিবারাত্র কাজ করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানি, দ্বন্দ্বের নিয়মে এবারও আমি বা আপনি বা অন্য কেউ অতিরেক ঘটাবে। এও জানি সুযোগসন্ধানীরা সুযোগ নেবে। তবুও কিছু কিছু মুহূর্ত এড়ানো কঠিন। অভিনন্দন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪২&lt;br /&gt;হিমু এর ছবি&lt;br /&gt;২৭.১ | হিমু | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:৪৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি আপনার উদ্ধৃত জবাব পড়ে দেখলাম। আপনার কথার হুলের উত্তরেও আমাকে পুষ্পিত হাস্যমধুর স্তোকবাক্য এগিয়ে দিয়ে পরবর্তী হুলের অপেক্ষায় থাকতে হবে, এ-ই যদি আপনার প্রত্যাশা হয়, আমি আপনাকে অবশ্যই হতাশ করবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি এক নিক্তিতে কিছুই মাপবেন না, আমি জানি। মাপলে পাল্লার কাঁটা আমাদের ভর্ৎসনা করার কাজে অসুবিধা করতে পারে। দুই নিক্তিতে মেপে যাবতীয় দায় আমাদের ঘাড়ে চাপানোটা অনেক সহজ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সচলের মধ্যে এক প্রিভিলেজড ক্লাসের রূপকথার দায়ও এখন আমাকে বহন করতে হচ্ছে। ভাই, আমরা রক্তমাংসের মানুষ, রোবট না, কোন জাভাস্ক্রিপ্ট না। দিনরাত ২৪ ঘন্টা আমরা স্ক্রিনের সামনেও থাকি না। সব পোস্ট প্রকাশিত হবার সাথে সাথে আমরা সেগুলি পড়ে আগে আগে উত্তর দিতে পারি না। রিয়্যাকশন টাইম বলে একটা কথা আছে সব সিস্টেমে, আমরাও তার শিকার। কোন সমস্যা চোখে পড়তে দেরি হতে পারে, কিন্তু কোন সমস্যা চোখে পড়ার পর তার নিরসনে দেরি আমরা করেছি, এমন অভিযোগ আপনি তুললে আমি স্পর্শকাতর হতে বাধ্য হবো। আমি আমার জীবনের আড়াই ভাগের একভাগ ব্যয় করি সচলায়তনে, জেগে থাকা আয়ুর দেড় ভাগের এক ভাগ, আপনার এসব অযৌক্তিক আবেগপ্রসূত অভিযোগ আমাকে আহত করলে আমি স্পর্শকাতরতা প্রদর্শনে একরকম বাধ্য হবো। আপনার অভিযোগ শুনে মনে হচ্ছে, একা আপনি সেই প্রিভিলেজড-ক্লাসবহির্ভূত সদস্য। অন্যদের মতো অনেক নিয়ম কাদের বেলায় খাটে না, অনুগ্রহ করে জানাবেন। প্রকাশ্যে জানাতে সমস্যা হলে গোপনে জানাবেন। ছোটখাটো ম্যানিপুলেশনগুলির একটা তালিকাও দিতে পারেন আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত ১৩ মাস ধরে আমরা সবাই মিলে সচলায়তনকে একটু একটু করে গড়ে তুলছি। কলহ, বিবাদ, কাদা-ছোঁড়াছুঁড়ি থামানোর জন্যে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা যা কিছু করা সম্ভব, করছি। সচলায়তনের সদস্যদের প্রশ্ন করে দেখুন, কেন তাঁরা এই কমিউনিটিকে ঘিরে আছেন। এই পরিবেশটুকুর জন্যে। কারো ব্যক্তিগত কলহপ্রিয়তার বিলাসকে উৎসাহিত করার জন্যে আমরা সচলের নিয়মে ছাড় দিতে প্রস্তুত ছিলাম না, এখনো নেই। যদি এই নিয়মে শৈথিল্যই আপনার কাম্য হয়, আমি বিনীতভাবে দ্বিমত পোষণ করছি। এ ব্যাপারে আপনাকে বা যে কাউকে আমরা হতাশ করবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের সৌহার্দ্য বরাবরই সব সদস্যদের সাথে আছে, সম্ভাব্য সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু তার মানে এই না, পান থেকে চুন খসলে আপনার শ্লেষের শিকার হবো, সেই শ্লেষ আক্রান্ত হয়েও নম্র বিনয়ে দ্বিতীয় গালটি ফিরিয়ে দেবো। আমাদের অযথা আঘাত না করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাঁটুপানির জলদস্যু&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪৩&lt;br /&gt;স্নিগ্ধা এর ছবি&lt;br /&gt;২৮ | স্নিগ্ধা | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:২৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;  যে জায়গায় সচলায়তন অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে তাহলো এর সুস্থির পরিবেশ ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেহেতু আমি নিজে একজন সচল, অতএব আমার অভিমত প্রশ্নাতীতভাবে নিরপেক্ষ না হতেই পারে - কিন্তু তবুও বলছি, এটা ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে সচলায়তনের সবচাইতে বড় আকর্ষণ! আর একটা সুস্থ পরিবেশ গড়ে ওঠে সমমানসিকতার সদস্যদের নিয়ে - সে ব্যাপারেও আমার অপরিসীম কৃতজ্ঞতা। এই সচলায়তনের কারণে এতগুলো ভার্চুয়াল বন্ধু পাওয়াটা আমার প্রত্যাশার বাইরে ছিলো!!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪৪&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি&lt;br /&gt;২৮.১ | ফারুক ওয়াসিফ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:২৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার আশা, এর পরেও সচল সেটাই থাকবে এবং থাকুক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি | জবাব&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪৫&lt;br /&gt;ফারুক ওয়াসিফ এর ছবি&lt;br /&gt;২৯ | ফারুক ওয়াসিফ | শুক্র, ২০০৮-০৮-২৯ ২০:৪৯&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি একটা অনুরোধ করতে পারি? এই আলোচনায় অতিথি কমেন্ট না নিলে পরিবেশটা বোধহয় বেশি ভাল থাকে। কেউ আবডাল নিয়ে যা ইচ্ছা তা বলে যেতে পারে না। এবং তাকে তো পরে পাওয়াও যাবে না, উত্তর বা ব্যাখ্যা নেয়া-দেয়ার জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমারও ভুল হতে পারে। তবে এই ঘটনার পর (অরূপের কমেন্ট) আমি কিঞ্চিত থমকে গিয়েছিলাম। নীচে তা দিয়ে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রিয় ফারুক ভাই,&lt;br /&gt;এই মন্তব্যটা দেখিনি অনেক দিন। মন্তব্য করেছি সবজান্তার পোস্টে। আপনার রিঅ্যাকশন বড়ই অপ্রত্যাশিত। এই&lt;br /&gt;পোস্টের পরে আপনি মধ্যবিত্ত বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছেন। যদি এই মন্তব্যকে তার বিরুদ্ধে গ্রহন করেন তাহলে মুস্কিল। প্যারানয়েড হওয়াটা সুলক্ষন নয়।&lt;br /&gt;দুর্ভাগ্যক্রমে একাধিক মহোদয়ের সাথে এই জীবনে আলাপ হয়েছে যারা কথায়-অকথায় গোটাকয় শব্দ বার বার তুলে আনেন। চড় মারার ঘটনা আপনি জানেন না। জানলে ভালো&lt;br /&gt;হল। চড় মারা নিয়ে "মধ্যবিত্ত" শব্দের ব্যবহার শুনতে হয়েছে বাস্তবেই। মানুষ খুবই উন্নত প্রাণী, তার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ। স্বভাবতই, যারা উপরিউক্ত শব্দচতক্রের বাইরে যেতে পারেন না তাদের চিন্তার সীমা নিয়ে সন্দেহ জাগে।&lt;br /&gt;এদের সাথে আপনি নিজেকে মিলিয়ে ফেললে কিছু করার নেই। নাকি আছে?&lt;br /&gt;আমি বারবার দেখছি আপনি আগ বাড়িয়ে লাগতে আসেন। ঘোড়া সামলান। পায়ে পা দেওয়াটা অশোভন। সচল কাউকে আটকে রাখ
